পর্যটন বাংলাদেশ - বাংলাদেশ ভ্রমণ - বাংলাদেশের দর্শনীয় স্থান


নবগ্রাম মসজিদ
সিরাজগঞ্জ >>  তাড়াশ

সিরাজগঞ্জ জেলার তাড়াস উপজেলার নবগ্রামে (নওগাঁ) ঐতিহাসিক এই মসজিদটি আছে। স্থানীয়ভাবে, অনেকের কাছে এই মসজিদটি শাহী মসজিদ বা মামার মসজিদ বলেও পরিচিত। মসজিদের শিলালিপি অনুযায়ী, গৌড়ের সুলতান নাসির-উদ-দীন নুসরত শাহের আমলে মোবারক খানের পুত্র খান-ই-ময়াযযম মিয়া ১৫২৬ সালে এটি নির্মাণ করেন। মসজিদের মুল গম্বুজের সংখ্যা ১টি; তবে বারান্দার উপর আরও ৩টি গম্বুজ ছিল। মসজিদের ৪ কোনায় ৪টি অষ্টকোনাকার মিনার ছিল। মিনারগুলোর চূড়ায় ছাট ছোট গম্বুজ ছিল। মসজিদটি মেরামত করা হয়েছে। ...... সম্পূর্ণ অংশ পড়ুন

মক্‌দুম্‌ সাহেবের মসজিদ
সিরাজগঞ্জ >>  শাহজাদপুর

পাবনা জেলার শাহজাদপুর উপজেলায় বিখ্যাত এই মসজিদটি দেখতে পাবেন। এই মসজিদের স্থানটি মক্‌দুম্‌ সাহেবের দরগাহ বাড়ি নামেই অধিক পরিচিত। মসজিদটির বিশেষ বৈশিষ্ট্যের মধ্যে এটি নির্মাণে ছোট ছোট ইট ব্যবহার করা হয়েছে। এছাড়াও মসজিদটিতে ২৮ টি পাথরের স্তম্ভ দেখতে পাওয়া যাবে। স্তম্ভগুলোর মধ্যে মধ্যভাগের একটি স্তম্ভের রং লোহিত বর্ণের। অন্যগুলো কৃষ্ণবর্ণের পাথরে (Black Basalt)নির্মিত। মসজিদটির লোহিত বর্ণের স্তম্ভে স্পর্শ করলে বন্ধ্যা ও মৃতবৎসা নারীরা সুপুত্র সন্তান লাভ করে এই বিশ্বাসে বহু হিন্দু ও মুসলমান নারীরা এখানে আসেন। মসজিদটি ১৫ গম্বুজ বিশিষ্ট। মসজিদের অভ্যন্তরে ৫টি মিহরাব রয়েছে। প্রবেশের জন্য পূর্ব দিকে রয়েছে ৫টি প্রবেশ পথ। উত্তর ও দক্ষিন দেয়ালে দরজার পরিবর্তে ৩টি করে কুলিঙ্গ দেখতে পাওয়া যাবে। মসজিদটি পনের শতকে নির্মিত বলে ধারনা করা হয়। মসজিদ চত্বরেই রয়েছে মক্‌দুম্‌ সাহেবের সমাধি। মক্‌দুম্‌ শাহ দৌলা একজন বিখ্যাত পীর ছিলেন। প্রতি বছরের বাসন্তী অষ্টমী তিথিতে একটি বিরাট মেলার আয়োজন করা হয় এই মসজিদ প্রাঙ্গণে। ...... সম্পূর্ণ অংশ পড়ুন

ছয় আনি পাড়া দুই গম্বুজ মসজিদ
সিরাজগঞ্জ >>  শাহজাদপুর

সিরাজগঞ্জ জেলার শাহজাদপুর উপজেলার ছয় আনি পাড়ায় দুই গম্বুজ বিশিষ্ট একটি প্রাচীন মসজিদ রয়েছে। দুই গম্বুজ বিশিষ্ট এই মসজিদটি একটি ব্যতিক্রমী স্থাপত্য কৌশল। কারন বাংলায় সাধারণত দুই গম্বুজ বিশিষ্ট মসজিদ দেখা যায় নি। ধারনা করা হয়, পঞ্চদশ শতকে এই মসজিদটি নির্মিত হয়। ...... সম্পূর্ণ অংশ পড়ুন

গায়েবী মসজিদ
সিলেট >>  বালাগঞ্জ

গায়েবী মসজিদটি বালাগঞ্জ থানার ওসমানপুর ইউনিয়নের পাঁচপাড়া গ্রামে অবস্থিত। এটি একটি এক গম্বুজ বিশিষ্ট মসজিদ। মসজিদটি বর্গাকার। ১৬০০ খ্রিষ্টাব্দে এটি নির্মিত বলে অনুমান করা হয়। মসজিদটি সম্পূর্ণরূপে ইট দ্বারা নির্মিত। টিলা কেটে মসজিদটি মাটির নিচ থেকে আবিস্কার করা হয় বলে স্থানীয়রা এটিকে গায়েবী মসজিদ নামে অভিহিত করে থাকে। বালাগঞ্জ উপজেলা সদর থেকে এই মসজিদটি প্রায় ৮ কিঃমিঃ দূরে অবস্থিত। ...... সম্পূর্ণ অংশ পড়ুন

হযরত শাহজালাল (র.) এর মাজার
সিলেট >>  সিলেট সদর

হযরত শাহ জালাল (র) ছিলেন একজন আউলিয়া এবং ধর্ম প্রচারক। তিনি ছিলেন আরবের ইয়েমেনের অধিবাসী। ১৩০৩ খ্রিস্টাব্দে হযরত শাহজালাল (র.) ৩৬০ আউলিয়াকে নিয়ে সিলেটে আগমন করেন। ৩৬০ জন আউলিয়াকে নিয়ে এই আধ্যাত্মিক পুরুষের সিলেটে আগমনের কারনে সিলেটকে ৩৬০ আউলিয়ার দেশ বলা হয়ে থাকে। ১৩৪৬ সালে এই মহাপুরুষের মৃত্যু হয়। তার মাজার এই সিলেট জেলা শহরের গোয়াইপাড়ার দরগা মহল্লার একটি পাহাড়ী টিলায়। মাজার এলাকায় দেখতে পাবেন একটি পুকুর। এখানে একসময় গজার মাছ নামে বড় বড় মাছ ছিল। ২০০৩ সালের ৪ ডিসেম্বর কিছু দুষ্কৃতিকারী পুকুরে বিষ প্রয়োগ করলে সকল মাছ মারা যায়। পরবর্তীতে মৌলভীবাজার হতে কিছু গজার মাছ এখানে এনে ছেড়ে দিলে মাছের বংশবৃদ্ধি পেয়ে আবারও পুকুরটি গজার মাছে পূর্ণ হয়। মাছগুলো হযরত শাহজালাল (র.) এর সফরসঙ্গী মৌলভীবাজারের শাহ মোস্তফার (র.) মাজার থেকে সংগ্রহ করা হয়। মাজারের দক্ষিন দিকে তারকাখচিত একটি ছোট্ট ঘর দেখতে পাওয়া যাবে। এটি চিলস্নাখানা নামে পরিচিত। বলা হয়ে থাকে, এই ছোট্ট ঘরটিতে বসে হযরত শাহজালাল (র.) প্রায় ২৩ বছর আরাধনা করেছিলেন। মাজার কমপ্লেক্সের মধ্যে দর্শনার্থীদের জন্য হযরত শাহজালাল (র.) এর ব্যবহৃত তলোয়ার, খড়ম এবং কিছু তৈজসপত্র প্রদর্শনের ব্যবস্থা রয়েছে। মাজার চত্তরে একটি প্রাচীন মসজিদ দেখতে পাবেন। ১৪০০ খ্রিস্টাব্দে বাংলার সুলতান আবু মুজাফ্ফর ইউসুফ শাহের মন্ত্রী মজলিশে আতার এর আমলে নির্মিত। ১৭৪৪ খ্রিস্টাব্দে মসজিদটি পুনঃনির্মাণ করা হয়। মসজিদটি দরগা মসজিদ নামে পরিচিত।
হযরত শাহজালাল (র.) এর মাজার দর্শন করতে চাইলে সিলেট শহরের গোয়াইপাড়ার দরগা মহল্লার যেতে হবে। সিলেট শহর থেকে যে কোন যানবাহনে এখানে আসা যাবে। ...... সম্পূর্ণ অংশ পড়ুন

হযরত শাহ্‌ পরান (র.) এর মাজার
সিলেট >>  সিলেট সদর

সিলেটের খাদিমপাড়ায় রয়েছে হযরত শাহ্‌ পরান (র.) নামের একজন আউলিয়ার মাজার। সিলেটবাসীর তথা বাংলাদেশীদের কাছেও এটি একটি পবিত্র স্থান। হযরত শাহ্‌ পরান (র.) ছিলেন হযরত শাহজালাল (র.) এর সফরসঙ্গী। ১৩০৩ খ্রিস্টাব্দে হযরত শাহজালাল (র.) এর সঙ্গে তিনি এই সিলেট অঞ্চলে আসেন। তিনিও একজন ধর্ম প্রচারক ছিলেন। শাহ জালাল (রঃ) দরগাহ থেকে প্রায় ৮ কিমি দূরে একটি উঁচু টিলার উপর শাহ পরান (রঃ) এর মাজারটি অবস্থিত। একারনে অনেক পর্যটক সিলেট ঘুরতে আসলে এই দুটি মাজার দর্শন করে যান। ...... সম্পূর্ণ অংশ পড়ুন

পাগলা জামে মসজিদ
সুনামগঞ্জ >>  দক্ষিণ সুনামগঞ্জ

সুনামগঞ্জ জেলার দক্ষিন সুনামগঞ্জ উপজেলার পাগলা নামক স্থানে একটি সুদৃশ্য মসজিদ রয়েছে। স্থানীয়ভাবে এই মসজিদটির নাম পাগলা জামে মসজিদ। অপূর্ব কারুকার্য মণ্ডিত এই মসজিদটির নির্মাণ কৌশল পর্যটকদের খুবই আকৃষ্ট করে। মসজিদটিতে ৩টি গম্বুজ রয়েছে এবং ৬টি সুউচ্চ মিনার আছে। ১৯৩১ সালে ইয়াসিন মীর্জা নামের এক ব্যবসায়ী এই মসজিদটি নির্মাণ করছিলেন। মসজিদটি দৈর্ঘ্যে প্রায় ১৫০ মিটার এবং প্রস্থে প্রায় ৫০ মিটার, দেয়ালের পুরুত্ব প্রায় ১০ ফুট। জানা যায়, মসজিদটি নির্মাণে প্রায় ১০ বছর সময় লেগেছিল। স্থানীয়ভাবে এই মসজিদটি অনেকের নিকট রায়পুর বড় মসজিদ নামেও পরিচিত।
অনিন্দ্যসুন্দর এই স্থাপত্য শৈলী যদি দেখতে চাল দক্ষিন সুরমার পাগলা নামক স্থানে যেতে হবে। সুনামগঞ্জ শহর থেকে নিজস্ব যান কিংবা মাইক্রো, সিএনজিতে করেও ঘুরে আসতে পারবেন এখান থেকে। ...... সম্পূর্ণ অংশ পড়ুন

পুরান কালিকাপাড়া মসজিদ, পুরাতন বাগ মসজিদ ও বিবি দরগা মসজিদ
হবিগঞ্জ >>  বানিয়াচং

বানিয়াচঙের সাগরদিঘির পশ্চিম দিকে কিছু দূরেই পুরান কালিকাপাড়া নামক স্থানে পুরান কালিকাপাড়া মসজিদটি রয়েছে। পুরাতন বাগ মসজিদটি দেখতে পাবেন বানিয়াচঙ জামে ইসলামিয়া মাদ্রাসার নিকট পুরানবাগ নামক স্থানে। বিবি দারোগা মসজিদটি রয়েছে বানিয়াচঙ থানা পরিষদ হতে প্রায় ১ কিলোমিটার দূরে। মসজিদ ৩ টিতে মোঘল আমলের স্থাপত্য কৌশল দেখা যায়। ধারনা করা হয় এই মসজিদগুলো সপ্তদশ শতাব্দির শেষ সময় অষ্টাদশ শতাব্দির প্রথম দিকে নির্মিত। ...... সম্পূর্ণ অংশ পড়ুন

শংকর পাশা মসজিদ
হবিগঞ্জ >>  মাধবপুর

হবিগঞ্জ জেলার মাধবপুর উপজেলার রাজিউরা ইউনিয়নের শংকর পাশা গ্রামের উচাইল নামক স্থানে এই শংকর পাশা মসজিদটি রয়েছে। সুলতানি আমলের যে মসজিদগুলো আজও এদেশে টিকে আছে, সেগুলোর মধ্যে এই শংকর পাশা মসজিদটি বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। মসজিদটির মূল কক্ষ বর্গাকারে নির্মিত। পূর্বদিকে একটি বারান্দা রয়েছে। বারান্দায় ৩টি প্রবেশ দ্বার রয়েছে। মূল কক্ষে প্রবেশের জন্য মূল কক্ষের পূর্ব দেয়ালে রয়েছে আরও ৩টি প্রবেশ পথ। মুল কক্ষের দক্ষিন ও উত্তর দিকে ২টি করে প্রবেশদ্বার রয়েছে। দক্ষিন ও উত্তরের বারান্দায় রয়েছে আরও দুটি করে প্রবেশদ্বার। মসজিদের মূল কক্ষের উপর একটি গম্বুজ ছিল। অভ্যন্তরের পশ্চিম দেয়ালে রয়েছে ৩টি সুদৃশ্য নিহরাব। মসজিদের দেয়াল ও মিহরাবগুলো অতি সুন্দর পোড়ামাটির কারুকার্যমণ্ডিত। ধর্মীয় এই ইমারতটির মূল কক্ষের চার কোণে ৪ টি এবং বারান্দায় দুই কোণে দুটি মিনার রয়েছে। ...... সম্পূর্ণ অংশ পড়ুন

হযরত শাহ জামাল (র) এর মাজার
জামালপুর >>  জামালপুর সদর

যে সুফি-সাধকের নামানুসারে জামালপুর জেলার নামকরণ করা হয়েছে, তিনি হলেন হযরত শাহ জামাল (র) । জামালপুর সদরের পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের কাছেই রয়েছে এই সুফি সাধকের মাজারটি। জানা যায়, সম্রাট আকবরের শাসনামলে ১৫৮৬ সালে হযরত শাহ জামাল (র) ধর্ম প্রচারের জন্য এই অঞ্চলে আসেন। এবং মাজার এলাকায় তার আস্তানা নির্মাণ করেন। জানা যায়, হযরত শাহ জামাল (র) ছিলেন আধ্যাত্মিক ক্ষমতার অধিকারী। তার মৃত্যুর পর এখানেই তাকে সমাহিত করা হয়। এটি বর্তমানে আধুনিক শৈলীতে নির্মিত। শাহ্‌ জামাল ইয়েমেন থেকে এখানে এসেছিলেন। মাজারটির পাশেই রয়েছে একটি পুরাতন মসজিদ। ...... সম্পূর্ণ অংশ পড়ুন

First  Previous  1  2  3  4  5  6  7  8  9  10  11  12  13  14  15  16  17  18  19  20  Next  Last  



পর্যটন বাংলাদেশ - বাংলাদেশ ভ্রমণ - বাংলাদেশের দর্শনীয় স্থান