পর্যটন বাংলাদেশ - বাংলাদেশ ভ্রমণ - বাংলাদেশের দর্শনীয় স্থান


হামিদিয়া তাজ মসজিদ / চন্দনপুরা মসজিদ
চট্রগ্রাম >>  চট্রগ্রাম নগরী

চট্টগ্রাম শহরের চন্দনপুরায় সিরাজুদ্দৌলা সড়কে এই হামিদিয়া তাজ মসজিদটি দেখতে পাবেন। মসজিদটি অনেকের কাছেই চন্দনপুরা মসজিদ নামেও পরিচিত। আবার অনেকেই এই মসজিদটিকে সাত তলা মসজিদ নামেও অভিহিত করেন। এটি ১৫ গম্বুজ বিশিষ্ট দৃষ্টিনন্দন কারুকার্যময় প্রাচীন মসজিদ। এই মসজিদের সবচেয়ে আকর্ষণীয় দিকটি হলো এর গম্বুজ গুলো। মসজিদের গম্বুজ গুলো নির্মাণ করা হয়েছে পিতলের দ্বারা। গম্বুজ গুলোর মধ্যে সবচেয়ে বড় গম্বুজ টি নির্মাণ করতে প্রয়োজন হয়েছে প্রায় ১০টন পিতলের। পিতল দ্বারা নির্মিত এই গম্বুজ গুলোর উপর সূর্যের আলো পড়লে এক অপূর্ব মনোমুগ্ধকর দৃশ্যের সৃষ্টি হয়। জানা যায়, মসজিদটি নির্মাণ করতে ভারতের লক্ষ্ণৌ থেকে কারিগর আনা হয়েছিল। অষ্টাদশ শতাব্দিতে এই মসজিদটি নির্মাণ করা হয়েছিল। ...... সম্পূর্ণ অংশ পড়ুন

কদম মোবারক মসজিদ
চট্রগ্রাম >>  চট্রগ্রাম নগরী

চট্টগ্রাম শহরের রহমতগঞ্জের কদম মোবারক পাহাড়ের উপর এই কদম মোবারক মসজিদটি রয়েছে। এটি একটি ৩ গম্বুজ বিশিষ্ট মসজিদ। প্রবেশের জন্য পূর্ব দেয়ালে ৩টি প্রবেশ পথ রয়েছে। উত্তর দক্ষিনে প্রবেশ পথের পরিবর্তে দুটি কক্ষ রয়েছে। কক্ষ দুটিতে প্রবেশের জন্য ১টি করে প্রবেশ দ্বার আছে। কক্ষ দুটির উপর ১টি করে গম্বুজ আছে। মসজিদটির ৪ কোণে ৪টি অষ্টকোনাকার মিনার আছে। মসজিদটির উত্তর ও দক্ষিন দিকের কক্ষ দুটির প্রতিটিতে দু'টুকরো করে পাথর রাখা আছে। উত্তর দিকের কামরায় সংরক্ষিত পাথর দুটিতে হযরত মুহাম্মদ (সঃ) এর পায়ের ছাপ রাখা আছে বলে বলা হয়। এবং দক্ষিন দিকের কামরায় সংরক্ষিত পাথর দুটিতে বড় পীর হযরত আবদুল কাদির জিলানীর পায়ের ছাপ রয়েছে বলে বলা হয়। ১৭১৯ সালে (মতান্তরে ১৭২৩ সালে) চট্টগ্রামের ফৌজদার মোহাম্মদ ইয়াসিন খাঁ মসজিদটি নির্মাণ করেন। পরবর্তীতে এই মসজিদটি কয়েকবার সংস্কার করা হয়েছে। ...... সম্পূর্ণ অংশ পড়ুন

ঠাকুরপুর মসজিদ/পীরগঞ্জ জামে মসজিদ
চুয়াডাঙ্গা >>  চুয়াডাঙ্গা সদর

এটি স্থানীয়ভাবে পীরগঞ্জ জামে মসজিদ নামে পরিচিত। প্রচলিত আছে, ১৬৮৯ খ্রিস্টাব্দের কাছাকাছি সময়ে এক জমিদার এখানে বসবাসকারী শাহ্‌ আফু নামের এক আধ্যাত্মিক ধর্মীয় সাধকের জন্য এই মসজিদটি নির্মাণ করেছিলেন। মসজিদের পাশেই এই সাধকের কবর রয়েছে। ...... সম্পূর্ণ অংশ পড়ুন

তিন গম্বুজ বিশিষ্ট চুয়াডাঙ্গা বড় মসজিদ
চুয়াডাঙ্গা >>  চুয়াডাঙ্গা সদর

চুয়াডাঙ্গা জেলা শহরেই দেখতে পাবেন প্রাচীন এই মসজিদটি। চুয়াডাঙ্গা জেলা শহরের আলমডাঙ্গা বাসস্ট্যান্ডের নিকটেই রয়েছে এই মসজিদটি। মসজিদটি বড় মসজিদ নামে পরিচিত। আনুমানিক ১৭৮৬ খ্রিষ্টাব্দে এই মসজিদটি নির্মিত হয়। ...... সম্পূর্ণ অংশ পড়ুন

ঘোলদাড়ি জামে মসজিদ
চুয়াডাঙ্গা >>  আলমডাঙ্গা

চুয়াডাঙ্গা জেলার আলমডাঙ্গা উপজেলার ঘোলদাড়ি গ্রামে রয়েছে প্রাচীন এই মসজিদটি। এটি আয়তাকারে নির্মিত তিন গম্বুজ বিশিষ্ট একটি মসজিদ। জানা যায়, এটি একসময় গভীর জঙ্গলে আবৃত ছিল। পরবর্তীতে জঙ্গল পরিষ্কার করে মসজিদটি ব্যবহারের উপযোগী করে তোলা হয়। মসজিদটিতে কিছু সংস্কার করা হলেও এর মূল কাঠামোর প্রাচীনরূপটি আজও অক্ষুন্ন রয়েছে। ...... সম্পূর্ণ অংশ পড়ুন

আতিয়া জামে মসজিদ ও শাহ আদম কাশ্মীরির মাজার
টাঙ্গাইল >>  দেলদুয়ার

টাংগাইল জেলার দেলদুয়ার উপজেলার আতিয়া নামক গ্রামে এই মসজিদটি অবস্থিত। টাংগাইল জেলার মধ্যে সবচেয়ে পুরাতন ও প্রাচীন মসজিদ এটি। বায়েজিদ খান পন্নীর পুত্র সাঈদ খান পন্নী ১৬০৮-০৯ খ্রিষ্টাব্দে এই মসজিদটি নির্মাণ করেন। মসজিদটির পরিকল্পনা ও নির্মাণ কাজে ছিলেন মুহাম্মদ খাঁ নামক একজন স্থপতি। মসজিদটির প্রধান কক্ষটি বর্গাকারে নির্মিত। এই কক্ষটির উপর একটি বৃহদাকার গম্বুজ রয়েছে। এর পূর্ব দিকের বারান্দায় আরও ৩ টি ছোট গম্বুজ আছে। মসজিদটির দেয়াল অত্যন্ত পুরু, এটি প্রায় ৭.৫ ফুট। মসজিদের ৪ কোণে ৪টি অষ্টকোণাকৃতির মিনার রয়েছে। মসজিদের অভ্যন্তরের পশ্চিম দেয়ালে ৩ টি সুদৃশ্য মিহরাব রয়েছে। পূর্ব দিকের বারান্দায় ৩ টি এবং মুল কক্ষে প্রবেশের জন্য একই দিক থেকে আরও ৩টি প্রবেশপথ রয়েছে। একই ভাবে বারান্দাসহ উত্তর-দক্ষিন দেয়ালে ২ টি করে প্রবেশ পথ আছে। মসজিদটিতে সুলতানি ও মোঘল আমলের স্থাপত্য রীতির এক অপূর্ব সমন্বয় ঘটেছে। অন্যদিকে, বাংলার স্থাপত্য ও এর অলঙ্করণ সবই ফুটে উঠেছে টেরাকোটা এবং ইটের খোঁদাই নকশার মাধ্যমে। সবমিলে, এটি একটি অন্যন্য দৃষ্টিনন্দন একটি স্থাপনা।
মসজিদটির নিকটেই আছে একটি মাজার। এটি শাহ বাবা কাশ্মীরি নামক একজন পীরের কবর। শাহ বাবা কাশ্মীরির জন্ম পনেরো শতকে। ধর্ম প্রচারের জন্য তিনি এখানে এসেছিলেন বলে জনশ্রুতি আছে। কবরের গায়ের এক শিলালিপি অনুযায়ী, তিনি ১৫০৭ খ্রিষ্টাব্দে মৃত্যুবরণ কলে এখানেই কবর দেয়া হয়। টাংগাইল সদর থেকে সিএনজি বা অন্য কোন যানবাহনে করে এই স্থানটিতে আসা যায়। ...... সম্পূর্ণ অংশ পড়ুন

দেলদুয়ার জমিদারবাড়ি মসজিদ
টাঙ্গাইল >>  দেলদুয়ার

টাংগাইলের দেলদুয়ার উপজেলার জমিদার বাড়ীর মসজিদটি এক দৃষ্টিনন্দন স্থাপত্যকলার অনন্য উদাহরন। তিন গম্বুজ বিশিষ্ট এই মসজিদের চার কোনে চারটি বুরুজ দেখতে পাওয়া যাবে। এই বুরুজগুলোর চূড়ায় রয়েছে ছোট আকৃতির গম্বুজ । এছাড়াও মসজিদের প্রবেশ পথের দুপাশ দিয়ে নির্মিত হয়েছে অপেক্ষাকৃত সরু আকারের দুটি করে মোট চারটি টানেল। এগুলোর প্রত্যেকটির চূড়ায় আবার রয়েছে ছোট ছোট গম্বুজ । মসজিদটি আয়তাকারে নির্মিত। ...... সম্পূর্ণ অংশ পড়ুন

তেবাড়িয়া মসজিদ
টাঙ্গাইল >>  নাগরপুর

মোঘল আমলে নির্মিত একটি প্রাচীন মসজিদ এই তেবাড়িয়া মসজিদটি। তেবাড়িয়া গ্রামের অধিবাসী মৃধা বংশোদ্ভূত আব্দুল মালেক খা মৃধা এই মসজিদটি নির্মাণ করেন বলে জানা যায়। প্রাচীন এই মসজিদটি দেখতে চাইলে টাঙ্গাইলের নাগরপুর উপজেলার সলিমাবাদ ইউনিয়নের তেবাড়িয়া নামক গ্রামে যেতে হবে। ...... সম্পূর্ণ অংশ পড়ুন

কোর্ট মসজিদ
গোপালগঞ্জ >>  গোপালগঞ্জ সদর

গোপালগঞ্জ জেলার প্রধান ও বড় একটি মসজিদ এই কোর্ট মসজিদটি। মসজিদটিতে ৫টি গম্বুজ রয়েছে, এই মধ্যে মধ্যখানের গম্বুজ টি অপেক্ষাকৃত বড়। একটি সুউচ্চ মিনার রয়েছে মসজিদটিতে। ১৯৪৯ খ্রিষ্টাব্দে পাকিস্তানের তৎকালীন গভর্নর খাজা নাজিম উদ্দিন এই মসজিদটির উদ্ভোধন করেন। মসজিদটি তৎকালীন মহকুমা প্রশাসক গোলাম আহম্মদ এর উদ্যোগে এটি নির্মিত হয়েছিল। এর নির্মাণ কৌশল ও শিল্পগুণ সকলকে মুগ্ধ করে। ...... সম্পূর্ণ অংশ পড়ুন

খাগাইল মসজিদ / খাগাইল গায়েবী মসজিদ
গোপালগঞ্জ >>  গোপালগঞ্জ সদর

গোপালগঞ্জ জেলার অন্যতম প্রত্ননিদর্শন এই খাগাইল মসজিদটি। জেলা সদর উপজেলার খাগাইল নামক একটি গ্রামে এই মসজিদটি দেখতে পাবেন। আঠার শতকের মাঝামাঝি সময়ে এই মসজিদটি নির্মিত হয় বলে অনুমান করা হয়। স্থানীয় বাসিন্দাদের নিকট এটি গায়েবী মসজিদ নামে পরিচিত। ...... সম্পূর্ণ অংশ পড়ুন

First  Previous  1  2  3  4  5  6  7  8  9  10  11  12  13  14  15  16  17  18  19  20  Next  Last  



পর্যটন বাংলাদেশ - বাংলাদেশ ভ্রমণ - বাংলাদেশের দর্শনীয় স্থান