পর্যটন বাংলাদেশ - বাংলাদেশ ভ্রমণ - বাংলাদেশের দর্শনীয় স্থান


সুলতান গিয়াসউদ্দিন আজম শাহের মাজার
নারায়নগঞ্জ >>  সোনারগাঁ

নারায়ণগঞ্জ জেলার সোনারগাঁও উপজেলার মোগড়াপাড়া গ্রামে রয়েছে সুলতান গিয়াসউদ্দিন আজম শাহের মাজার। তিনি ইলিয়াস শাহী বংশের একজন বিখ্যাত সুলতান ছিলেন। গিয়াসউদ্দিন আজম শাহ ১৩৮৯ সালে গৌড়ের সুলতান ছিলেন। এবং মৃত্যুর পূর্ব পর্যন্ত শাসন করেছিলেন। তার এই সমাধিটি কালো পাথরের তৈরি। মাজারটির আদিরূপ এখন আর নেই। আদিতে এটি একটি সুন্দর একটি সমাধি সৌধ ছিল। অনুমান করা হয়, ১৪১০-১১ সালে এই সমাধি সৌধটি নির্মাণ করা হয়। অনেকেই এই সমাধি সৌধটিকে সুলতান গিয়াসউদ্দিন আজম শাহের না বলে কালা পীর নামের এক পীরের মাজার বলে মনে করেন। তারা, এই সৌধটির পূর্ব পাশে ইটের তৈরি আপর একটি সমাধিকে সুলতান গিয়াসউদ্দিন আজম শাহের সমাধি বলে মনে করেন। ...... সম্পূর্ণ অংশ পড়ুন

গোয়ালদী মসজিদ
নারায়নগঞ্জ >>  সোনারগাঁ

নারায়ণগঞ্জ জেলার সোনারগাঁও উপজেলার গোয়ালদি নামের একটি গ্রামে গোয়ালদি মসজিদ নামের একটি প্রাচীন মসজিদ রয়েছে। সোনারগাঁও এর লোকশিল্প জাদুঘর থেকে প্রায় ১ কিলোমিটার দূরে এই মসজিদটির অবস্থান। এটি বর্গাকারে নির্মিত এক গম্বুজ বিশিষ্ট একটি মসজিদ। যার প্রতি বাহুর দৈর্ঘ্য প্রায় ২৬ ফুট। ধর্মীয় এই ইমারতির পূর্ব দেয়ালে ৩টি এবং উত্তর ও দক্ষিণ দেয়ালে ১টি করে প্রবেশপথ রয়েছে। পশ্চিম দেয়ালে আছে ৩টি মিহরাব। ইমারতির দেয়ালের প্রশস্ততা ৫ফুট। মসজিদটির ৪ কোণে ৪টি গোলাকার বুরুজ রয়েছে। মসজিদটি আলাউদ্দিন হোসেন শাহের রাজত্বকালের শেষ সময়ে ১৫১৯ সালে হিজাবর-উদ-দীন নামের এক ব্যক্তি নির্মাণ করেছিলেন। মসজিদটি এককালে সবচেয়ে বেশি টেরাকোটার অলঙ্করণে অলঙ্কৃত ছিল। তবে পরবর্তীতে সংস্কার করা হলেও এখনও কিছু পোড়ামাটির অলঙ্করণ দেখতে পাওয়া যাবে। ...... সম্পূর্ণ অংশ পড়ুন

আবদুল হামিদ মসজিদ
নারায়নগঞ্জ >>  সোনারগাঁ

নারায়ণগঞ্জ জেলার সোনারগাঁও উপজেলার গোয়ালদি নামের গ্রামে গোয়ালদি মসজিদের উত্তরে কিছু দুরেই রয়েছে এই আবদুল হামিদ মসজিদটি। মসজিদের এক শিলালিপি অনুযায়ী, সম্রাট আওরঙ্গজেবের আমলে শাহ্‌ আবদুল হামিদ নামের এক ব্যক্তি ১৭০৫ সালে এটি নির্মাণ করেন। মসজিদটি পুনঃনির্মাণ করা হলেও এর আদি বৈশিষ্ট্যের কিছু ছাপ এখনও বিদ্যমান। ...... সম্পূর্ণ অংশ পড়ুন

পাইকর মসজিদ
নওগাঁ >>  নিয়ামতপুর

নওগাঁ জেলার নিয়মতপুর উপজেলার ধর্মপুর গ্রামে দেখতে পাবেন প্রাচীন একটি দৃষ্টিনন্দন মসজিদ। এটি ৯ গম্বুজ বিশিষ্ট বর্গাকারে নির্মিত একটি মসজিদ। মসজিদের গম্বুজ গুলো ৩টি সারিতে বসানো। মসজিদের চার দেয়ালের ৪ কোনে আটকোনাকার একটি বুরুজ দেখতে পাওয়া যাবে। মসজিদের পশ্চিম দেয়ালে ৩টি মিহরাব রয়েছে। মিহরাবগুলোর নির্মাণ কৌশলও একই। পূর্ব দেয়ালে মিহরাবের বিপরীতে একটি করে প্রবেশ পথ রয়েছে। মসজিদটির অভ্যন্তরে ইট দ্বারা নির্মিত ৪টি থাম দেখতে পাওয়া যাবে। মসজিদ প্রাঙ্গনে কারবালার শোকগাঁথা ঘটনার একটি স্থাপনা রয়েছে। ইট দ্বারা নির্মিত একটি এক কক্ষ বিশিষ্ট দোচালা স্থাপনাও দেখতে পাবেন এখানে। মসজিদের এক লিপিফলক থেকে জানা যায়, এটি ১৭০০ সালে নির্মিত হয়েছিল । ...... সম্পূর্ণ অংশ পড়ুন

কুসুম্বা মসজিদ / কালা পাহাড়
নওগাঁ >>  মান্দা

নওগাঁ জেলার মান্দা উপজেলার কুসুম্বা নামের একটি গ্রামে এই ঐতিহাসিক মসজিদটি অবস্থিত। ইমারতটির ভিতর ও বাহিরের দেয়ালে পাথরের আস্তরণ দেয়া। কালক্রমে এগুলোর রং কালো হয়ে গেছে। একারনে মসজিদটিও দেখতে কালো রঙের। স্থানীয়রা এই মসজিদটি কালা পাহাড় নামেও অভিহিত করে থাকে। মসজিদটি আয়তাকারে নির্মিত এবং ৬ গম্বুজবিশিষ্ট। ধর্মীয় এই ইমারতটি দৈর্ঘ্যে ৫৮ ফুট এবং প্রথে ৪২ ফুট লম্বা। ইমারতটির দেয়ালের প্রশস্ততা ৬ ফুট। মসজিদের অভ্যন্তরে পাথরে নির্মিত দুটি স্তম্ভ রয়েছে। পূর্ব দেয়ালে ৩টি এবং পশ্চিম দেয়ালে ২টি প্রবেশপথ রয়েছে মসজিদের অভ্যন্তরে প্রবেশের জন্য। পশ্চিম দেয়ালে রয়েছে ৩টি মিহরাব। এর চার কোণে চারটি আটকোনাকার বুরুজ রয়েছে। মসজিদটির দেয়াল ও মিহরাবে পাথরের উপর ফুল, লতাপাতা, ঝুলন্ত শিকল ইত্যাদির নকশা আছে। এক শিলালিপি অনুসারে, সুলতান গিয়াস উদ্দিন বাহাদুর শাহের রাজত্বকালে সোলেমান নামের এক ব্যক্তি ১৫৫৮ সালে মসজিদটি নির্মাণ করেন। মসজিদটির সামনেই রয়েছে একটি প্রাচীন বিশাল দিঘি। নওগাঁ থেকে এই স্থানটির দূরত্ব প্রায় ৩৮ কিলোমিটার। ...... সম্পূর্ণ অংশ পড়ুন

রোয়াইলবাড়ি প্রাচীন মসজিদ
নেত্রকোণা >>  কেন্দুয়া

নেত্রকোনার কেন্দুয়া উপজেলার রোয়াইলবাড়ি ইউনিয়নে রোয়াইলবাড়ি দুর্গ খননের সময় একটি প্রাচীন মসজিদের আবকাঠামো উম্মোচিত হয়েছে। এটি সুলতানি আমলে নির্মিত বলে ধারনা করা হয়। তবে মুঘল আমলে এটির সংস্কার হয়। মসজিদটি ছিল ১৫ গম্বুজ বিশিষ্ট একটি মসজিদ। পশ্চিম দেয়ালে ছিল ৫টি মিহরাব। মসজিদটির দেয়ালগুলো ছিল প্রায় ৭ ফুট প্রশস্ত। মসজিদটি চুন সুরকি দ্বারা নির্মিত। মসজিদের দেয়ালে ছিল নানা ধরনের নকশা। মসজিদটিতে প্রবেশের জন্য ১২টি প্রবেশদ্বার ছিল। ...... সম্পূর্ণ অংশ পড়ুন

বজরা শাহী মসজিদ
নোয়াখালী >>  বেগমগঞ্জ

নোয়াখালী জেলার বেগমগঞ্জ উপজেলার বজরা নামক একটি স্থানে মোঘল আমলের এক অনন্য নিদর্শন এই বজরা শাহী মসজিদটি দেখতে পাবেন। এটি একটি ৩ গম্বুজ বিশিষ্ট মসজিদ। মসজিদের পশ্চিম দেয়ালে ৩টি সুন্দর মিহরাব রয়েছে। মসজিদটিতে প্রবেশের জন্য পূর্ব দেয়ালে ৩টি প্রবেশ দ্বার রয়েছে। ছাড়াও উত্তর ও দক্ষিন দিকে ১টি করে প্রবেশপথ রয়েছে। ধর্মীয় এই ইমারতটির পূর্ব পাশে একটি বড় তোরণ দেখতে পাওয়া যাবে। দিল্লীর সম্রাট মোহাম্মদ শাহ্‌র রাজত্বকালে ১৭৪১ সালে জমিদার আমান উল্যাহ খান এই মসজিদটি নির্মাণ করেছিলেন। এটি তৎকালীন সময়ের দিল্লীর বিখ্যাত জামে মসজিদের অনুকরণে নির্মিত হয়েছিল। পরবর্তীতে এই ইমারতটি সংস্কার করা হলেও এই ইমারতটি আজও খুবই দৃষ্টিনন্দন। মসজিদের নির্মাণ কাজে চীনামাটির পাত্রের টুকরো দ্বারা অলঙ্করণ আজও মনোমুগ্ধকর। ...... সম্পূর্ণ অংশ পড়ুন

মাসুম খাঁর মসজিদ
পাবনা >>  চাটমোহর

পাবনা জেলার চাটমোহর উপজেলার তিলিপাড়ায় ইট দ্বারা নির্মিত ৩ গম্বুজ বিশিষ্ট একটি মসজিদ দেখতে পাবেন। এটি মাসুম খাঁর মসজিদ নামে পরিচিত। মসজিদটি বিভিন্ন নকশায় সমৃদ্ধ। ১৫৭০ সালে মাসুম (মাকুম) খাঁ কাবুল (Macum Khan Kabuli) নামের এক ব্যক্তি এটি মসজিদটি নির্মাণ করেন। তাঁরই নামানুসারে এই মসজিদটির নামকরণ করা হয়েছে মাসুম খাঁ মসজিদ। ...... সম্পূর্ণ অংশ পড়ুন

চাটমোহর জামে মসজিদ
পাবনা >>  চাটমোহর

পাবনা জেলার চাটমোহর উপজেলার চাটমোহর বাজার থেকে প্রায় ১ মাইল দূরে চাটমোহর জামে মসজিদটি দেখতে পাবেন। তবে, এটি বর্তমানে অনেকটাই ধ্বংসপ্রাপ্ত। পূর্বে এটি ৩ গম্বুজ বিশিষ্ট একটি বৃহৎ মসজিদ ছিল। মসজিদের সামনেই একটি কুয়া খনন করা হয়েছিল। মসজিদের শিলালিপি অনুসারে, ১৫৮১ - ৮২ সালে সুলতান উল-আলম আবুল ফতেহ্‌ মোহাম্মদ মাসুম খানের রাজত্বকালে খান মোহাম্মদ নামের এক ব্যক্তি এই মসজিদটি নির্মাণ করেছিলেন। ...... সম্পূর্ণ অংশ পড়ুন

মসজিদ বাড়িয়া শাহী মসজিদ
পটুয়াখালী >>  মির্জাগঞ্জ

পটুয়াখালী জেলার অতি প্রাচীন একটি মসজিদ এই মসজিদবাড়িয়া মসজিদটি। মির্জাগঞ্জ উপজেলার মসজিদবাড়ি গ্রামে এই মসজিদটি দেখতে পাবেন। এক গম্বুজ বিশিষ্ট এই মসজিদটির মূল কক্ষ বর্গাকারে নির্মিত। মসজিদটির দেয়ালের প্রশস্ততা প্রায় ৬ ফুট ৬ ইঞ্চি। অভ্যন্তরের পশ্চিম দেয়ালে দেখতে পাবেন ৫টি মিহরাব। পূর্ব দিকের দেয়ালে ৩টি প্রবেশ পথ পয়েছে। উত্তর ও দক্ষিন দিকেও ৩টি করে প্রবেশ পথ রয়েছে। মসজিদটিতে বারান্দা দেখতে পাওয়া যাবে। মসজিদের এক শিলালিপি অনুসারে, সুলতান রুকন-উদ-দীন বারবক শাহর রাজত্বকালে খান-ই-ময়াযযম উজিয়াল খান ১৪৬৫ সালে ধর্মীয় এই ইমারতটি নির্মাণ করেছিলেন। নির্মাণকালে, মসজিদটিতে পোড়ামাটির ফলকে অলঙ্কৃত ছিল। ...... সম্পূর্ণ অংশ পড়ুন

First  Previous  1  2  3  4  5  6  7  8  9  10  11  12  13  14  15  16  17  18  19  20  Next  Last  



পর্যটন বাংলাদেশ - বাংলাদেশ ভ্রমণ - বাংলাদেশের দর্শনীয় স্থান