পর্যটন বাংলাদেশ - বাংলাদেশ ভ্রমণ - বাংলাদেশের দর্শনীয় স্থান


খান মুহাম্মদ মৃধা মসজিদ
ঢাকা >>  লালবাগ (থানা)

রাজধানী ঢাকার লালবাগ দুর্গের পশ্চিমে আতিশখানায় এই খান মুহাম্মদ মৃধা মসজিদটি রয়েছে। এটি একটি দ্বিতল বিশিষ্ট আয়তাকার ইমারত। দোতলায় মসজিদটি রয়েছে। এটি একটি ৩ গম্বুজ বিশিষ্ট মসজিদ। এর ৪ কোনায় ৪টি অষ্টকোণাকৃতির মিনার রয়েছে। পশ্চিম দেয়ালে রয়েছে ৩ টি অলংকৃত মিহরাব। মসজিদের এক শিলালিপি থেকে জানা যায় যে, মসজিদটি খান মুহাম্মদ মৃধা ১৭০৫ খ্রিষ্টাব্দের কাছাকাছি কোন এক সময়ে নির্মাণ করেছিলেন। মসজিদটির পূর্ব দেয়ালে ৩ টি এবং উত্তর ও দক্ষিন দেয়ালে ১ টি করে প্রবেশ পথ রয়েছে। মসজিদের নিচ তলায় একটি তাহখানা ছিল। এটি মাদ্রাসার ছাত্রাবাস ছিল বলে মনে করা হয়। মসজিদের উত্তর-পূর্ব দিকে ৩ কক্ষ বিশিষ্ট একটি ইমারত রয়েছে, যা মাদ্রাসা হিসেবে ব্যবহৃত হতো বলে অনুমান করা হয়। ...... সম্পূর্ণ অংশ পড়ুন

আওরঙ্গবাদ দুর্গ / লালবাগ কেল্লা / দুর্গ
ঢাকা >>  লালবাগ (থানা)

রাজধানী ঢাকার লালবাগ থানায় ঐতিহাসিক এই লালবাগ দুর্গটি রয়েছে। ঢাকার এই এলাকাটি পুরাতন ঢাকা নামেই সবচেয়ে বেশি পরিচিত। এক সময় এই দুর্গটি ঢাকার বুড়িগঙ্গা নদীর তীরবর্তী স্থানে ছিল। ১৬৭৮ খ্রিষ্টাব্দে বাদশাহ আওরঙ্গজেবের পুত্র শাহজাদা মুহম্মদ আজম বাংলার সুবেদার নিযুক্ত হলে সে বছরই এই লালবাগ দুর্গ নির্মাণের কাজ শুরু করেন। কিন্তু তিনি এই দুর্গের কাজ শেশ করতে পারেন নি। পরবর্তীতে কাজটি সমাপ্ত করেন তার শশুর বাংলার সুবেদার শায়েস্তা খান। দুর্গটি আওরঙ্গবাদ দুর্গ নামেও পরিচিত। দুর্গটি নির্মাণকালে শায়েস্তা খানের প্রিয় কন্যা পরীবিবির মৃত্যু হলে শায়েস্তা খান দুর্গের নির্মাণ কাজ অসমাপ্ত রেখে নির্মাণ কাজ বন্ধ করে দেন। দুর্গটি পূর্ব-পশ্চিমে প্রায় ২০০০ ফুট এবং উত্তর-দক্ষিণে প্রায় ৮০০ ফুট লম্বা। দুর্গটি ইট নির্মিত একটি উঁচু দেয়াল দ্বারা ঘেরা। দক্ষিন দেয়ালে দুর্গের দক্ষিন-পশ্চিম কোন পর্যন্ত পরপর ৫টি ৮ কোনাকার বুরুজ রয়েছে। এ বুরুজগুলো কামান রাখা এবং প্রয়োজনে ব্যবহারের জন্য তৈরি করা হয়েছিল। লালবাগ দুর্গের দক্ষিন দিকের তোরণটি খুবই আকর্ষণীয় একটি স্থাপত্য। এটি দুর্গের সদর তোরণ ছিল। মোঘল আমলে তৈরি তোরণের সকল বিশিষ্টই এই তোরণের মধ্যে দেখা যাবে। উত্তর দিকে আরও একটি তোরণ আছে, যেটি অপেক্ষাকৃত ছোট একটি তোরণ। এই তোরণটির নির্মাণ কাজও অসমাপ্ত ছিল। দুর্গের অভ্যন্তরে বর্গাকারে নির্মিত একটি বড় পুকুর আছে। অতীতে এর চারপাশ ইট দিয়ে বাঁধানো পাড় ছিল। বর্তমানে এই পুকুরটির অতীত জৌলুস আর নাই। বিপদের সময় দুর্গের অভ্যন্তরে পানির একমাত্র উৎস ছিল এই পুকুরটি। ব্রিটিশ আমলের শেষের দিকে এই দুর্গটি পুলিশের অফিস হিসেবে ব্যবহৃত হতো। লালবাগের কেল্লার নিচ দিয়ে অনেকগুলি সুড়ঙ্গ আছে, যেগুলো পরবর্তীতে জমিদার আমলে করা হয়েছে। জমিদাররা বিপদ দেখলে সেইসব পথে পালিয়ে যেত। তবে, সুড়ঙ্গপথগুলো বর্তমানে বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। ...... সম্পূর্ণ অংশ পড়ুন

আল্লাকুড়ি মসজিদ
ঢাকা >>  লালমাটিয়া

ঢাকার লালমাটিয়ায় অবস্থিত আকর্ষণীয় ছোট একটি মসজিদ এই আল্লাকুড়ি মসজিদ। মোহাম্মদপুর থানার সাত গম্বুজ মসজিদের নিকটেই এটি দেখতে পাবেন। জঙ্গলের মত একটি এলাকা থেকে আলাহর দয়ায় মাটি খুঁড়ে (কুড়ে) মসজিদটি আবিষ্কার করা হয়েছে বলে এর নাম হয়েছে আল্লাকুড়ি মসজিদ। এটি ১ গম্বুজ বিশিষ্ট সম্পূর্ণভাবে ইট দ্বারা নির্মিত একটি ইমারত। একটি উঁচু ভিত্তি ভেদীর উপর নির্মাণ করা হয়েছে এটি। মসজিদটি বর্গাকারে নির্মিত, যার প্রতি পাশের দৈর্ঘ্য প্রায় ১২ ফুট ৬ ইঞ্চি। মসজিদের উত্তর-দক্ষিন আর পূর্ব দেয়ালে ১ টি করে প্রবেশপথ রয়েছে। অভ্যন্তরের পশ্চিম দেয়ালে ৩ টি মিহরাব নির্মাণ করা হয়েছে। ইমারতটির ৪ কোনে ৪টি আটকোনাকার বুরুজ আছে। শায়েস্তা খান এর শাসনামলে সপ্তদশ শতাব্দিতে (১৬৮০ খ্রিষ্টাব্দ) এই মসজিদটি নির্মাণ করা হয়। ...... সম্পূর্ণ অংশ পড়ুন

সিতারা বেগম মসজিদ
ঢাকা >>  সিংটোলা

ঢাকার সিংটোলাতে অবস্থিত ৩ গম্বুজ বিশিষ্ট একটি প্রাচীন মসজিদ এই সিতারা বেগম মসজিদ। মসজিদটি ১৮১৫ থেকে ১৮১৯ খ্রিষ্টাব্দের কোন এক সময়ে নির্মিত। সেতারা বেগম নামক এক মহিলা তৎকালীন একজন বিখ্যাত জমিদার গোলাম মোহাম্মদ এর মৃত্যুর পর স্বামীর স্মৃতিকে অম্লান করে রাখার জন্য এই মসজিদটি নির্মাণ করেছিলেন। ...... সম্পূর্ণ অংশ পড়ুন

বিবি চম্পার সমাধি
ঢাকা >>  চক বাজার (থানা)

ঢাকার চকবাজারের ছোট কাটরা এলাকায় এই বিবি চম্পার সমাধি সৌধটি রয়েছে। শায়েস্তা খানের আমলে ১৬৬৩ খ্রিষ্টাব্দে এটি নির্মিত হয়। এটি এক গম্বুজ বিশিষ্ট বর্গাকারে নির্মিত একটি সমাধি সৌধ। সমাধি সৌধে প্রবেশের জন্য ৪ পাশের দেয়ালে ৪টি প্রবেশপথ আছে। বর্গাকার এই সৌধের ৪ কোনে ৪টি বুরুজ আছে। জানা যায়, নবাব শায়েস্তা খান তার বাঙ্গালী স্ত্রী বিবি চম্পার কবরের উপর এই সৌধটি নির্মাণ করেন। ...... সম্পূর্ণ অংশ পড়ুন

চকবাজার মসজিদ
ঢাকা >>  চক বাজার (থানা)

রাজধানী ঢাকার চকবাজারের দক্ষিন-পশ্চিম দিকে এই চক বাজার মসজিদটি রয়েছে। মোঘল আমলে ১৬৭৬ খ্রিষ্টাব্দে নবাব শায়েস্তা খান এটি নির্মাণ করেন। প্রায় ১০ ফুট উঁচু একটি প্লাটফর্মের উপর নির্মিত এই মসজিদটি ৩ গম্বুজ বিশিষ্ট। আদি মসজিদটি ধ্বংসপ্রাপ্ত হওয়ায় এটিকে প্রায় নতুন করে পুনঃনির্মাণ করা হয়েছে। বর্তমানে এটি একটি আধুনিক মসজিদ। মসজিদটি চক বাজার শাহী মসজিদ নামেই বেশি পরিচিত। ...... সম্পূর্ণ অংশ পড়ুন

দেওয়ান বাজার মসজিদ
ঢাকা >>  চক বাজার (থানা)

অষ্টাদশ শতাব্দীতে নির্মিত তাহখানা সম্বলিত ৩ গম্বুজ বিশিষ্ট মসজিদ এই দেওয়ান বাজার মসজিদ। নাজিম উদ্দীন রোড এর দেওয়ান বাজার এলাকায় রয়েছে এই মুঘল স্থাপত্যরীতির এই অনন্য নিদর্শনটি। মসজিদের উত্তর-দক্ষিণ দিকে ১ টি করে এবং পূর্ব দিকে ৩ টি প্রবেশদ্বার রয়েছে। পশ্চিম দেয়ালে আছে ৩ টি মিহরাব। ...... সম্পূর্ণ অংশ পড়ুন

চুড়িহট্টা মসজিদ
ঢাকা >>  চক বাজার (থানা)

ঢাকার চকবাজারে অবস্থিত জামে মসজিদের নিকট চুড়ির হাট এর বেলওয়ারী চুড়ি প্রস্তুতকারীদের মহল্লায় এই মসজিদটি রয়েছে। মসজিদটি আয়তাকারে নির্মিত। মসজিদের ৪ কোনে ৪ টি মিনার রয়েছে। শাহ সুজার শাসনামলে ১৬৪৯ খ্রিষ্টাব্দে মুহাম্মদ বেগ এই মসজিদটি নির্মাণ করেন। বর্তমানে এটি একটি আধুনিক মসজিদ। ...... সম্পূর্ণ অংশ পড়ুন

বিনিত বিবির মসজিদ / বখত বিনত মসজিদ
ঢাকা >>  গেণ্ডারিয়া (থানা)

ঢাকার নারিন্দায় রয়েছে এই বিনিত বিবির মসজিদটি। এটিই ঢাকার সবচেয়ে প্রাচীন মসজিদ। এবং দেশের মসজিদগুলোর মধ্যে সম্ভবত দ্বিতীয় প্রাচীন মসজিদ। মসজিদটির পশ্চিম দেয়ালে একটি মাত্র মিহরাব আছে। মসজিদের শিলালিপি অনুযায়ী, সুলতান মাহমুদ শাহের আমলে ১৪৫৬ খ্রিষ্টাব্দে মারহামাতের কন্যা মুসাম্মত বখত বিনত এই মসজিদটি নির্মাণ করেন। মসজিদটি সংস্কার করার ফলে আদি রূপের অনেক পরিবর্তন হয়েছে। আদিতে এটি ১ গম্বুজ বিশিষ্ট একটি ছোট মসজিদ ছিল। এর উত্তর, দক্ষিন ও পূর্ব দেয়ালে ১ টি করে প্রবেশদ্বার ছিল। মসজিদের ৪ কোনে ৪টি আটকোনাকার মিনার ছিল। ...... সম্পূর্ণ অংশ পড়ুন

তারা / সিতারা মসজিদ
ঢাকা >>  আর্মানিটোলা

পুরাতন ঢাকার আর্মানিটোলার আবুল খয়রাত রোডে দেখতে পাবেন এই তারা মসজিদটি। আর্মানিটোলা হাইস্কুলের কাছে ঢাকার সবচেয়ে কারুকার্যময় মসজিদগুলোর মধ্যে এই মসজিদটি অন্যতম। ঢাকার জমিদার মির্জা গোলাম পীর অষ্টাদশ শতকে এটি নির্মাণ করেন। নির্মাণকালে এর নাম ছিল সিতারা মসজিদ। এটি মির্জা সাহেবের মসজিদ নামেও পরিচিত। মসজিদটির ৪ কোনে ৪ টি ছোট গম্বুজ বিশিষ্ট মিনার রয়েছে। মসজিদের পূর্ব দেয়ালে ৩ টি প্রবেশপথ এবং উত্তর ও দক্ষিণ দিকে ১টি করে প্রবেশ পথ ছিল। মসজিদটির ছাদে ছিল ৩ টি গম্বুজ । পশ্চিম দেয়ালে ছিল ৩ টি মিহরাব। পরবর্তীতে মসজিদটির সংস্কার করে আদি মসজিদের অনুকরণে বসানো হয়েছে আরও ২ টি গম্বুজ । ফলে, এটি এখন ৫ গম্বুজ বিশিষ্ট আধুনিক দৃষ্টিনন্দন একটি মসজিদ। জাপান থেকে আনা চীনা মাটির টালী ব্যবহার করা হয়েছে। অভ্যন্তরের মেঝেতে মোজাইক ব্যবহারের ফলে মসজিদটির সৌন্দর্য বাড়িয়ে দিয়েছে অনেক বেশি। মসজিদটি তারা মসজিদ নামে বহুল পরিচিত পাওয়ার অন্যতম কারন হচ্ছে এর দেয়ালের অসংখ্য তারা খোচিত নকশা। রয়েছে অর্ধচন্দ্রের নকশাও। ...... সম্পূর্ণ অংশ পড়ুন

First  Previous  1  2  3  4  5  6  7  8  9  10  11  12  13  14  15  16  17  18  19  20  Next  Last  



পর্যটন বাংলাদেশ - বাংলাদেশ ভ্রমণ - বাংলাদেশের দর্শনীয় স্থান