পর্যটন বাংলাদেশ - বাংলাদেশ ভ্রমণ - বাংলাদেশের দর্শনীয় স্থান


জেলাঃ ঢাকা

আর্মানিটোলা মসজিদ
ঢাকা >>  আর্মানিটোলা

পুরাতন ঢাকার আর্মানিটোলার তারা মসজিদের নিকটে শরৎচন্দ্র চক্রবর্তী রোডে রয়েছে এই আর্মানিটোলা মসজিদটি। আনুমানিক ১৭১৬ (মতান্তরে ১৭৩৫) খ্রিষ্টাব্দে খানজানী নামক এক ব্যক্তির স্ত্রী এই মসজিদটি নির্মাণ করেন বলে জানা যায়। এটি মোঘল আমলের একটি মসজিদ। আদিতে মসজিদটির ছাদ চৌচালা ঘরের চালের মত ছাদ ছিল। সংস্কারের ফলে চৌচালা চালের পরিবর্তে ছাদটিতে এখন গম্বুজ দেখতে পাওয়া যাবে। ...... সম্পূর্ণ অংশ পড়ুন

আর্মানিটোলা গির্জা
ঢাকা >>  আর্মানিটোলা

পুরাতন ঢাকার আর্মানিটোলায় অবস্থিত এই চার্চ বা গির্জাটি। ১৭৮১ সালে এই গির্জাটি নির্মিত হয়। জনশ্রুতি আছে, আর্মানীয়রা এই গির্জাটি নির্মাণ করেন। ব্যবসা-বানিজ্যের জন্য এদেশে কালক্রমে অনেক জাতির আগমন ঘটেছিল। এদের মধ্যে আর্মানীয়রা ছিল অন্যতম। ...... সম্পূর্ণ অংশ পড়ুন

দারোগা আমির উদদীনের মসজিদ ও মাজার
ঢাকা >>  ইসলামপুর

বাদামতলী ঘাটের কাছেই একটি প্রাচীর দিয়ে ঘেরা এই মসজিদটি দেখতে পাবেন। এটি দারোগা আমির উদদীনের মসজিদ নামে পরিচিত। ৩ গম্বুজ বিশিষ্ট এই মসজিদটির ৪ কোনে ৪ টি মিনার রয়েছে। ব্রিটিশ আমলে নির্মিত এই মসজিদটির নির্মাতা ইষ্ট ইন্ডিয়া কোম্পানী আমলের দারোগা আমির উদদীন। তার নামানুসারেই এই মসজিদটির নামকরণ করা হয়েছে। মসজিদটির পাশেই রয়েছে দারোগা আমির উদদীনের মাজার। মাজারটি এক গম্বুজ বিশিষ্ট। উনিশ শতকের প্রথম দিকে এই মসজিদটি নির্মাণ করা হয়। আহসান মঞ্জিল জাদুঘর এঁর নিকটে দেখতে পাবেন এই মসজিদটি। ...... সম্পূর্ণ অংশ পড়ুন

ইসলাম খানের মসজিদ
ঢাকা >>  ইসলামপুর

ইসলামপুর রোডের নিকট বর্তমান সৈয়দ আওয়াল হোসেন লেনে অবস্থিত। এটি ১৬৩৫ - ১৬৩৯ খ্রিষ্টাব্দ সময়ের মধ্যে নির্মিত বলে অনুমান করা হয়। মসজিদটির আমূল সংস্কার করা হয়েছে। ...... সম্পূর্ণ অংশ পড়ুন

নভরায় লেনের মসজিদ
ঢাকা >>  ইসলামপুর

পুরাতন ঢাকার ইসলামপুরের নভরায় লেনে একটি প্রাচীন ছোট মসজিদ রয়েছে। মসজিদটি এক গম্বুজ বিশিষ্ট। পশ্চিম দেয়ালে ৩ টি মিহরাব আছে। প্রবেশের জন্য পূর্ব দেয়ালে আছে ৩ টি প্রবেশদ্বার। নির্মাণ কৌশল অনুযায়ী, মসজিদটি মোঘল আমলে নির্মিত। এটি সংস্কার করা হয়েছে। ...... সম্পূর্ণ অংশ পড়ুন

আহসান মঞ্জিল জাদুঘর
ঢাকা >>  ইসলামপুর

পুরাতন ঢাকার বুড়িগঙ্গা নদীর তীরে কুমারটুলি এলাকার ওয়াইজঘাট এর নিকটবর্তীতে আহসান মঞ্জিল নামের একটি রাজকীয় প্রাসাদ রয়েছে। আঠার কিংবা উনিশ শতক সময়ে হারিয়ে যেতে মন চাইলে ঘুরে আসতে পারেন এই স্থানটি । ১৯৮৫ সালে ঢাকার ব্রিটিশ আমলের নবাবদের এই প্রাসাদসম বাসভবনটিকে জাদুঘরে রূপান্তর করা হয়। আঠার শতকের জমিদার শেখ এনায়েত উল্লা এই প্রাসাদটি প্রমোদ ভবন এর জন্য নির্মাণ করেছিলেন। পরবর্তীতে হাত ঘুরে এসে ভবনটি নবাব আব্দুল গনির নিকট হস্তান্তর হয়। ১৮৭২ খ্রিষ্টাব্দে নবাব আব্দুল গনি প্রাসাদটি পুনঃনির্মাণ ও সংস্করণ করে প্রিয় পুত্র খাজা আহসানুল্লাহ'র নামে প্রাসাদটির নামকরণ করেন আহসান মঞ্জিল। উনিশ শতকের সময়কালে এই আহসান মঞ্জিল ছিল ঢাকার সবচেয়ে দৃষ্টিনন্দন একটি ভাবন। প্রাসাদটির বৈঠকখানা, দরবার গৃহ, তোষাখানা, গ্রন্থাগার, অতিথি কক্ষ, আবাসিক কক্ষ, ডাইনিং হল, বিলিয়ার্ড কক্ষ, নাচ ঘর, হিন্দুস্থানি কক্ষ, নহবতখানা ছিল। প্রাসাদটিতে ৩১ টি কক্ষ আছে। জাদুঘরের ২৩ টি গ্যালারীতে প্রদর্শন করা হয়েছে এখানে বসবাসরত রাজা-বাদশাহদের ব্যবহৃত আসবারপত্র ও সরঞ্জামাদি। এগুলোর মধ্যে নবাবদের ব্যবহৃত আলমারি, আয়না, মোমবাতি দানি, কাঁচ ও চীনামাটির তৈজসপত্র, কাচ ও কাঠের তৈরি ঝাড়বাতি, লৌহবর্ম, ঢাল-তলোয়ার, বিলিয়ার্ড বোর্ড, সিন্ধুক, পোশাক ইত্যাদি। জানতে পারবেন নবাব বাড়ীর আদ্যোপান্ত ইতিহাস। ...... সম্পূর্ণ অংশ পড়ুন

পাগলা সেতু
ঢাকা >>  কদমতলি (থানা)

ঢাকার বাহিরে ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ সড়কের পাশে পাগলা নামক একটি স্থানে একটি সেতুর ভগ্নাংশ দেখতে পাওয়া যাবে। বুড়িগঙ্গা নদীর তীরে এই সেতুটির অবস্থান। সেতুটি পাগলা সেতু নামে পরিচিত। ধারনা করা হয়, মীর জুমলার শাসনামনে সপ্তদশ শতাব্দিতে এই সেতুটি নির্মাণ করা হয়। সেতুটির যে অংশটুকু এখনও টিকে আছে তার শিল্পগুণ পর্যটকদের আজও মুগ্ধ করে। বাংলাদেশ প্রত্নতত্ত্ব বিভাগ সেতুটিকে সংরক্ষণ করছে। ...... সম্পূর্ণ অংশ পড়ুন

খাজা আম্বার মসজিদ
ঢাকা >>  কারওয়ান বাজার

শায়েস্তা খাঁর স্থাপত্য রীতিতে নির্মিত এই মসজিদটি ঢাকার কারওয়ান বাজার এলাকায় অবস্থিত। এটি ঢাকার মসজিদগুলোর মধ্যে অন্যতম পুরাতন মসজিদ। মসজিদটির নির্মাণ কৌশল ও অভ্যন্তরীণ সাজসজ্জা সকলকেই মুগ্ধ করে। খাজা আম্বার ১৬৬৭ - ১৬৭৮ খ্রিষ্টাব্দের মধ্যে এই মসজিদটি নির্মাণ করেন বলে জানা যায়। মসজিদের পাশেই রয়েছে খাজা আম্বারের সমাধি। ...... সম্পূর্ণ অংশ পড়ুন

মালিক আম্বরের মসজিদ, সমাধি ও সেতু
ঢাকা >>  কারওয়ান বাজার

রাজধানী ঢাকার কারওয়ান বাজারের নিকট সোনারগাঁও হোটেলের সামনে এই মালিক আম্বরের মসজিদটি রয়েছে। এটি একটি ৩ গম্বুজ বিশিষ্ট মসজিদ। ধারনা করা হয়, মোঘল আমলের ১৬৭৯ - ১৬৮০ খ্রিষ্টাব্দ সময়ে এটি নির্মিত হয়। মসজিদটি ভূমি পরিকল্পনায় আয়তাকার। একটি উঁচু প্লাটফর্মের উপর এই মসজিদটি নির্মিত। মসজিদের প্রাঙ্গনেই আছে মসজিদটির নির্মাতা মালিক আম্বারের সমাধি। মালিক আম্বার শায়েস্তা খানের একজন কর্মচারী ছিলেন। মালিক আম্বার এখানে একটি সেতুও নির্মাণ করছিলেন। ...... সম্পূর্ণ অংশ পড়ুন

বিজয় কেতন
ঢাকা >>  ক্যান্টনমেন্ট (থানা)

ঢাকা ক্যান্টনমেন্টের অভ্যন্তরে মুক্তিযুদ্ধ, মুক্তিযুদ্ধের পটভূমি এবং বীর যোদ্ধাদের স্মরণে নির্মিত একটি মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক জাদুঘর বিজয় কেতন। আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলায় আটক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সামরিক বন্দীশালাও এখানে দেখতে পাবেন। ...... সম্পূর্ণ অংশ পড়ুন

বাহাদুর শাহ্‌ পার্ক / ভিক্টোরিয়া পার্ক
ঢাকা >>  কোতোয়ালী (থানা)

পুরাতন ঢাকার জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন এলাকায় ঐতিহাসিক এই পার্কটি রয়েছে। এটির বর্তমান নাম বাহাদুর শাহ পার্ক। ১৯৬২ খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত পার্কটি ভিক্টোরিয়া পার্ক নামে পরিচিত ছিল। পার্কের অভ্যন্তরে একটি মিনার রয়েছে, এটি ১৯৬২ সালে পার্কটি সংস্কার করার সময় নির্মিত। মিনারটি ১৮৫৭ খ্রিষ্টাব্দে ব্রিটিশ সরকারের বিরুদ্ধে সংগঠিত সিপাহী বিদ্রোহের সময় যারা শহীদ হয়েছিলেন, তাদের স্মরণে নির্মিত। ভারতের প্রথম স্বাধীনতার আন্দোলনের ইতিহাসের এক নীরব সাক্ষী হয়ে আছে এই পার্কটি। ইংরেজরা ভারতীয় এই সিপাহী-জনতার স্বাধীনতার জন্য সংগ্রামকে সিপাহী বিদ্রোহ বলে আখ্যা দেয়। নতুন এনফিল্ড নামের একটি রাইফেলের কার্তুজের গ্রিজে গরু ও শুকরের মাংস-চর্বি মেশানো আছে এ ধরনের খবর ছড়িয়ে পড়লে মুসলমান ও হিন্দু সম্প্রদায় উত্তেজিত হয়ে পড়লে ১৮৫৭ সালের জানুয়ারি মাসে এ বিদ্রোহ শুরু হয়। এ সময় ভারতের সিপাহীরা বাহাদুর শাহকে ভারতের সম্রাট হিসেবে ঘোষণা দিয়ে ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করে। সিপাহী বিদ্রোহের সময় ভয়ঙ্কর রক্তক্ষয়ী সংগ্রামে পরাজিত সৈনিকদের এবং সাধারণ স্বদেশপ্রেমী অনেক সাধারণ নাগরিকদের এই পার্কেই ফাঁসিতে ঝুলিয়ে হত্যা করা হয়। হত্যার পর তাদের লাশও তাদের আত্মীয়-স্বজনদের কাছেও হস্তান্তর করেনি। মৃত লাশগুলো এখানেই পচে-গলে মাটির সাথে মিশে যায়। ...... সম্পূর্ণ অংশ পড়ুন

First  Previous  1  2  3  4  5  6  



পর্যটন বাংলাদেশ - বাংলাদেশ ভ্রমণ - বাংলাদেশের দর্শনীয় স্থান