পর্যটন বাংলাদেশ - বাংলাদেশ ভ্রমণ - বাংলাদেশের দর্শনীয় স্থান


বহলতলী জামে মসজিদ / সিকদার বাড়ি মসজিদ
গোপালগঞ্জ >>  কোটালীপাড়া

গোপালগঞ্জ জেলার কোটালিপাড়া উপজেলার পিরী ইউনিয়নের বহলতলী গ্রামে দেখতে পাবেন এই জামে মসজিদটি। এটি এই জেলার সবচেয়ে প্রাচীন প্রত্নসম্পদ বলে ধারনা করা হয়। মসজিদটি নির্মাণ কৌশলে মোঘল স্থাপত্য রীতিতে নির্মিত। মোট ৯টি গম্বুজ রয়েছে মসজিদটিতে। এর মধ্যে ৩টি গম্বুজ বড় আকৃতির। মসজিদটি ৪টি স্তম্ভের উপর নির্মিত। মসজিদের দেয়াল নির্মাণ কাজে ব্যবহার করা হয়েছে বিভিন্ন আকারের, বিভিন্ন সাইজের ইট। একসময় মসজিদের মেঝে ছিল শ্বেত পাথরের। বর্তমানে তা আর নেই। ইতিহাসসূত্রে জানা যায়, হযরত শাহ্‌জালাল আউলিয়ার নেতৃত্বে এদেশে আগত আউলিয়াদের অন্যতম ফতেহশাহ্‌ মামুদের বংশধর ১৫৪৩-১৫৪৪ সালে এই মসজিদটি নির্মাণ করেছিলেন। ফতেহশাহ্‌ মামুদের বশধরেরা সিকদার টাইটেল প্রাপ্ত ছিলেন বলে মসজিদটি সিকদার বাড়ি মসজিদ নামেও পরিচিত। মসজিদের খুব নিকটে রয়েছে ছুইছামতি দিঘি নামের একটি দিঘি। এটি মসজিদ নির্মাণকালীন সময়ে খননকৃত। ...... সম্পূর্ণ অংশ পড়ুন

ঘাঘরকান্দা জামে মসজিদ
গোপালগঞ্জ >>  কোটালীপাড়া

প্রায় শত বছরের এই ঘাঘরকান্দা জামে মসজিদটি দেখতে চাইলে আপনাকে যেতে হবে গোপালগঞ্জ জেলার কোটালিপাড়া উপজেলার ঘাঘরকান্দা গ্রামে। মসজিদের ছাদের মধ্যভাগে দেখতে পাবেন বৃহতাকারের একটি গম্বুজ। এছাড়াও ছাদের চার কোনায় ৪টি ছোট গম্বুজ রয়েছে। আজিজ ব্যাপারী নামের এক স্থানীয় বাসিন্দা উনিশ শতকের আশেপাশের কোন এক সময়ে এটি নির্মাণ করেছিলেন বলে মনে করা হয়। ...... সম্পূর্ণ অংশ পড়ুন

সুড়ই/ গুরুই মসজিদ
কিশোরগঞ্জ >>  নিকলী

কিশোরগঞ্জ জেলার নিকলী উপজেলা সদরের প্রায় ৪ কিলোমিটার দূরে দক্ষিন দিকে এই সুড়ই/ গুরুই মসজিদটি রয়েছে। এটি বর্গাকারে নির্মিত এক গম্বুজ বিশিষ্ট একটি মসজিদ। মসজিদটিতে প্রবেশের জন্য পূর্ব দিকে ৩ টি এবং উত্তর ও দক্ষিন দিকে ১ টি করে প্রবেশদ্বার আছে। মসজিদের অভ্যন্তরে পশ্চিম দেয়ালে ৩টি মিহরাব দেখা যায়। মধ্য মিহরাবটি অন্য দুটি মিহরাব থেকে অপেক্ষাকৃত বড়। মসজিদটি মোঘল আমলে সম্ভবত পঞ্চদশ শতাব্দিতে নির্মিত। ...... সম্পূর্ণ অংশ পড়ুন

মসজিদ পাড়া মসজিদ
কিশোরগঞ্জ >>  পাকুন্দিয়া

কিশোরগঞ্জ জেলার এগারসিন্দুর মসজিদ পাড়া নামের একটি গ্রামে এই মসজিদটি রয়েছে। মসজিদটি বর্গাকারে নির্মিত, যার প্রতি দিকের দৈর্ঘ্য প্রায় ২৯ ফুট। মসজিদটির ৪ কোণে ৪ টি আটকোনাকার মিনার রয়েছে। মসজিদের পূর্ব দেয়ালে ৩টি এবং উত্তর ও দক্ষিন দেয়ালে ১টি করে প্রবেশ পথ আছে। এটি ইট দিয়ে নির্মিত একটি ১ গম্বুজ বিশিষ্ট মসজিদ। মসজিদের এক শিলালিপি থেকে জানা যায়, সম্রাট আওরঙ্গজেবের রাজত্বকালে ১৬৬৯ খ্রিষ্টাব্দে এটি নির্মিত হয়। মসজিদটি সংস্কারকৃত। ...... সম্পূর্ণ অংশ পড়ুন

শাহ মোহাম্মদ মসজিদ
কিশোরগঞ্জ >>  পাকুন্দিয়া

কিশোরগঞ্জ জেলার পাকুন্দিয়া উপজেলার এগারসিন্দুর গ্রামে এই প্রাচীন মসজিদটি দেখতে পাওয়া যাবে। এক গম্বুজ বিশিষ্ট এই মসজিদটি সমসাময়িক নির্মিত মসজিদগুলো থেকে ব্যতিক্রম। মসজিদটির আঙ্গিনায় একটি প্রবেশপথ রয়েছে। এই প্রবেশপথটি দোচালা পাকা ঘরের মত করে তৈরি করা হয়েছে। এধরনের প্রবেশপথ সাধারনত কোথাও দেখতে পাওয়া যায় না। মসজিদটি বর্গাকারে নির্মিত, যার প্রতি বাহুর দৈর্ঘ্য প্রায় ৩২ ফুট। মসজিদের পূর্ব দেয়ালে ৩টি এবং উত্তর ও দক্ষিন দেয়ালে ১টি করে প্রবেশ পথ রয়েছে। পশ্চিম দেয়ালে ৩টি মিহরাব দেখতে পাবেন। মসজিদের ৪ কোণে ৪ টি অষ্টকোনাকার মিনার রয়েছে। নবাব শায়েস্তা খানের আমলে ১৬৮০সালে শাহ মোহাম্মদ নামক এক ব্যক্তি মসজিদটি নির্মাণ করেন। মসজিদটিতে পোড়ামাটির চিত্রফলক দেখতে পাওয়া যায়। ...... সম্পূর্ণ অংশ পড়ুন

সাদী মসজিদ
কিশোরগঞ্জ >>  পাকুন্দিয়া

কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়া উপজেলার এগারসিন্দুর দুর্গ এলাকার মধ্যে এই সাদী মসজিদটি অবস্থিত। এটি একটি এক গম্বুজ বিশিষ্ট মসজিদ। গম্বুজ টি বেশ উঁচু এবং বড়। ভূমি পরিকল্পনায় এটি বর্গাকারে নির্মিত। মসজিদটির প্রতি দিকের দৈর্ঘ্য প্রায় ২৭ ফুট। মসজিদটির পূর্ব দিকে ৩ টি প্রবেশ পথ রয়েছে। এই ৩টি প্রবেশ পথের মধ্যে মধ্যের প্রবেশপথটি অপেক্ষাকৃতভাবে বড়। এছাড়াও উত্তর ও দক্ষিন দিকে ১ টি করে প্রবেশ পথ আছে। পশ্চিম দেয়ালে আছে ৩টি মিহরাব। মিহরাবগুলো কারুকার্য মণ্ডিত। মসজিদের ৪ কোণে ৪টি মিনার আছে। সম্রাট শাহজাহানের রাজত্বকালে সাদী নামক এক ব্যক্তি ১৬৫২ সালে এই মসজিদটি নির্মাণ করেছিলেন। মসজিদটিতে সুলতানী আমলের স্থাপত্য রীতির ছাপ দেখা যায়। মসজিদের কার্নিশ অনেকটা বাঁকানো ধরনের। মসজিদটিতে পোড়ামাটির ফলকচিত্র দেখা যায়। ...... সম্পূর্ণ অংশ পড়ুন

সালংকা জামে মসজিদ
কিশোরগঞ্জ >>  পাকুন্দিয়া

কিশোরগঞ্জ জেলার পাকুন্দিয়া উপজেলার সালংকা গ্রামে এই মসজিদটি রয়েছে। গ্রামের নামানুসারে এই মসজিদটি সালংকা জামে মসজিদ নামে পরিচিত। এটি একটি এক গম্বুজ বিশিষ্ট বড় মসজিদ। সপ্তদশ শতাব্দিতে এই মসজিদটি নির্মিত বলে মনে করা হয়। ...... সম্পূর্ণ অংশ পড়ুন

হোয়ার্শি মসজিদ
কিশোরগঞ্জ >>  পাকুন্দিয়া

কিশোরগঞ্জ জেলার পাকুন্দিয়া উপকেলার হোয়ার্শি গ্রামে এই হোয়ার্শি মসজিদটি দেখতে পাবেন। মসজিদের এক শিলালিপি অনুযায়ী, ১৬৭৫-১৬৭৬ সালে এই মসজিদটি নির্মাণ করা হয়েছিল। মসজিদটিতে সুলতানী ও মোঘল আমলের স্থাপত্য শিল্পের ছাপ লক্ষণীয়। ...... সম্পূর্ণ অংশ পড়ুন

বাদশাহী মসজিদ / গায়েবী মসজিদ
কিশোরগঞ্জ >>  ইটনা

কিশোরগঞ্জ জেলার অন্তর্গত ইটনা উপজেলা সদরে এই বাদশাহী মসজিদটি রয়েছে। স্থানীয় জনগন এই মসজিদটিকে ...... সম্পূর্ণ অংশ পড়ুন

পাগলা মসজিদ
কিশোরগঞ্জ >>  কিশোরগঞ্জ সদর

আধুনিক স্থাপত্য শৈলীতে নির্মিত এই মসজিদটি একটি ঐতিহাসিক মসজিদ। কিশোরগঞ্জ জেলা শহরের হারুয়া নামের একটি স্থানে এই মসজিদটি দেখতে পাবেন। এখানে বসবাসরত বাসিন্দাদের বিশ্বাস, ভাল নিয়তে এই মসজিদে কিছু দান করলে তার ইচ্ছা পূর্ণ হয়। মসজিদটির নাম পাগলা মসজিদ হওয়ার পেছনে এক জনশ্রুতি রয়েছে। জনশ্রুতি অনুসারে, পাগলের বেশ ধরে এক আধ্যাত্মিক পুরুষ নরসুন্দা নদীতে শুধুমাত্র মাদুর পেতে ভেসে ভেসে কিশোরগঞ্জের এই স্থানটিতে এসে থেমেছিলেন। তার মৃত্যুর পর এখানেই তাকে সমাহিত করা হয়। পরবর্তীতে এই স্থানে একটি মসজিদ নির্মাণ করলে, মসজিদটি পাগলা মসজিদ নামে পরিচিতি পায়। ...... সম্পূর্ণ অংশ পড়ুন

First  Previous  1  2  3  4  5  6  7  8  9  10  11  12  13  14  15  16  17  18  19  20  Next  Last  



পর্যটন বাংলাদেশ - বাংলাদেশ ভ্রমণ - বাংলাদেশের দর্শনীয় স্থান