পর্যটন বাংলাদেশ - বাংলাদেশ ভ্রমণ - বাংলাদেশের দর্শনীয় স্থান


জেলাঃ ঢাকা

জাতীয় স্মৃতিসৌধ
ঢাকা >>  সাভার

ঢাকা থেকে প্রায় ২৫ কিলোমিটার দূরে সাভার নবীনগরে জাতীয় স্মৃতিসৌধটি রয়েছে। জাতীয় স্মৃতিসৌধ নামে বহুল পরিচিত এই স্থাপনাটিকে মূলত ...... সম্পূর্ণ অংশ পড়ুন

হেরিটেজ পার্ক
ঢাকা >>  সাভার

সাভারের আশুলিয়ায় ফ্যান্টাসি কিংডম এর পাশেই এই পার্কটি রয়েছে। বাংলাদেশ না ঘুরেও বাংলাদেশের বিখ্যাত প্রত্নস্থলের নিদর্শনগুলো এক নজরে ঘুরে দেখতে পারবেন এই হেরিটেজ পার্কটিতে। ...... সম্পূর্ণ অংশ পড়ুন

সিতারা বেগম মসজিদ
ঢাকা >>  সিংটোলা

ঢাকার সিংটোলাতে অবস্থিত ৩ গম্বুজ বিশিষ্ট একটি প্রাচীন মসজিদ এই সিতারা বেগম মসজিদ। মসজিদটি ১৮১৫ থেকে ১৮১৯ খ্রিষ্টাব্দের কোন এক সময়ে নির্মিত। সেতারা বেগম নামক এক মহিলা তৎকালীন একজন বিখ্যাত জমিদার গোলাম মোহাম্মদ এর মৃত্যুর পর স্বামীর স্মৃতিকে অম্লান করে রাখার জন্য এই মসজিদটি নির্মাণ করেছিলেন। ...... সম্পূর্ণ অংশ পড়ুন

হাতিরঝিল
ঢাকা >>  হাতিরঝিল

কর্মব্যস্ত রাজধানী ঢাকা শহরের বিনোদন স্পটগুলোর মধ্যে হাতিরঝিল অন্যতম। এশিয়ার সর্ববৃহৎ ফোয়ারাটি দেখতে পাবেন এখানে। নানা রঙের পানির ছটা চারদিকে ছড়িয়ে দিবে এই ফোয়ারাটি। মনে হতে পারে কোন ইউরোপ-আমেরিকায় এসে পরেছেন। ১,৯৮০ বর্গমিটারের এই রঙ্গিন ফোয়ারার পানি সর্বোচ্চ ৮০ মিটার পর্যন্ত উঠতে পারে। সন্ধ্যার পর বর্ণিল পানির ছটায় হারিয়ে যাবেন এক কল্পনার জগতে। ...... সম্পূর্ণ অংশ পড়ুন

জিরো পয়েন্ট / শহীদ নূর হোসেন চত্বর
ঢাকা >>  জিরো পয়েন্ট

ঢাকাস্থ বাংলাদেশ সচিবালয় ও প্রধান ডাকঘরের নিকটে অবস্থান এই জিরো পয়েন্টের। এর বর্তমান নাম শহীদ নূর হোসেন চত্বর। ঢাকা মহানগরীর মুল কেন্দ্র বিন্দু হিসেবে ধরা হয় এই স্থানটিকে। শুধু বাংলাদেশ নয় বিদেশের দূরত্ব পরিমাপের জন্যও এটিকে কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে ধরা হয়। ...... সম্পূর্ণ অংশ পড়ুন

জিঞ্জিরা প্রাসাদ
ঢাকা >>  জিঞ্জিরা

বুড়িগঙ্গা নদীর তীরে জিঞ্জিরা নামক একটি স্থানে এই প্রাসাদটি রয়েছে। এটি দেখতে হলে সদরঘাট থেকে নৌকাযোগে জিঞ্জিরায় যেতে হয়। বাংলার শেষ নবাব সিরাজউদ্দৌলার মৃত্যুর পর ১৭৫৬ খ্রিষ্টাব্দে তাঁর স্ত্রী ও কন্যাকে এখানেই বন্ধী করে রাখা হয়েছিল। প্রাসাদটি এখনো সেই ইতিহাসের সাক্ষী দেয়। ...... সম্পূর্ণ অংশ পড়ুন

বিবি চম্পার সমাধি
ঢাকা >>  চক বাজার (থানা)

ঢাকার চকবাজারের ছোট কাটরা এলাকায় এই বিবি চম্পার সমাধি সৌধটি রয়েছে। শায়েস্তা খানের আমলে ১৬৬৩ খ্রিষ্টাব্দে এটি নির্মিত হয়। এটি এক গম্বুজ বিশিষ্ট বর্গাকারে নির্মিত একটি সমাধি সৌধ। সমাধি সৌধে প্রবেশের জন্য ৪ পাশের দেয়ালে ৪টি প্রবেশপথ আছে। বর্গাকার এই সৌধের ৪ কোনে ৪টি বুরুজ আছে। জানা যায়, নবাব শায়েস্তা খান তার বাঙ্গালী স্ত্রী বিবি চম্পার কবরের উপর এই সৌধটি নির্মাণ করেন। ...... সম্পূর্ণ অংশ পড়ুন

চকবাজার মসজিদ
ঢাকা >>  চক বাজার (থানা)

রাজধানী ঢাকার চকবাজারের দক্ষিন-পশ্চিম দিকে এই চক বাজার মসজিদটি রয়েছে। মোঘল আমলে ১৬৭৬ খ্রিষ্টাব্দে নবাব শায়েস্তা খান এটি নির্মাণ করেন। প্রায় ১০ ফুট উঁচু একটি প্লাটফর্মের উপর নির্মিত এই মসজিদটি ৩ গম্বুজ বিশিষ্ট। আদি মসজিদটি ধ্বংসপ্রাপ্ত হওয়ায় এটিকে প্রায় নতুন করে পুনঃনির্মাণ করা হয়েছে। বর্তমানে এটি একটি আধুনিক মসজিদ। মসজিদটি চক বাজার শাহী মসজিদ নামেই বেশি পরিচিত। ...... সম্পূর্ণ অংশ পড়ুন

দেওয়ান বাজার মসজিদ
ঢাকা >>  চক বাজার (থানা)

অষ্টাদশ শতাব্দীতে নির্মিত তাহখানা সম্বলিত ৩ গম্বুজ বিশিষ্ট মসজিদ এই দেওয়ান বাজার মসজিদ। নাজিম উদ্দীন রোড এর দেওয়ান বাজার এলাকায় রয়েছে এই মুঘল স্থাপত্যরীতির এই অনন্য নিদর্শনটি। মসজিদের উত্তর-দক্ষিণ দিকে ১ টি করে এবং পূর্ব দিকে ৩ টি প্রবেশদ্বার রয়েছে। পশ্চিম দেয়ালে আছে ৩ টি মিহরাব। ...... সম্পূর্ণ অংশ পড়ুন

চুড়িহট্টা মসজিদ
ঢাকা >>  চক বাজার (থানা)

ঢাকার চকবাজারে অবস্থিত জামে মসজিদের নিকট চুড়ির হাট এর বেলওয়ারী চুড়ি প্রস্তুতকারীদের মহল্লায় এই মসজিদটি রয়েছে। মসজিদটি আয়তাকারে নির্মিত। মসজিদের ৪ কোনে ৪ টি মিনার রয়েছে। শাহ সুজার শাসনামলে ১৬৪৯ খ্রিষ্টাব্দে মুহাম্মদ বেগ এই মসজিদটি নির্মাণ করেন। বর্তমানে এটি একটি আধুনিক মসজিদ। ...... সম্পূর্ণ অংশ পড়ুন

রোজ গার্ডেন
ঢাকা >>  টিকাটুলি

টিকাটুলির কেএম দাস রোডে এই গার্ডেনটি রয়েছে। এটি বর্তমানে সিনেমা-নাটকের একটি অন্যতম শুটিং স্পট হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। সত্তর দশকেও এটি চলচিত্র নির্মাণের একটি জনপ্রিয় স্পট ছিল। ...... সম্পূর্ণ অংশ পড়ুন

বিনিত বিবির মসজিদ / বখত বিনত মসজিদ
ঢাকা >>  গেণ্ডারিয়া (থানা)

ঢাকার নারিন্দায় রয়েছে এই বিনিত বিবির মসজিদটি। এটিই ঢাকার সবচেয়ে প্রাচীন মসজিদ। এবং দেশের মসজিদগুলোর মধ্যে সম্ভবত দ্বিতীয় প্রাচীন মসজিদ। মসজিদটির পশ্চিম দেয়ালে একটি মাত্র মিহরাব আছে। মসজিদের শিলালিপি অনুযায়ী, সুলতান মাহমুদ শাহের আমলে ১৪৫৬ খ্রিষ্টাব্দে মারহামাতের কন্যা মুসাম্মত বখত বিনত এই মসজিদটি নির্মাণ করেন। মসজিদটি সংস্কার করার ফলে আদি রূপের অনেক পরিবর্তন হয়েছে। আদিতে এটি ১ গম্বুজ বিশিষ্ট একটি ছোট মসজিদ ছিল। এর উত্তর, দক্ষিন ও পূর্ব দেয়ালে ১ টি করে প্রবেশদ্বার ছিল। মসজিদের ৪ কোনে ৪টি আটকোনাকার মিনার ছিল। ...... সম্পূর্ণ অংশ পড়ুন

বলদা গার্ডেন জাদুঘর
ঢাকা >>  ওয়ারী (থানা)

নানান প্রজাতির দেশীয় ও বিশ্বের প্রায় অর্ধশতাধিক দেশ হতে আনা উদ্ভিদের সংগ্রহশালা বা জাদুঘর এই গার্ডেনটি। পুরাতন ঢাকার ওয়ারীতে অবস্থিত এই বিরল সংগ্রহশালাটির। বলদার প্রখ্যাত জমিদার 'নরেন্দ্র নারায়ন রায় চৌধুরী' ১৯০৯ খ্রিষ্টাব্দে ৩.৩৮ একর জমির উপর এই গার্ডেনটি প্রতিষ্ঠা করেন। এটি জাতীয় উদ্যানের একটি স্যাটেলাইট উদ্যান। প্রায় ১৮ হাজার দেশী-বিদেশী উদ্ভিদ নিয়ে এই গার্ডেনটির যাত্রা শুরু। এই গার্ডেনের প্রধান আকর্ষণ হলো শঙ্খ নদ, পুকুর ক্যামেলিয়া, সূর্য ঘড়ি ইত্যাদি। ...... সম্পূর্ণ অংশ পড়ুন

তারা / সিতারা মসজিদ
ঢাকা >>  আর্মানিটোলা

পুরাতন ঢাকার আর্মানিটোলার আবুল খয়রাত রোডে দেখতে পাবেন এই তারা মসজিদটি। আর্মানিটোলা হাইস্কুলের কাছে ঢাকার সবচেয়ে কারুকার্যময় মসজিদগুলোর মধ্যে এই মসজিদটি অন্যতম। ঢাকার জমিদার মির্জা গোলাম পীর অষ্টাদশ শতকে এটি নির্মাণ করেন। নির্মাণকালে এর নাম ছিল সিতারা মসজিদ। এটি মির্জা সাহেবের মসজিদ নামেও পরিচিত। মসজিদটির ৪ কোনে ৪ টি ছোট গম্বুজ বিশিষ্ট মিনার রয়েছে। মসজিদের পূর্ব দেয়ালে ৩ টি প্রবেশপথ এবং উত্তর ও দক্ষিণ দিকে ১টি করে প্রবেশ পথ ছিল। মসজিদটির ছাদে ছিল ৩ টি গম্বুজ । পশ্চিম দেয়ালে ছিল ৩ টি মিহরাব। পরবর্তীতে মসজিদটির সংস্কার করে আদি মসজিদের অনুকরণে বসানো হয়েছে আরও ২ টি গম্বুজ । ফলে, এটি এখন ৫ গম্বুজ বিশিষ্ট আধুনিক দৃষ্টিনন্দন একটি মসজিদ। জাপান থেকে আনা চীনা মাটির টালী ব্যবহার করা হয়েছে। অভ্যন্তরের মেঝেতে মোজাইক ব্যবহারের ফলে মসজিদটির সৌন্দর্য বাড়িয়ে দিয়েছে অনেক বেশি। মসজিদটি তারা মসজিদ নামে বহুল পরিচিত পাওয়ার অন্যতম কারন হচ্ছে এর দেয়ালের অসংখ্য তারা খোচিত নকশা। রয়েছে অর্ধচন্দ্রের নকশাও। ...... সম্পূর্ণ অংশ পড়ুন

কশাইটুলি মসজিদ
ঢাকা >>  আর্মানিটোলা

বাংলাদেশের সর্বোচ্চ এবং সর্বাপেক্ষা শ্রেষ্ঠ অলংকৃত মসজিদ এটি। চোখ ধাঁধানো নকশায় অলংকৃত এই কশাইটুলি মসজিদটি ঢাকার আর্মানিটোলার নিকট কশাইটুলিতে অবস্থিত। আব্দুল বারী বেপারী নামের এক ধনাঢ্য ব্যবসায়ী ১৯১৯ খ্রিষ্টাব্দে এই মসজিদটি নির্মাণ করেন। এটি একটি আয়াতাকার ইমারত। পরবর্তীতে এটি সংস্কার করা হয় এবং প্রচুর কারুকার্য করা হয়। মসজিদটি ৩ গম্বুজ বিশিষ্ট। মসজিদের অভ্যন্তরের পশ্চিম দেয়ালে ৩ টি সুদৃশ্য অলংকৃত মিহরাব রয়েছে। পূর্ব দেয়ালে ৩ টি প্রবেশদ্বার রয়েছে। মসজিদের অলংকরণ ক্রা হয়েছে চিনি টিকরি পদ্ধতিতে। চিনি টিকরি পদ্ধতি হলো রঞ্জিত মৃৎপাত্রের টুকরো দিয়ে নকশা তৈরি করে অলংকার করা। খাঁজ কাটা গম্বুজ, ফুল, লতাপাতা, জ্যামিতিক নকশা, আরবি লিপির অলংকরণ, ছোট গোলাপের নকশা, আঙ্গুরের থোকা, টবের ফুল ইত্যাদি নকশা দেখা যাবে মসজিদের ভেতর ও বাহিরের দেয়ালে। ...... সম্পূর্ণ অংশ পড়ুন

First  Previous  1  2  3  4  5  6  Next  Last  



পর্যটন বাংলাদেশ - বাংলাদেশ ভ্রমণ - বাংলাদেশের দর্শনীয় স্থান