পর্যটন বাংলাদেশ - বাংলাদেশ ভ্রমণ - বাংলাদেশের দর্শনীয় স্থান


জেলাঃ চট্রগ্রাম

কদম মোবারক মসজিদ
চট্রগ্রাম >>  চট্রগ্রাম নগরী

চট্টগ্রাম শহরের রহমতগঞ্জের কদম মোবারক পাহাড়ের উপর এই কদম মোবারক মসজিদটি রয়েছে। এটি একটি ৩ গম্বুজ বিশিষ্ট মসজিদ। প্রবেশের জন্য পূর্ব দেয়ালে ৩টি প্রবেশ পথ রয়েছে। উত্তর দক্ষিনে প্রবেশ পথের পরিবর্তে দুটি কক্ষ রয়েছে। কক্ষ দুটিতে প্রবেশের জন্য ১টি করে প্রবেশ দ্বার আছে। কক্ষ দুটির উপর ১টি করে গম্বুজ আছে। মসজিদটির ৪ কোণে ৪টি অষ্টকোনাকার মিনার আছে। মসজিদটির উত্তর ও দক্ষিন দিকের কক্ষ দুটির প্রতিটিতে দু'টুকরো করে পাথর রাখা আছে। উত্তর দিকের কামরায় সংরক্ষিত পাথর দুটিতে হযরত মুহাম্মদ (সঃ) এর পায়ের ছাপ রাখা আছে বলে বলা হয়। এবং দক্ষিন দিকের কামরায় সংরক্ষিত পাথর দুটিতে বড় পীর হযরত আবদুল কাদির জিলানীর পায়ের ছাপ রয়েছে বলে বলা হয়। ১৭১৯ সালে (মতান্তরে ১৭২৩ সালে) চট্টগ্রামের ফৌজদার মোহাম্মদ ইয়াসিন খাঁ মসজিদটি নির্মাণ করেন। পরবর্তীতে এই মসজিদটি কয়েকবার সংস্কার করা হয়েছে। ...... সম্পূর্ণ অংশ পড়ুন

ফিনলে স্কয়ার
চট্রগ্রাম >>  চট্রগ্রাম নগরী

ফিনলে স্কয়ার একটি বহুতল বিশিষ্ট ভবন। চট্টগ্রাম নগরীর বিপ্লব উদ্যানের নিকট এই বহুতল ভবনটি দেখতে পাবেন। এটি একটি ব্যতিক্রমধর্মী স্থাপনা। এই বহুতল ভবনের দেয়ালে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে চট্টগ্রাম অঞ্চলের হাজার বছরের ইতিহাস-ঐতিহ্য। এই ভবনটিতে রয়েছে একটি শপিং কমপ্লেক্স। স্কয়ারটির স্থপতি এনামুল করিম নির্ঝর। ২০১৬ সালের ২ জুন এই বহুতল ভবনটির উদ্বোধন করা হয়। ভবনটি দেশের প্রথম বর্ণনাধর্মী স্থাপনা হিসেবে পরিচিতি পায়। ...... সম্পূর্ণ অংশ পড়ুন

শহীদ জিয়া স্মৃতি কমপ্লেক্স
চট্রগ্রাম >>  চট্রগ্রাম নগরী

বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময়কালীন কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলোর মধ্যে একটি চট্রগ্রামের কালুরঘাট বেতার ট্রান্সমিশন কেন্দ্র। এখান থেকেই ১৯৭১ সালের ২৭ মার্চ তৎকালীন মেজর জিয়াউর রহমান বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণাপত্রটি পাঠ করেছিলেন। বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ এই স্থানটিকে স্মরণীয় করে রাখার জন্য এবং নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরার জন্য এই কালুরঘাট বেতার কেন্দ্রকে ঘিরে নির্মাণ করা হয়েছে শহীদ জিয়া স্মৃতি কমপ্লেক্স। ২০০৬ সালের ২৯ আগস্ট তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া এই কমপ্লেক্সটি উদ্ভোধন করেন। এখানে রয়েছে একটি অবজারভেশন টাওয়ার। এই টাওয়ার থেকে এক নজরে দেখতে পাবেন পুরো কমপ্লেক্সটি। শুধু কমপ্লেক্স নয়, এই টাওয়ার থেকে চট্রগ্রাম শহরও দেখতে পাওয়া যাবে। রয়েছে আকর্ষণীয় স্বাধীনতা টাওয়ার নামের একটি আকর্ষণীয় রেস্টুরেন্ট। ৭১ সালের (১৯৭১) মহান মুক্তিযুদ্ধের স্মরনে এই টাওয়ারটিকে ৭১ মিটার উঁচুতে নির্মাণ করা হয়েছে। ৫২ এর (১৯৫২ সাল) ভাষা আন্দোলনের স্মরণে টাওয়ারটি ৫২ মিটার ব্যাসে নির্মিত। এই কমপ্লেক্সে আরও দেখতে পাবেন বাংলাদেশের বেশ কয়েকটি ঐতিহাসিক স্থাপনার প্রতিকৃতি। এগুলোর মধ্যে রয়েছে বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ ভবন, পাহাড়পুর বৌদ্ধবিহার, কার্জন হল, বড় কুঠি, ছোট কুঠি, আহসান মঞ্জিল, ছোট সোনা মসজিদ, সুপ্রিম কোর্ট, লালবাগ দুর্গ, শহীদ মিনার, জাতীয় স্মৃতিসৌধ ইত্যাদি। এই স্মৃতি কমপ্লেক্সটি প্রায় ২৬ একর এলাকা জুড়ে নির্মিত। ...... সম্পূর্ণ অংশ পড়ুন

জিয়া স্মৃতি জাদুঘর
চট্রগ্রাম >>  চট্রগ্রাম নগরী

চট্টগ্রাম নগরীতে দেখতে পাবেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের স্মৃতি বিজড়িত ...... সম্পূর্ণ অংশ পড়ুন

চট্টগ্রাম চিড়িয়াখানা
চট্রগ্রাম >>  চট্রগ্রাম নগরী

চট্টগ্রাম চিড়িয়াখানাটি ফ'য়েজ লেকের নিকট দেখতে পাবেন। ১৯৮৯ সালে এই চিড়িয়াখানাটি নির্মাণ করা হয়। ...... সম্পূর্ণ অংশ পড়ুন

জাতিতাত্ত্বিক জাদুঘর
চট্রগ্রাম >>  চট্রগ্রাম নগরী

চট্টগ্রাম জেলা শহরের বাণিজ্যিক এলাকা আগ্রাবাদে দেখতে পাবেন দক্ষিণ এশিয়ার একমাত্র জাতিতাত্ত্বিক জাদুঘর। এশিয়া মহাদেশের মধ্যে এধরনের দুটি জাদুঘরের একটি বাংলাদেশ এবং অপরটি জাপানের টোকিওতে রয়েছে। তবে এই জাদুঘরটি প্রতিষ্ঠার কাজ শুরু হয় ষাটের দশকের শেষের দিকে তৎকালীন পাকিস্তান সরকারের আমলে এক প্রকল্পের মাধ্যমে। এই প্রকল্পটির কাজ শেষ হয় বাংলাদেশ নামক এই দেশটির স্বাধীনতার পর। এই জাদুঘরটিতে প্রবেশের সময় আপনাকে স্বাগত জানাবে দুইজন আদিবাসী নারী-পুরুষের প্রতিকৃতি। জাদুঘরের বিভিন্ন গ্যালারীতে কক্সবাজার, পটুয়াখালি, রাঙ্গামাটি, বান্দারবান, খাগড়াছড়িসহ বাংলাদেশের বিভিন্ন প্রান্তরে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা বসবাসকারী আদিবাসী চাকমা, মারমা, মুরং, পাংখো, ব্যোম, খ্যাং, খুমি, গারো, হাজং, কোচ, খসিয়া, কুকী, মনিপুরি, সাঁওতাল, ওঁরাও, রাজবংশি প্রভৃতি উপজেলার উপজাতি ছাড়াও ভারত, পাকিস্তান, আফগানিস্তানসহ বেশ কয়েকটি দেশের বিভিন্ন উপজাতির জীবনাচার, পোশাক-পরিচ্ছদ, আসবারপত্র, অস্ত্র সামগ্রী, অলংকার ইত্যাদি তুলে ধরা হয়েছে। এছাড়াও এখানে স্থির ছবি, প্রতিকৃতি, কৃত্রিম পরিবেশ, দেয়ালচিত্রের মাধ্যমেও উপজাতিয় সকল কৃষ্টি তুলে ধরা হয়েছে। ১৯৭৪ সালের ৯ জানুয়ারি তৎকালীন সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী অধ্যাপক ইউসুফ আলী এই ভিন্নধর্মী জাদুঘরটির উদ্ভোধন করেন। ...... সম্পূর্ণ অংশ পড়ুন

পারকী সমুদ্র সৈকত
চট্রগ্রাম >>  আনোয়ারা

পারকী সমুদ্র সৈকত চট্টগ্রাম শহর থেকে প্রায় ২৫ কিলোমিটার দূরে অনোয়ারা উপজেলায় অবস্থিত। কর্ণফুলী নদীর মোহনায় এই সৈকতটি রয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের কাছে এই সৈকতটি পারকীর চর নামেই পরিচিত। এটিকে মিনি সমুদ্র সৈকত বললেও ভুল হবে না। এই সৈকতে রয়েছে বিস্তীর্ণ এক ঝাউবন। ১৯৯৩-১৯৯৪ সালে বন বিভাগ এই অঞ্চলের উপকূলীয় এলাকাকে সামুদ্রিক ঝড়ের কবল থেকে রক্ষার জন্য প্রায় ৮০ একর বিস্তীর্ণ একালায় ঝাউবনের একটি প্রকল্প হাতে নেয়। পরবর্তীতে ধীরে ধীরে এটি পরিনত হয় এক আকর্ষণীয় ভ্রমণ স্পটে। পর্যটকদের আনাগোনা বাড়তে থাকলে এখানে ধীরে ধীরে গড়ে উঠে বেশ কয়েকটি আবাসিক হোটেল, খাবারের হোটেল, ফাস্ট ফুডের দোকান। চাইলে কিনতে পাবেন ঝিনুক-শামুকের তৈরি নানা ধরনের সাজসজ্জার উপকরন, পরিধেয় বস্ত্র সামগ্রী। এই সমুদ্র সৈকতের যাত্রা পথে পাহাড়, সবুজ বন আপনাকে মুগ্ধ করবে। ...... সম্পূর্ণ অংশ পড়ুন

First  Previous  1  2  3  



পর্যটন বাংলাদেশ - বাংলাদেশ ভ্রমণ - বাংলাদেশের দর্শনীয় স্থান