পর্যটন বাংলাদেশ - বাংলাদেশ ভ্রমণ - বাংলাদেশের দর্শনীয় স্থান


গাজী-কালু-চম্পাবতীর কবর
ঝিনাইদহ >>  কালীগঞ্জ

ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলার বারোবাজারের ভৈরব নদীর পাড়ে ৩টি প্রাচীন কবর রয়েছে। কবর তিনটি গাজী, কালু ও চম্পাবতীর কবর নামে পরিচিত। কবর তিনটির মধ্যে মাঝখানের কবরটি গাজীর, পশ্চিম দিকের কবরটি কালুর এবং পূর্ব দিকের কবরটি চম্পাবতীর কবর। কবরগুলো সাধারন কবরের আয়তনের চেয়ে বড়। তবে, এই গাজী, কালু এবং চম্পাবতীর সম্পর্কে প্রকৃত ইতিহাস জানা যায় নি। ...... সম্পূর্ণ অংশ পড়ুন

গোড়াই মসজিদ
ঝিনাইদহ >>  কালীগঞ্জ

ঝিনাইদহ জেলার কালীগঞ্জ উপজেলার বারোবাজার গ্রামে অবস্থিত এই গোড়াই মসজিদটি পনের কিংবা ষোল শতকে নির্মিত সুলতানি আমলের একটি মসজিদ। স্থানীয়দের কাছে এই মসজিদটি গোড়ার মসজিদ নামে পরিচিত। মসজিদটির পাশেই গোড়াই পুকুর বা গোড়া পুকুর নামের একটি পুকুর রয়েছে। বর্গাকারে নির্মিত এই ধর্মীয় ইমারতটি এক গম্বুজ বিশিষ্ট। ইমারতটির পশ্চিম দেয়ালে ৩টি সুদৃশ্য মিহরাব রয়েছে। এগুলোতে পোড়ামাটির ফলকে ফল ও লতাপাতার চিত্র রয়েছে। মসজিদের দেয়ালেও টেরাকোটা রয়েছে। মসজিদের অভ্যন্তরে ৪টি পাথরের স্তম্ভ রয়েছে। এবং বাহিরের দেয়ালের ৪ কোনে ৪টি অষ্টকোনাকার মিনার রয়েছে। ধর্মীয় এই ইমারতটি খান-ই-জাহান নির্মাণ করেছিলেন বলে প্রচলিত আছে। ...... সম্পূর্ণ অংশ পড়ুন

আদিনা মসজিদ / ৩৫ গম্বুজ বিশিষ্ট সাতগাছিয়া মসজিদ
ঝিনাইদহ >>  কালীগঞ্জ

ঝিনাইদহ জেলার কালীগঞ্জ উপজেলার সাতগাছিয়ায় প্রাচীন এই মসজিদটির সন্ধান পাওয়া গেছে। মসজিদটি ৩৫ গম্বুজ বিশিষ্ট একটি বৃহদাকার ইমারত। ইমারতটি আয়াতাকারে নির্মিত। এটি দৈর্ঘ্যে প্রায় ৭৭ ফুট এবং প্রস্থে প্রায় ৫৬ ফুট লম্বা। বারোবাজারের আদিনা জলাশয়ের পাশে অবস্থিত। একারনে মসজিদটি আদিনা মসজিদ নামেও পরিচিত। মসজিদটির নির্মাণ কৌশল অনুযায়ী এর পূর্ব দেয়ালে ৭টি, দক্ষিনে ৫টি এবং উত্তরে ৩টি প্রবেশপথ ছিল। মসজিদের অভ্যন্তরে অনেকগুলো স্তম্ভের অস্তিত্ব পাওয়া গেছে। স্তম্ভগুলো ইট দ্বারা নির্মিত। ধর্মীয় এই ইমারতটির ৪ কোনে ৪টি মিনার ছিল। পঞ্চদশ শতাব্দিতে সুলতানি আমলে এই ইমারতটি নির্মিত হয় বলে অনুমান করা হয়। মসজিদটি এখন আর পূর্বের ন্যায় নেই। টিনের ছাদ দিয়ে এটি এখনও ধর্মীয় কাজে ব্যবহৃত হচ্ছে। ...... সম্পূর্ণ অংশ পড়ুন

ধানমণ্ডি ঈদগাহ
ঢাকা >>  ধানমণ্ডি (থানা)

রাজধানী ঢাকার ধানমণ্ডি থানার নতুন ৮নং সড়কে, যা ৭ নম্বর সড়ক নামে পরিচিত এর পাশেই এই প্রাচীন ঈদগাহ ময়দানটি রয়েছে। এটি প্রাচীর ঘেরা একটি ময়দান। ১৬৪০ খ্রিষ্টাব্দে শাহ্‌ সুজার শাসনামলে মীর আবুল কাশেম এটি নির্মাণ করেন। ঈদগাহটির প্রথম নাম ছিল মুঘল ঈদগাহ। ঢাকার ঐতিহ্যবাহী আরেক নিদর্শন বড় কাটরার স্থপতিও ছিলেন মীর আবুল কাশেম। ...... সম্পূর্ণ অংশ পড়ুন

এডুকেশন এক্সটেনশন মসজিদ
ঢাকা >>  নিউ মার্কেট (থানা)

রাজধানী ঢাকার নিউমার্কেটের নিকট ঢাকা কলেজের পেছনে শিক্ষক প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের ভিতরে এই এডুকেশন এক্সটেনশন মসজিদটি আছে। এই মসজিদের নির্মাণ কৌশল সাধারণত প্রাক-মোঘল ও মোঘল আমলেই দেখা যেত। বাংলার ঐতিহ্যবাহী দোচালা কুঁড়ে ঘরের মত করে মসজিদটির ছাদ নির্মিত হয়েছে। মসজিদটির কোন গম্বুজ নেই। এর কার্নিশ ধনুকের মত বাঁকানো। মসজিদটিতে প্রবেশের জন্য পূর্ব দিকে একটি মাত্র প্রবেশপথ আছে। এটি নিয়াবের মসজিদ নামেও পরিচিত। ...... সম্পূর্ণ অংশ পড়ুন

মরিয়ম সালেহ মসজিদ
ঢাকা >>  নিউ মার্কেট (থানা)

রাজধানী ধাকার নীলক্ষেত এলাকায় নিউমার্কেট ও বলাকা সিনেমা হলের সামান্য পূর্ব দিকে মোঘল আমলে নির্মিত এই প্রাচীন মসজিদটি দেখতে পাবেন। এটি একটি ৩ গম্বুজ বিশিষ্ট মসজিদ। মসজিদের পূর্ব দেয়ালে ৩ টি প্রবেশপথ এবং উত্তর ও দক্ষিণ দেয়ালে ১ টি করে প্রবেশপথ কয়েছে। পশ্চিম দেয়ালে আছে ৩ টি মিহরাব। মসজিদের ৪ কোনে ৪টি আটকোনাকার মিনার আছে। ১৭০৬ খ্রিষ্টাব্দে মরিয়ম সালেহ নামক এক মহিলা এই মসজিদটি নির্মাণ করেন বলে জানা যায়। মসজিদের সামনে একটি বারান্দা রয়েছে, যা নির্মাণ কালে ছিল না। ...... সম্পূর্ণ অংশ পড়ুন

বায়তুল মোকাররম মসজিদ
ঢাকা >>  পল্টন (থানা)

বিংশ শতাব্দীতে নির্মিত মসজিদ সমূহের মধ্যে সবচেয়ে আধুনিক, সর্ববৃহৎ এবং সবচেয়ে আকর্ষণীয় মসজিদ হচ্ছে ঢাকার পুরাতন পল্টন ও গুলিস্তানের নিকটবর্তী স্থানে অবস্থিত বায়তুল মোকাররম মসজিদ। মক্কার কাবা শরীফের অনুকরণে নির্মিত হয়েছে এই মসজিদটি। ১৯৬০ সালের ৭ জানুয়ারি তৎকালীন পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট আইয়ুব খান মসজিদটির ভিত্তি প্রস্তর স্থাপনা করেছিলেন। মসজিদ কমপ্লেক্সটির নকশা প্রণয়ন করেছিলেন প্রখ্যাত স্থপতি আবুল ইসাইন থাইরানী। মসজিদটিতে ১৯৬৩ সালের ২৫ জানুয়ারি শুক্রবার প্রথম জামাত অনুষ্ঠিত হয়। ৮ তলা বিশিষ্ট এই মসজিদ কমপ্লেক্সটি ৮.৩০ একর জায়গার উপর নির্মিত। মসজিদের প্রধান অংশের আয়তন ৬০,০০০ বর্গফুট। এটি বাংলাদেশের জাতীয় মসজিদ। ...... সম্পূর্ণ অংশ পড়ুন

আহল-ই-হাদিস মসজিদ
ঢাকা >>  বাংশাল (থানা)

বংশাল চৌরাস্তায় অবস্থিত বৃহদাকৃতির একটি মসজিদ রয়েছে, এটি আহল-ই-হাদিস মসজিদ মানে পরিচিত। আহল-ই-হাদিস সম্প্রদায়ের লোকেরা এটি ব্যবহার করেন। প্রায় ৭০০০ বর্গফুটের বৃহতাকার এই মসজিদটি একটি দৃষ্টিনন্দন মসজিদ। মসজিদটি অষ্টাদশ শতকে নির্মিত। ...... সম্পূর্ণ অংশ পড়ুন

কারতালাব খান মসজিদ/ বেগম বাজার মসজিদ
ঢাকা >>  বেগম বাজার

কারতালাব খান মসজিদটি রাজধানী ঢাকার বেগম বাজারে অবস্থিত। এ কারনে মসজিদটি বেগম বাজার মসজিদ নামেও পরিচিত। এটি একটি ৫ গম্বুজ বিশিষ্ট আয়তাকারে নির্মিত মসজিদ। মুর্শিদ কুলী খান ১৭০০ খ্রিষ্টাব্দ থেকে ১৭০৪ খ্রিষ্টাব্দ সময়ের মধ্যে এই মসজিদটি নির্মাণ করেন। মুর্শিদ কুলী খানের অপর নাম ছিল কারতালাব খান। তার নামানুসারেই এই মসজিদটির নামকরণ করা হয়েছে কারতালাব খান মসজিদ। তিনি বাদশাহ আওরঙ্গজেবের আমলে ঢাকার দেওয়ান হিসেবে নিযুক্ত ছিলেন। ইমারতটি দ্বিতল বিশিষ্ট। এর নিচতলায় তাহখানা ছিল। এবং উপরে মসজিদটির অবস্থান। মসজিদের পশ্চিম দেয়ালে ৫টি মিহরাব আছে। পূর্ব দেয়ালে প্রবেশের জন্য ৫ টি পথ রয়েছে। এর প্রতিটি প্রবেশপথের দুপাশে ২টি সরু মিনার রয়েছে। দক্ষিনে রয়েছে ১টি প্রবেশপথ। এর দুপাশেও ২টি সরু মিনার রয়েছে। উত্তর দেয়ালে কোন প্রবেশ পথ নেই। তবে একটি ছোট কক্ষ রয়েছে। কক্ষটি মসজিদের ইমামের থাকার কক্ষ হিসেবে ব্যবহার করা হতো বলে ধারনা করা হয়। ...... সম্পূর্ণ অংশ পড়ুন

দিলকুশা জামে মসজিদ
ঢাকা >>  মতিঝিল (থানা)

ঢাকার রাজউক ভবনের নিকট ঢাকার অন্যতম এই প্রাচীন মসজিদটি রয়েছে। মোঘল স্থাপত্যরীতিতে নির্মিত এই মসজিদটিরে অলংকরন খুবই নজরকারা। মসজিদের পাশেই রয়েছে সূফী সাধক শাহ্‌ নেয়ামত উল্লাহ (রহ) এর মাজার। ধারনা করা হয়, ১৬০৫ থেকে ১৬২৭ খ্রিষ্টাব্দের মধ্যে কোন এক সময় এটি নির্মিত হয়। এর পূর্ব নাম ছিল শাহজালাল মসজিদ। ...... সম্পূর্ণ অংশ পড়ুন

First  Previous  1  2  3  4  5  6  7  8  9  10  11  12  13  14  15  16  17  18  19  20  Next  Last  



পর্যটন বাংলাদেশ - বাংলাদেশ ভ্রমণ - বাংলাদেশের দর্শনীয় স্থান