পর্যটন বাংলাদেশ - বাংলাদেশ ভ্রমণ - বাংলাদেশের দর্শনীয় স্থান


ছোট সোনা মসজিদ
চাঁপাই নবাবগঞ্জ >>  শিবগঞ্জ

চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার শিবগঞ্জ উপজেলার ফিরোজপুরে রয়েছে ছোট সোনা মসজিদ নামের একটি প্রাচীন দৃষ্টিনন্দন একটি মসজিদ। বাংলাদেশের অভ্যন্তরে ঐতিহাসিক গৌড়ের যে সকল নিদর্শন আজও ভালভাবে টিকে রয়েছে , তার মধ্যে সবচেয়ে ভাল অবস্থায় রয়েছে এই ছোট সোনা মসজিদটি। এটিকে ...... সম্পূর্ণ অংশ পড়ুন

রোহনপুর অষ্টভুজী সমাধিসৌধ
চাঁপাই নবাবগঞ্জ >>  চাঁপাই নবাবগঞ্জ সদর

চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার রোহনপুর রেলস্টেশনের নিকট নওদা গ্রামে আট কোনাকার একটি ইমারত রয়েছে। এটির নির্মাণকাল সম্পর্কে তেমনটি জানা যায় নি। তবে ধরনা করা হয় সপ্তাদশ কিংবা অষ্টাদশ শতাব্দীতে এই ইমারতটি নির্মাণ করা হয়েছি। এই ইমারতটির নির্মাণ কৌশলের কারনে এখানে ঘুরতে আসা পর্যটকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে। ইমারতটি একটি সমাধি সৌধ হতে পারে বলে মনে করা হয়। স্থানীয়দের কাছে এটি সমাধি সৌধ হিসেবে পরিচিত। ...... সম্পূর্ণ অংশ পড়ুন

বখশী হামিদ মসজিদ
চট্রগ্রাম >>  বাঁশখালী

চট্টগ্রাম জেলার বাঁশখালী উপজেলার হিলসা গ্রামে বখশী হামিদ মসজিদ নামের এই প্রাচীন মসজিদটি দেখতে পাবেন। মসজিদটি সম্পূর্ণ ভাবে ইট দ্বারা নির্মিত। মসজিদটির স্থাপত্য কৌশলে মোঘল এবং সুলতানী স্থাপত্যের সমন্বয় দেখা যায়। এই প্রাচীন মসজিদটি সপ্তদশ শতাব্দির একটি নিদর্শন বলে মনে করা হয়। ...... সম্পূর্ণ অংশ পড়ুন

বায়েজিদ বোস্তামির মাজার
চট্রগ্রাম >>  বায়জিদ বোস্তামী (থানা)

চট্টগ্রাম নগরীর নাসিরাবাদ এলাকায় অবস্থিত এই মাজারটি চট্টগ্রামের সর্বাপেক্ষা পবিত্রতম স্থান। এটি হযরত বায়েজিদ বোস্তামির উদ্দেশ্যে নির্মিত একটি স্মৃতি স্তম্ভ। তবে, অনেক ধর্মপ্রাণ সরল মনের মানুষ বিশ্বাস করেন যে, এই মাজারটি হযরত বারেজিদ বোস্তামির প্রকৃত সমাধিস্থল। উল্লেখ্য ৮৭৪ সালে সুলতান বায়েজিদ বোস্তামি তার নিজ দেশ ইরানের বোস্তান শহরে ইন্তেকাল করেন। এবং সেখানেই তাকে সমাহিত করা হয়।
মাজারের পাশেই পুকুরের মাছ ও কাছিমগুলো নিয়ে কিংবদন্তী কাহিনী প্রচলিত আছে। জনশ্রুতি আছে, এগুলো দুষ্ট জীন ছিল। জীনগুলো হযরত বায়েজিদ বোস্তামির এবাদত-বন্দেগিতে বিঘ্ন সৃষ্টি করছিল বিধায়, বায়েজিদ বোস্তামি তার অলৌকিক ক্ষমতাবলে সেগুলোকে মাছ এবং কাছিমে রূপান্তর করে বন্ধী করে ফেলেন। ২০০৫ সালে কিছু দুষ্কৃতিকারী এই পুকুরে বিষ ঢেলে দিলে মাছগুলো মারা যায়।
এই মাজারটির পাশেই ৩ গম্বুজ বিশিষ্ট একটি মসজিদ দেখতে পাবেন। মসজিদটি অষ্টাদশ শতকে নির্মিত। এটি আওরঙ্গজেব মসজিদ নামেও অনেকের কাছে পরিচিত। ...... সম্পূর্ণ অংশ পড়ুন

ছুটি খানের মসজিদ
চট্রগ্রাম >>  মীরসরাই

মিরসরাই উপজেলার জোরওয়ারগঞ্জ ইউনিয়নের পরাগলপুরে ছুটি খানের মসজিদ নামের একটি মসজিদ দেখতে পাবেন। আয়াতাকারে নির্মিত এই মসজিদটিতে ৩টি গম্বুজ ছিল। পশ্চিম দেয়ালে আছে ৩টি মিহরাব। আনুমানিক ষষ্ঠদশ শতাব্দিতে এই মসজিদটি নির্মিত হয় বলে জানা যায়। মসজিদটি বর্তমানে পূর্বের অবস্থায় নেই। ...... সম্পূর্ণ অংশ পড়ুন

দারোগা মসজিদ ও ডেপুটি মসজিদ
চট্রগ্রাম >>  সাতকানিয়া

পঞ্চদশ শতাব্দির নির্মিত সাতকানিয়া ও সোনাকানিয়া ইউনিয়নে অবস্থিত ৩ গম্বুজ বিশিষ্ট দুটি প্রাচীন মসজিদ। ...... সম্পূর্ণ অংশ পড়ুন

হাম্মাদের মসজিদ
চট্রগ্রাম >>  সীতাকুণ্ড

চট্টগ্রাম শহর থেকে প্রায় ১২ মাইল দূরে কুমিরা নামক একটি স্থানে এই হাম্মাদের মসজিদটি দেখতে পাবেন। এটি একটি এক গম্বুজ বিশিষ্ট মসজিদ। মসজিদের অভ্যন্তরে ৩টি মিহরাব রয়েছে। পূর্ব দেয়ালে ৩টি প্রবেশ দ্বার দেখতে পাবেন। ধর্মীয় এই ইমারতের ৪ কোণে ৪টি গোলাকার বুরুজ রয়েছে। ধারনা করা হয় ১৫৩৩ থেকে ১৫৩৮ সালের মাঝে এই মসজিদটি নির্মিত হয়েছিল। মসজিদটি পরবর্তীতে সংস্কার করা হয়েছে। তবুও এই মসজিদটির নির্মাণ কৌশল আজও অতীতের রূপটি ধরে রেখেছে। ...... সম্পূর্ণ অংশ পড়ুন

কুমিরা মসজিদ
চট্রগ্রাম >>  সীতাকুণ্ড

কুমিরা রেলস্টেশনের উত্তরে কিছু দুরেই এই মসজিদটি অবস্থান। এটি একটি এক গম্বুজ বিশিষ্ট মসজিদ। আনুমানিক পনের শতকে এই মসজিদটি নির্মিত হয় বলে ধারনা করা হয়। মসজিদের ৪ কোণে ৪ টি মিনার রয়েছে। ...... সম্পূর্ণ অংশ পড়ুন

হাটহাজারি ফকিরা মসজিদ
চট্রগ্রাম >>  হাটহাজারী

হাটহাজারি বাজারের দক্ষিনে এই ফকিরা মসজিদটি দেখতে পাবেন। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের নিকটেই এই মসজিদটি রয়েছে। মসজিদটি এখন আর পূর্বের অবস্থায় নেই। এটি আয়তাকারে নির্মিত ৬ গম্বুজ বিশিষ্ট মসজিদ ছিল। মসজিদের পশ্চিম দেয়ালে ৩টি মিহরাব রয়েছে। অভ্যন্তরে ২টি পাথরের স্তম্ভ আছে। পূর্ব দেয়ালে প্রবেশের জন্য রয়েছে ৩টি প্রবেশ পথ। মসজিদের ৪ কোণে ৪ টি গোলাকার বুরুজ দেখতে পাওয়া যায়। মসজিদটিকে সংস্কার করা হয়েছে। ...... সম্পূর্ণ অংশ পড়ুন

অন্দরকিলা মসজিদ
চট্রগ্রাম >>  চট্রগ্রাম নগরী

অন্দরকিলা মসজিদটি চট্টগ্রাম শহরের একটি পাহাড়ের উপর নির্মিত। নবাব শায়েস্তা খাঁ এর শাসনামলে ১৬৬৭ সালে এই মসজিদটি নির্মাণ করা হয় বলে জানা যায়। ভারতের মোঘল স্থাপত্য রীতির ছোঁয়া দেখতে পাওয়া যায় এই মসজিদটিতে। এই অন্দরকিলা মসজিদটি চট্টগ্রাম শহরে মোঘলদের প্রথম মসজিদ বলে মনে করা হয়। ইতিহাস সূত্রে জানা যায়, ১৬৬৬ সালে চট্রগ্রাম অঞ্চলটি মোঘল সাম্রাজ্যের অধীনে হলে বাংলার সুবেদার নবাব শায়েস্তা খাঁ এর পুত্র সেনাপতি বুজর্গ উমেদ আলী খাঁ এই অঞ্চলের প্রথম শাসনকর্তা হিসেবে নিযুক্ত হন। তিনি মুঘল সম্রাট মুহিউদ্দিন মুহাম্মদ ঔরঙ্গজেবের নির্দেশ ক্রমে মসজিদটি নির্মাণ করেছিলেন। নির্মাণ কালে এর নাম ছিল সঙ্গীন মসজিদ। অন্দরকিল্লা টিলার উপর মসজিদটি অবস্থিত বলে কালক্রমে মসজিদটি অন্দরকিল্লা নামে পরিচিতি লাভ করে।
এই ধর্মীয় ইমারতটি নির্মাণে চুন, সুরকি ও পাথর ব্যবহৃত হয়েছে। আয়তাকারে নির্মিত এই মসজিদটি দৈর্ঘ্যে ৫৫ ফুট এবং প্রস্থে ২৪ ফুট লম্বা। দেয়ালের পুরুত্ব প্রায় সাড়ে ৭ ফুট। মসজিদটিতে ৩টি গম্বুজ রয়েছে। এর একটি বৃহদাকার।মসজিদটির ঐতিহাসিক গুরুত্বও অনেক। ১৭২৩ সালে এই মসজিদের অদূরেই চাটির পাহাড়ের পাশে অপর একটি মসজিদ (বর্তমান কদম মোবারক মসজিদ নামে পরিচিত) নির্মিত হলে সেখানে হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) এর তথাকথিত পায়ের ছাপ সম্বলিত দুখণ্ড পাথরের টুকরো স্থাপন করলে মুসল্লিরা অন্দরকিল্লা মসজিদ ছেড়ে কদম মোবারক মসজিদে নামাজ আদায় শুরু করে। সেসময় চট্রগ্রামে মুসল্লিদের সংখ্যা খুব অল্প থাকায় অন্দরকিলা মসজিদটি প্রায় পরিত্যাক্ত অবস্থায় পরিনত হয়। ১৭৬১ সালে ইষ্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি মসজিদটি বন্ধ করে দিয়ে এখানে গোলাবারুদের গুদামঘর হিসেবে ব্যবহার শুরু করে। সেসময় মসজিদটির নির্মাণ শিল্পের বেশ কিছু অংশ ধ্বংসপ্রাপ্ত হয়। এরপর প্রায় ১৩৩ বছর এই মসজিদটিতে ধর্মীয় কার্যক্রম বন্ধ থাকে। ১৯৫৩ সালে চট্রগ্রামের মুসলমানেরা খান বাহাদুর হামিদুল্লাহ খাঁনের নেতৃত্বে মসজিদটি ফিরে পেতে তৎকালীন গভর্নরের কাছে আবেদন করলে তা নাকচ হয়ে যায়। পরবর্তীতে ১৮৫৫ সালে আবারও মসজিদটি পুনরুদ্ধার করতে আবেদন করলে মসজিদটিতে নামাজের অনুমতি পায়। এবং ১৯৫৬ সালে হামিদ উল্ল্যাহ খাঁ মসজিদটির ব্যাপক সংস্করন করেন। ...... সম্পূর্ণ অংশ পড়ুন

First  Previous  1  2  3  4  5  6  7  8  9  10  11  12  13  14  15  16  17  18  19  20  Next  Last  



পর্যটন বাংলাদেশ - বাংলাদেশ ভ্রমণ - বাংলাদেশের দর্শনীয় স্থান