পর্যটন বাংলাদেশ - বাংলাদেশ ভ্রমণ - বাংলাদেশের দর্শনীয় স্থান


জেলাঃ ময়মনসিংহ

কাজী নজরুল ইসলামের স্মৃতিময় দরিরামপুর
ময়মনসিংহ >>  ত্রিশাল

বাংলাদেশের জাতীয় কবি বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের শৈশব কাটে এখানে। দরিরামপুর উচ্চ বিদ্যালয়ে অধ্যায়ন করেছেন তিনি। বর্তমানে এটি ...... সম্পূর্ণ অংশ পড়ুন

সন্তোষপুর রাবার বাগান
ময়মনসিংহ >>  ফুলবাড়ীয়া

বিশাল এলাকা জুড়ে প্রাকৃতিক সৌন্দর্য মণ্ডিত পরিবেশে যদি সময় কাটাতে চান, তবে বেছে নিতে পারেন সন্তোষপুরের এই রাবার বাগানটি। প্রায় ১০৬ একর ভুমিতে বাংলাদেশ বন বিভাগের এই রাবার বাগানটিতে সারি সারি অনেক রাবার গাছটি আপনাকে নিয়ে যাবে প্রাকৃতির এক মহামায়ায়। এখানে ঘুরতে আসা পর্যটকরা এই বাগানের ভিতরে দেখতে পাবেন বিরল প্রজাতির কিছু বানর। সন্তোষপুরের এই রাবার বাগানে বেড়াতে আসতে হলে আপনাকে ময়মনসিংহ জেলার ফুলবাড়িয়া উপজেলার নাওগা ইউনিয়নের সন্তোষপুরে আসতে হবে। ...... সম্পূর্ণ অংশ পড়ুন

অর্কিড বাগান
ময়মনসিংহ >>  ফুলবাড়ীয়া

যারা শখের বশে বাসায় অর্কিড উদ্ভিদ লাগান, তাদের জন্য একটি স্বর্গরাজ্য হতে পারে এই অর্কিড বাগানটি। ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়া উপজেলার এনায়েতপুর ইউনিয়নে রয়েছে অর্কিড এর এক বিশাল বাগান। নানা জাতের, নানা রঙয়ের অর্কিড উদ্ভিদ দেখতে পাবেন এখানে। প্রায় ২০ একর জমিতে ২০০ এর অধিক অর্কিড রয়েছে এই বাগানটিতে। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে এখানে অনেক অর্কিড প্রেমীরা আসেন অর্কিড এর চারা সংগ্রহ করতে। ফুলবাড়িয়া উপজেলার প্রায় ১২ কিলোমিটার দূরে রয়েছে এই বাগানটি। ...... সম্পূর্ণ অংশ পড়ুন

আলাদীনস পার্ক
ময়মনসিংহ >>  ফুলবাড়ীয়া

আলাদিনস পার্ক মূলত একটি বেসরকারি বিনোদন কেন্দ্র। পিকনিক করার জন্যও এটি একটি আদর্শ স্থান। ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়া উপজেলার এনায়েতপুর ইউনিয়ন নামক স্থানে এই বিনোদন কেন্দ্রটি রয়েছে। প্রায় ২৫ একর ভূমি জুড়ে গড়ে তোলা হয়েছে এই বিনোদন কেন্দ্রটি। এখানে বিনোদনের জন্য বিভিন্ন রাইডারের পাশাপাশি রয়েছে রয়েছে একটি সুইমিং পুল। রয়েছে একটি মিনি চিড়িয়াখানা। এখানে ঘুরতে আসতে হলে ফুলবাড়িয়া হতে সিএনজিতে করে আসতে পারবেন। ফুলবাড়িয়া উপজেলা হতে এই পার্কটির দূরত্ব প্রায় ২৫ কিলোমিটার। তবে ময়মনসিংহ হতেও সরাসরি গাড়ী ভাড়া করেও আসতে পারেন। ...... সম্পূর্ণ অংশ পড়ুন

তেপান্তর পিকনিক স্পট
ময়মনসিংহ >>  ভালুকা

ময়মনসিংহ জেলার ভালুকা উপজেলার জামিরদিয়া মাষ্টারবাড়ীতে রয়েছে এই স্পটটি। অনেকেই আসেন এখানে পিকনিক করতে। বিনোদন মুলক এই স্পটটিতে দেখতে পাবেন নানা ধরনের ভাস্কর্য। স্পটটিতে আরও দেখতে দেখতে পাবেন বাহারি রঙয়ের ফুলের বাগান। এটি একটি শুটিং স্পটও। চলচ্চিত্র, নাটক এর শুটিং হয়ে থাকে এখানে। ...... সম্পূর্ণ অংশ পড়ুন

মহারাজ সূর্যকান্তের বাড়ি
ময়মনসিংহ >>  মুক্তাগাছা

মহারাজ সূর্যকান্ত ছিলেন তার পূর্ববর্তী জমিদারের দত্তকপুত্র। মহারাজ সূর্যকান্তের বাড়িটি বর্তমানে মুক্তাগাছার শহীদস্মৃতি সরকারি কলেজ হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। বর্তমানে সূর্যকান্তের বাড়িটি পূর্বের মত না থাকলেও এই সরকারি কলেজের গেটটি রয়েছে অক্ষুন্ন। কারুকার্যমণ্ডিত এই গেটটি আজও পর্যটকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে। অষ্টাদশ শতকে এই গেটটি নির্মিত হয়। মহারাজ সূর্যকান্তের এই ভবনটি দেখেত হলে আপনাকে ময়মনসিংহের মুক্তাগাছা উপজেলায় যেতে হবে। ঢাকা থেকে সরাসরি এখানে আসার বাস রয়েছে। অথবা ময়মনসিংহ শহরের টাউনহল নামক স্থান থেকেও মুক্তাগাছা আসার সিএনজি পাওয়া যায়। ...... সম্পূর্ণ অংশ পড়ুন

মুক্তাগাছা জমিদারবাড়ি
ময়মনসিংহ >>  মুক্তাগাছা

মুক্তাগাছা পৌরসভা অফিস থেকে উত্তর-পশ্চিমে এই মুক্তাগাছা জমিদারবাড়িটি অবস্থিত। অষ্টাদশ শতকের শেষার্ধে মুক্তাগাছার জমিদার বংশের দ্বিতীয় পুরুষ রাম আচার্য এই রাজবাড়ীটি নির্মাণ করেন। এই জমিদার বাড়িটি স্থানীয়ভাবে মুক্তাগাছা জমিদারবাড়ি নামে পরিচিত হলেও এর পূর্ব নাম ছিল আট আনী জমিদার বাড়ি। ঐতিহাসিক এই জমিদার বাড়িটির নকশা পর্যটকদের আজও আকর্ষণ করে। জমিদারবাড়িটিতে এখনও বিশাল লোহার সিন্ধুক রয়েছে। এই লোহার সিন্ধুকে জমিদার তার ধন-সম্পদ, অলংকার রাখতেন। দেখতে পাবেন একটি নাচঘর। আজও এই নাচঘরের নকশা সেসময়ের জমিদারদের শৌখিনতার নিদর্শন বহন করছে। রয়েছে কারুকার্য মণ্ডিত একটি টিনের দোতলা ভবন। এই জমিদার বাড়ীর পাশেই ছিল একটি হাতীশালা এবং ঘোড়াশালা। তবে এগুলোর অস্তিত্ব এখন আর নেই। এই বিখ্যাত জমিদারবাড়িটি দেখেত হলে আপনাকে ময়মনসিংহের মুক্তাগাছা উপজেলায় যেতে হবে। ঢাকা থেকে সরাসরি এখানে আসার বাস রয়েছে। অথবা ময়মনসিংহ শহরের টাউনহল নামক স্থান থেকেও মুক্তাগাছা আসার সিএনজি পাওয়া যায়। ...... সম্পূর্ণ অংশ পড়ুন

তিন শিব মন্দির
ময়মনসিংহ >>  মুক্তাগাছা

মুক্তাগাছার জমিদার বাড়ির সামনে দেখতে পাওয়া যাবে আয়তাকার ভিত্তির উপর নির্মিত বিশালাকৃতির ৩টি গম্বুজ বিশিষ্ট একটি মন্দির। মন্দিরটিতে ৩ টি কক্ষ আছে। মুক্তাগাছার প্রথম জমিদার শ্রীকৃষ্ণ আচার্য চৌধুরীর প্রথম পুত্র রাম রাম এর পুত্র কৃষ্ণচন্দ্র এটি নির্মাণ করেন। অষ্টাদশ শতাব্দীতে এটি নির্মিত বলে ধারনা করা হয়। মন্দিরটির উচ্চতা প্রায় ৩৭ ফুট। প্রতি বছর ফাল্গুন মাসে শিবচতুর্দর্শী তিথিতে এখানে বিশেষ পুজা ও মেলার আয়োজন করা হয়। মন্দিরটির নির্মাণ কৌশল পর্যটকদের মুগ্ধ করে। ...... সম্পূর্ণ অংশ পড়ুন

জোড় মন্দির
ময়মনসিংহ >>  মুক্তাগাছা

ময়মনসিংহ জেলার মুক্তাগাছা উপজেলা সদরের কালীবাড়ি পুকুর সংলগ্ন একটি স্থানে ৬ ফুট উঁচু একটি একই বেদীর উপর দুটি মন্দির রয়েছে। মন্দির দুটি জোড় মন্দির নামে পরিচিত। স্থানীয়ভাবে অনেকেই এই জোড় মন্দিরটি কালী মন্দির বা জোড়া মন্দির নামেও চেনে। মুক্তাগাছার প্রথম জমিদার শ্রীকৃষ্ণ আচার্য চৌধুরীর বংশের গৌরিকান্তের স্ত্রী বিমলা দেবী ১৮২০ খ্রিষ্টাব্দে এটি নির্মাণ করেন। মন্দির সংলগ্ন কালীবাড়ি পুকুরটিও তিনি খনন করেন স্থানীয় জনগনের পানীয় জলের কষ্ট নিবারণের জন্য। মন্দিরটির উচ্চতা প্রায় ৩০ ফুট। একসময় মন্দিরের অভ্যন্তরে কষ্টিপাথরের একটি কালীমূর্তি ছিল। ...... সম্পূর্ণ অংশ পড়ুন

রাজ-রাজেশ্বরী ওয়াটার ওয়ার্কস
ময়মনসিংহ >>  ময়মনসিংহ সদর

ময়মনসিংহ শহরের সবচেয়ে প্রাচীন এই পানির রিজার্ভারটির সাথে জড়িয়ে আছে এখানকার প্রাচীন মহারাজাদের ইতিহাস। প্রাজাদের কল্যানের জন্য এখানকার মহারাজা সূর্যকান্ত আচার্য চৌধুরী ১৮৯০ সালে ময়মনসিংহ শহরে প্রথম যান্ত্রিক উপায়ে ভূগর্ভস্থ পানি উত্তোলনের ব্যবস্থা করেছিলেন। জানা যায়, মহারাজা সূর্যকান্তের স্ত্রী রাজ রাজেশ্বরী একবার এক দুরারোগ্য ব্যাধিতে আক্রান্ত হলে, চিকিৎসকের পরামর্শে পানীয় জল খাওয়া থেকে বিরত থেকে সেই অবস্থায় মৃত্যু বরন করেন। মহারাজার প্রিয় স্ত্রীর মৃত্যুর পর স্ত্রীর স্মৃতিকে অমর করে রাখার জন্য ময়মনসিংহ শহরে এই পানীয় জলাধারের ব্যবস্থা করে। জলাধারটির নির্মাণ কাজে সেসময় ব্যয় হয়েছিল ১,৪২,২৭৮ টাকা। এই জলাধারের পানিকে বিশুদ্ধ করে তা সরবরাহ করা হত। ময়মনসিংহের এই ঐতিহ্যবাহী পানির ট্যাংকটি আজও প্রজাহৈতশী মহারাজার সাক্ষ্য বহন করে চলছে। প্রাচীন এই ট্যাংকটি ময়মনসিংহ শহরের সোনালী ব্যাংক লিঃ, প্রধান কার্যালয়ের এর পাশেই দেখতে পাবেন। ...... সম্পূর্ণ অংশ পড়ুন

গৌরীপুর লজ
ময়মনসিংহ >>  ময়মনসিংহ সদর

ময়মনসিংহ শহরে অবস্থিত সোনালী ব্যাংক এর প্রধান শাখার কার্যালয়ের পাশেই টিন ও কাঠের তৈরি একটি দ্বিতল সুদৃশ্য ভবন দেখা যায়। এটি গৌরীপুর লজ নামে পরিচিত। চীন থেকে কারিগর এনে এই টিন ও কাঠের দ্বিতল ভবনটি নির্মাণ করা হয়েছিল। গৌরীপুরের জমিদারদের মধ্যে অন্যতম জমিদার ব্রজেন্দ্র কিশোরের অমরকীর্তি এই গৌরীপুর লজ। এই গৌরীপুর লজের পাশেই রয়েছে রাজরাজেশ্বরী ওয়াটার ওয়ার্কস। এই সুদৃশ্য ভবটির পাশ দিয়ে বয়ে চলছে ঐতিহ্যবাহী ব্রহ্মপুত্র নদ। ...... সম্পূর্ণ অংশ পড়ুন

শশী লজ
ময়মনসিংহ >>  ময়মনসিংহ সদর

এটি মহারাজ শশীকান্তের রাজবাড়ী। মুক্তাগাছার জমিদার সূর্যকান্ত আচার্য তারই দত্তকপুত্র শশীকান্তের নামানুসারে ময়মনসিংহ শহরে বিলাসবহুল সুরম্য এই প্রাসাদটি নির্মাণ করেছিলেন। এটি উনবিংশ শতাব্দিতে নির্মিত। বাংলাদেশের স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে বহু বছর এই ভবনটি ময়মনসিংহস্থ মহিলা প্রশিক্ষন কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহার করেছিল। ২০১৬ সালে এই ঐতিহাসিক ভবনটি প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের অধীনে নেয়া হয়েছে। এই শশী লজ এর বিশেষ আকর্ষণ ছিল দোতলায় উঠার সিঁড়িটি। সিঁড়ি দিয়ে দোতলায় উঠার সময় এটি থেকে সুমধুর বাজনা বাজত। তবে এটি এখন আর নেই। মহারাজা শশীকান্ত প্যারিস থেকে এই প্রযুক্তি এবং কারিগর এনেছিলেন এই বিশেষ সিঁড়িটি নির্মাণের জন্য। মহামাজা শশীকান্তের এই রাজবাড়িতে প্রচুর প্রাচীন বৃক্ষের সমারোহ দেখতে পাবেন। রাজবাড়ীর চত্বরে মার্বেল পাথরের নির্মিত গ্রীক সৌন্দর্য্যের দেবী ভেনাসের ভাস্কর্যটি দেখতে পাওয়া যাবে। প্রায় ৯ একর জমির উপর ছিল এই লজটি। এই লজের পিছনেই রয়েছে একটি শাণ বাঁধানো পুকুর ঘাট। ...... সম্পূর্ণ অংশ পড়ুন

আলেকজান্দ্রা ক্যাসেল
ময়মনসিংহ >>  ময়মনসিংহ সদর

ময়মনসিংহ শহরের প্রাণকেন্দ্রে পুরুষ শিক্ষক প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে এই ভবনটি রয়েছে। ভবনটি ময়মনসিংহের বিখ্যাত রাজা মহারাজা সূর্যকান্ত আচার্য চৌধুরীর বাগান বাড়ী হিসেবে ব্যবহৃত হত। ১৮৭৯ খ্রিস্টাব্দে ৪৫ হাজার টাকায় এই ভবনটি নির্মিত হয়েছিল। মহারাজা সূর্যকান্ত আচার্য চৌধুরী তৎকালীন ভারত সম্রাট সপ্তম এডওয়ার্ড-পত্নী সম্রাঞ্জী আলেকজান্দ্রার নামে এই দ্বিতল ভবনটি নির্মাণ করেছিলেন। বলা হয়ে থাকে, এটি দেশের একমাত্র লোহার কুঠি। দেশ-বিদেশের বিখ্যাত মনিষীদের পদচারনা পড়েছিল এই কুঠিটিতে। ভবনটির সামনে লোহার তৈরি নারী মূর্তি পর্যটকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে। ...... সম্পূর্ণ অংশ পড়ুন

শিবমন্দির
ময়মনসিংহ >>  ময়মনসিংহ সদর

ময়মনসিংহ জেলার সদর উপজেলার কোতোয়ালি থানা সংলগ্ন এলাকায় একটি প্রাচীন শিব মন্দির দেখতে পাবেন। শিবমন্দিরটি আঠার শতকে নির্মিত। স্থানীয় ভাবে এই মন্দিরটি মাথাভাঙ্গা মঠ নামেও পরিচিত। ১৮৮৫ সালের এক ভূমিকম্পে এই মঠটির চূড়া ভেঙ্গে যায়। একারণে এটি মাথাভাঙ্গা মঠ নামে পরিচিতি লাভ করে। ...... সম্পূর্ণ অংশ পড়ুন

ময়মনসিংহ জাদুঘর
ময়মনসিংহ >>  ময়মনসিংহ সদর

ময়মনসিংহ শহরের ময়মনসিংহ পৌরসভার নিকট অবস্থিত এই ময়মনসিংহ যাদুঘরটি। এই জাদুঘরে ময়মনসিংহের জমিদারদের অনেক স্মৃতি জড়ানো বিভিন্ন সামগ্রী রয়েছে। গৌরীপুর জমিদার বাড়ীর জমিদারদের ব্যবহৃত আসবারপত্র, মুক্তাগাছা জমিদার বাড়ীর তৈজসপত্র, আসবারপত্র, মহাদেব মূর্তি, নৃত্যরত মহাশ্রীধর মূর্তি (image of Mahashridhar in dance pose), মুক্তাগাছা জমিদারের প্রিয় দুটি হাতী শম্ভু ও শঙ্খ এর মাথার কংকাল, প্লাস্টার অব প্যারিস মূর্তি, শ্বেত পাথরের মূর্তি ইত্যাদি। জাদুঘরটি জমিদার মদন বাবুর বাড়ী ছিল। ১৯৬৯ সালে এটিকে 'ময়মনসিংহ জাদুঘর' নামে প্রতিষ্ঠিত করা হয়। ...... সম্পূর্ণ অংশ পড়ুন

1  2  Next  Last  



পর্যটন বাংলাদেশ - বাংলাদেশ ভ্রমণ - বাংলাদেশের দর্শনীয় স্থান