পর্যটন বাংলাদেশ - বাংলাদেশ ভ্রমণ - বাংলাদেশের দর্শনীয় স্থান


ঘোড়াঘাট প্রাচীন দুর্গ ও মসজিদ
দিনাজপুর >>  ঘোড়াঘাট

দিনাজপুর জেলার ঘোড়াঘাটে অবস্থিত মাটি দিয়ে তৈরি একটি প্রাচীন ও বৃহৎ দুর্গ। পূর্বে এই দুর্গের চারপাশে পরিখা ছিল। দুর্গের অভ্যন্তরের সকল পুরাকীর্তি আজ প্রায় ধ্বংসের কাছাকাছি। এই দুর্গের ভেতর ৩ গম্বুজ বিশিষ্ট একটি মসজিদ ছিল। মসজিদটি মোঘল আমলে নির্মিত বলে মনে করা হয়। মসজিদের কাছে একটি বড় পাকা কুয়া নির্মাণ করা হয়েছিল। মসজিদটির অল্প দূরেই বেশ কয়েকটি ইমারত ছিল। ...... সম্পূর্ণ অংশ পড়ুন

সুরা মসজিদ / সুজা মসজিদ
দিনাজপুর >>  ঘোড়াঘাট

দিনাজপুর জেলার ঘোড়াঘাট উপজেলার চারগাছা গ্রামে প্রাচীন এই সুরা মসজিদ দেখতে পাবেন। মসজিদটি সুজা মসজিদ নামেও অনেকের কাছে পরিচিত। মসজিদটি মূলত এক গম্বুজ বিশিষ্ট। তবে, মসজিদের বারান্দায় আরও ৩টি ছোট আকৃতির গম্বুজ দেখতে পাওয়া যাবে। মসজিদের অভ্যন্তরে প্রবেশের জন্য পূর্ব দিকে ৩টি প্রবেশ দ্বার রয়েছে। পূর্ব দিকের বারান্দায়ও রয়েছে প্রবেশ দ্বার। মসজিদের উত্তর ও দক্ষিন দিকে বারাব্দা ও মুল ইমারতে ২ টি করে প্রবেশদ্বার রয়েছে। মসজিদের অভ্যন্তরে পশ্চিম দেয়ালে ৩টি মিহরাব রয়েছে। মসজিদের মূল কক্ষের ৪ কোণে ৪টি মিনার দেখতে পাওয়া যাবে। এছাড়াও বারান্দার ২ কোণে ২ টি মিনার রয়েছে। মসজিদের দেয়ালে ও মিহরাবে পোড়ামাটির চিত্রফলকে ফুল, লতাপাতার নকশা ছিল। সুলতান হোসেন শাহ এর আমলে ১৫০৪ সালের কাছাকাছি সময়ে এই দৃষ্টিনন্দন মসজিদটি নির্মিত হয় বলে অনুমান করা হয়। ...... সম্পূর্ণ অংশ পড়ুন

নয়াবাদ মসজিদ
দিনাজপুর >>  কাহারোল

দিনাজপুর জেলার কাহারোল উপজেলার নয়াবাদ নামক একটি স্থানে নয়াবাদ মসজিদ নামের প্রাচীন মসজিদটি দেখতে পাবেন। কান্তনগর মন্দির থেকে প্রায় দেড় কিলোমিটার দক্ষিণে এই মসজিদটির অবস্থান। এটি আয়তাকারে নির্মিত ৩ গম্বুজ বিশিষ্ট একটি মসজিদ। মসজিদে প্রবেশের জন্য পূর্ব দেয়ালে ৩টি এবং উত্তর-দক্ষিণ দিকে ১টি করে প্রবেশদ্বার রয়েছে। ধর্মীয় এই ইমারতটির ৪ কোণে ৪টি অষ্টকোণাকৃতির বুরুজ আছে। ইমারতটির অলংকরণ খুবই দৃষ্টিনন্দন। মসজিদটির বিভিন্ন ধরনের নকশা পর্যটকদের মুগ্ধ করবে। ১৭৯৩ সালে এই মসজিদটি নির্মিত হয় বলে জানা যায়। মনে করা হয়, দিনাজপুরের কান্তজিউ মন্দিরের জন্য পারস্য থেকে আনা স্থপতি এবং কারিগরেরা এই মসজিদটি নির্মাণ করেছিলেন। একারনে, মসজিদটিতে পারস্য শিল্পরীতির ছোঁয়া পাওয়া যায়। নয়াবাদ মসজিদটি দেখতে হলে দিনাজপুর সদর হতে প্রায় ১৯ কিলোমিটার উত্তরে কাহারোল উপজেলার নয়াবাদ নামক একটি স্থানে যেতে হবে। ...... সম্পূর্ণ অংশ পড়ুন

বিবি মরিয়মের মসজিদ ও সমাধি সৌধ
নারায়নগঞ্জ >>  নারায়নগঞ্জ সদর

বিবি মরিয়মের মসজিদ ও সমাধি সৌধটি নারায়ণগঞ্জ জেলার সদর উপজেলায় হাজিগঞ্জ নামক একটি স্থানে রয়েছে। মসজিদটি আয়তাকারে নির্মিত এবং ৩ গম্বুজ বিশিষ্ট। এই তিনটি গম্বুজের মধ্যে মাধ্যস্থানের গম্বুজটি অপেক্ষাকৃত বড়। ধর্মীয় এই ইমারতটি দৈর্ঘ্যে প্রায় ৫০ ফুট এবং প্রস্থে প্রায় ৪৫ ফুট। মসজিদের অভ্যন্তরে মিহরাবের সংখ্যা ৩টি। মিহরাবগুলোর নির্মাণ কৌশলও ব্যতিক্রম। মিহরাবগুলো চারকোনাকারে নির্মাণ করা হয়েছে। মসজিদটিতে প্রবেশের জন্য পূর্ব দিকে ৩টি এবং উত্তর ও দক্ষিণ দিকে ১ টি করে প্রবেশ দ্বার কয়েছে। মসজিদটির ৪ কোণে দেখতে পাবেন ৪টি মিনার। মসজিদটি পরবর্তীতে সংস্কার করা হয়েছে।
মসজিদটির পূর্বদিকে একটি সমাধি সৌধ দেখতে পাবেন। এটি বিবি মরিয়মের সমাধি সৌধ। বিবি মরিয়ম বাঙলার সুবাদার নবাব শায়েস্তা খানের আদরের কন্য ছিলেন। শায়েস্তা খান তার কন্যার নামানুসারে একটি মসজিদ নির্মাণ করেন, যা বিবি মরিয়ম মসজিদ নামে পরিচিত। বিবি মরিয়মের সমাধি সৌধটি একটি উঁচু প্লাটফর্মের উপর নির্মিত। এটি এক গম্বুজ বিশিষ্ট একটি ইমারত। সমাধি সৌধটি কালো পাথরের ভিত্তিভূমির উপর নির্মিত। বিবি মরিয়মের শবাধারটি সাদা মার্বেল পাথরের নির্মিত। সমাধি কক্ষে প্রবেশের জন্য পূর্ব, পশ্চিম ও দক্ষিন দিকে প্রবেশপথ রয়েছে। উল্লেখ্য যে, বিবি মরিয়মকে 'তুরান-দুখত্‌' বলা হয়। ...... সম্পূর্ণ অংশ পড়ুন

হাজিগঞ্জ ৪ গম্বুজ মসজিদ
নারায়নগঞ্জ >>  নারায়নগঞ্জ সদর

নারায়ণগঞ্জ জেলার সদর উপজেলার হাজিগঞ্জ এলাকায় ৪ গম্বুজ বিশিষ্ট একটি মসজিদ দেখতে পাওয়া যাবে। তবে, মসজিদটির মূল কক্ষের উপর গম্বুজের সংখ্যা মাত্র ১টি। অপর ৩টি গম্বুজ রয়েছে মসজিদটির বারান্দার উপর। বারান্দার উপর নির্মিত গম্বুজগুলোর আকৃতি অপেক্ষাকৃত ছোট আকারের। এই ৩টি গম্বুজ আদিতে ছিল না, পরবর্তীতে নির্মাণ করা হয়েছে। ১৪৯৩ সাল হতে ১৫৩৮ সাল সময়ে মধ্যে সুলতান আলা-উদ-দীন হোসেন শাহ্‌ ও তার বংশধরদের রাজত্বকালে এই মসজিদটি নির্মিত হয়েছে বলে মনে করা হয়। ...... সম্পূর্ণ অংশ পড়ুন

বন্দর শাহী মসজিদ/ বাবা সালেহ মসজিদ
নারায়নগঞ্জ >>  বন্দর

নারায়ণগঞ্জ জেলার বন্দর উপজেলায় বাবা সালেহ মসজিদটি দেখতে পাবেন। স্থানীয়ভাবে এটি বন্দর শাহী মসজিদ নামে পরিচিত। কদম রসূল দরগাহ এর প্রায় দেড় কিলোমিটার দক্ষিণে এই মসজিদটি রয়েছে। এটি একটি ১ গম্বুজ বিশিষ্ট মসজিদ। মসজিদটির অভ্যন্তরে পশ্চিম দেয়ালে ৩টি মিহরাব দেখতে পাবেন। প্রবেশের জন্য পূর্ব দেয়ালে ৩টি এবং উত্তর ও দক্ষিণ দেয়ালে ১টি করে প্রবেশদ্বার রয়েছে। মসজিদের চার কোণে ৪টি স্তম্ভ দেখতে পাওয়া যাবে। ১৪৮১ সালে বাঙলার সুলতান জালাল-উদ-দীন ফতেহ শাহের আমলে বাবা সালেহ নামক এক ব্যক্তি এই মসজিদটি নির্মাণ করেন বলে জানা গেছে। পরবর্তীতে মসজিদটি সংস্কার করে আধুনিকায়ন করা হয়েছে। ...... সম্পূর্ণ অংশ পড়ুন

কদম রসূল দরগাহ
নারায়নগঞ্জ >>  বন্দর

নারায়ণগঞ্জ জেলার বন্দর উপজেলার নবীগঞ্জে শীতলক্ষ্যা নদীর তীর ঘেঁষে এই কদম রসূল দরগাহটি রয়েছে। এই স্থানটি পূর্বে রসুলপুর নামে পরিচিত ছিল। আনুমানিক ১৭৭৮ মতান্তরে ১৫৮০ সালে এই দরগাহটি নির্মিত হয় বলে অনুমান করা হয়। এই দরগাহ ইমারতটি দ্বিতল এবং এক গম্বুজ বিশিষ্ট। এখানে দুই খণ্ড পাথরে হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) এর পায়ের ছাপ আছে বলে বলা হয়। ইতিহাসবিদদের মতে, সপ্তম শতাব্দীতে মাসুম খান কাবুলী নামে একজন আফগান সেনাপ্রধান এই নিদর্শনটি একজন আরব সওদাগর এর নিকট থেকে সংগ্রহ করেছিলেন। ...... সম্পূর্ণ অংশ পড়ুন

মোয়াযযেমাবাদ মসজিদ / মহজমপুর শাহী মসজিদ / আহমদ শাহের মসজিদ ও মাজার
নারায়নগঞ্জ >>  সোনারগাঁ

নারায়ণগঞ্জ জেলার সোনারগাঁও উপজেলার মজমপুরে মোয়াযযেমাবাদ নামের এই প্রাচীন মসজিদটি দেখতে পাবেন। স্থানীয়ভাবে, এই মসজিদটি মহজমপুর শাহী মসজিদ নামেও পরিচিত। এটি একটি ছয় গম্বুজ বিশিষ্ট মসজিদ। শিলালিপি অনুসারে, মসজিদটি সুলতান শামস্‌ আল-দীন আহমদ শাহ্‌র আমলে (১৪৩২-৩৬ সাল) ফিরোজ খান নামের এক ব্যাক্তি এটি নির্মাণ করেন। তাই এটি আহমদ শাহের মসজিদ নামেও অনেকে চিনেন। মজমপুরের পূর্ব নাম ছিল মোয়াযযেমাবাদ। মোয়াযযেমাবাদ সুলতানি আমলের একটি বিখ্যাত স্থান। এখানে সুলতানের টাকশাল ও প্রশাসন কেন্দ্র ছিল। মসজিদটি বাংলাদেশে টিকে থাকা প্রাচীন মসজিদগুলোর মধ্যে সবচেয়ে প্রাচীন বলে মনে করা হয়। মসজিদটির পূর্বের অনেক কিছুই এখন আর নেই। মসজিদের কাছেই দেখতে পাবেন একটি মাজার শরীফ। শাহ লঙ্গর নামের এক দরবেশের মাজার এটি। ...... সম্পূর্ণ অংশ পড়ুন

ইউসুফগঞ্জ মসজিদ
নারায়নগঞ্জ >>  সোনারগাঁ

নারায়ণগঞ্জ জেলার সোনারগাঁও উপজেলার বাসস্ট্যান্ডের নিকট মোগড়াপাড়া বাজারের রাস্তায় ইউসুফগঞ্জে এই মসজিদটি দেখতে পাবেন। এটি বর্গাকারে নির্মিত একটি ধর্মীয় ইমারত, যার প্রতি দিকের দৈর্ঘ্য প্রায় ৮.৪ মিটার। মসজিদটিতে প্রবেশের জন্য পূর্ব দেয়ালে ৩টি এবং উত্তর ও দক্ষিণ দেয়ালে ১টি করে প্রবেশপথ রয়েছে। পশ্চিম দেয়ালে দেখতে পাবেন ৩টি মিহরাব। মসজিদটি এক গম্বুজ বিশিষ্ট। সুলতান রুকন-উদ-দীন বারবক শাহ্‌র পুত্র সুলতান শামস উদ দীন ইউসুফ শাহ্‌ পঞ্চদশ শতকের শেষ সময়ের দিকে (১৪৭৬-৮১ সাল) এটি নির্মাণ করেন। মসজিদটি সংস্কার করার ফলে এটি আধুনিক মসজিদ বলে মনে হবে। ...... সম্পূর্ণ অংশ পড়ুন

দমদমা মসজিদ
নারায়নগঞ্জ >>  সোনারগাঁ

নারায়ণগঞ্জ জেলার সোনারগাঁও উপজেলার মোগড়া বাজার এবং খানকা শরীফের সন্নিকটে দমদমা নামক এই প্রাচীন মসজিদটি দেখতে পাওয়া যাবে। ১৪৮৪ সালে সুলতান জালাল উদ দীন ফতেহ শাহ্‌র আমলে এই মসজিদটি নির্মিত হয়। এটি বর্গাকারে নির্মিত এক গম্বুজ বিশিষ্ট একটি ধর্মীয় ইমারত। সম্রাট আওরঙ্গজেবের আমলে এই ইমারতটি আবার পুনঃনির্মিত হয়। মসজিদের সামনে একখণ্ড কালো পাথর রয়েছে, যেটিতে একটি মূর্তির চিহ্ন রয়েছে। একারনে অনেকেই মনে করেন, হিন্দু-বৌদ্ধ যুগে এখানে কোন মন্দির ছিল। ...... সম্পূর্ণ অংশ পড়ুন

First  Previous  1  2  3  4  5  6  7  8  9  10  11  12  13  14  15  16  17  18  19  20  Next  Last  



পর্যটন বাংলাদেশ - বাংলাদেশ ভ্রমণ - বাংলাদেশের দর্শনীয় স্থান