পর্যটন বাংলাদেশ - বাংলাদেশ ভ্রমণ - বাংলাদেশের দর্শনীয় স্থান


ঐতিহাসিক গৌড় নগরীর অংশ
চাঁপাই নবাবগঞ্জ >>  শিবগঞ্জ

বাংলাদেশে গৌড়ের যে অংশ রয়েছে তা প্রাচীর বেষ্টিত নগরীর বাহিরের অংশ। ১৯৪৭ সালে ভারত ভাগের পর পাণ্ডুয়া এবং গৌড় নগরীর মূল অংশটি ভারতের পশ্চিমবঙ্গের (বর্তমান নাম বাংলা) মালদা জেলায় পড়ে। শুধুমাত্র গৌড়ের কয়েকটি নিদর্শন বর্তমান বাংলাদেশের চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলায় পরেছে। এই অংশটুকুকে গৌড় নগরীর উপকণ্ঠ হিসেবে বলা যায়। বাংলাদেশের অভ্যন্তরের নিদর্শনগুলোর মধ্যে খনিয়া দিঘি মসজিদ, দারসাবাড়ি মসজিদ ও মাদ্রাসা, শাহ নিয়ামতউল্লাহ্‌ এর সমাধি, মসজিদ, তোহাখানা, ধনচক মসজিদ, ছোট সোনা মসজিদ উল্লেখ্যযোগ্য। এর এসকল নিদর্শন শিবগঞ্জ উপজেলার ফিরোজপুরে পরেছে। ...... সম্পূর্ণ অংশ পড়ুন

তাহাখানা কমপ্লেক্স
চাঁপাই নবাবগঞ্জ >>  শিবগঞ্জ

চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার শিবগঞ্জ উপজেলার ফিরোজপুর নামক স্থানে শাহ্‌ সুজা এই কমপ্লেক্সটি নির্মাণ করেন। এটি শাহ্‌ সুজার কাচারীবাড়ি, তাহখানা মসজিদ রয়েছে। ...... সম্পূর্ণ অংশ পড়ুন

দারসাবাড়ি মসজিদ
চাঁপাই নবাবগঞ্জ >>  শিবগঞ্জ

চাপাইনবাবগঞ্জ জেলার শিবগঞ্জ উপজেলার ফিরোজপুরে বাংলাদেশ-ভারতের সীমান্তে এই দারসাবাড়ি মসজিদটির অবস্থান। মসজিদটির কাছেই রয়েছে একটি মাদ্রাসার ধ্বংসাবশেষ। এই মাদ্রাসাটি দারসাবাড়ি মাদ্রাসা নামে পরিচিত। দারসা একটি আরবি শব্দ, অর্থ পাঠ করা। এই মাদ্রাসাটির নামানুসারে মসজিদটির নামকরন করা হয়ে থাকতে পারে বলে মনে করা হয়। মসজিদটি সুলতানী স্থাপত্যকীর্তি ও অলংকরনের একটি অনন্য নিদর্শন। মসজিদটি আয়তাকারে নির্মিত ছিল। এটি দৈর্ঘ্যে প্রায় ৯৮ ফুট এবং প্রস্থে প্রায় ৫৭ ফুট লম্বা ছিল। বর্তমানে মসজিদটির ছাদ নেই। বহু আগেই এর ছাদ ভেঙ্গে পড়েছে। মসজিদটিতে ৬টি গম্বুজ ছিল। বর্তমানে গম্বুজ গুলোর কোন অস্তিত্ব নেই। মসজিদটির মূল কক্ষের বাহিরে পূর্ব দিকে একটি বারান্দা ছিল। বারান্দায় ৭টি প্রবেশ পথের অস্তিত্ব রয়েছে। বারান্দার পর মূল কক্ষে প্রবেশের জন্য আরও ৭টি প্রবেশপথ আছে। একই ভাবে বারান্দাসহ উত্তর ও দক্ষিন দিকে আরও ৪টি করে প্রবেশ পথ রয়েছে। মসজিদটির পশ্চিম দেয়ালে ৭টি দৃষ্টিনন্দন মিহরাব দেখতে পাবেন। এই মিহরাবগুলোর মধ্যে কেন্দ্রীয় মিহরাবটি অপেক্ষাকৃত বড়। মিহরাবগুলিতে পোড়ামাটির অলঙ্করণ দেখতে পাবেন। রয়েছে ফুল, লতা-পাতার নকশা। মসজিদটিতে একটি জেনানা গ্যালারী ছিল। জেনানা গ্যালারী হলো, মসজিদে মহিলাদের নামাজ পড়ার জন্য বিশেষ ব্যবস্থাসম্বলিত স্থান। মসজিদের মূল কক্ষের ৪ কোনায় ৪টি এবং বারান্দার দুই কোণায় ২টি বুরুজ ছিল। মসজিদের শিলালিপি অনুযায়ী, সুলতানী শাসনামলে সুলতান বরবক শাহের পুত্র সুলতান ইউসুফ শাহ্‌ ১৪৭৯ সালে এই মসজিদটি নির্মাণ করেছিলেন। ...... সম্পূর্ণ অংশ পড়ুন

দারসাবাড়ি মাদ্রাসা
চাঁপাই নবাবগঞ্জ >>  শিবগঞ্জ

চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার শিবগঞ্জ উপজেলার ফিরোজপুরে এই মাদ্রাসাটি দেখতে পাবেন। ফিরোজপুরের বাংলাদেশ-ভারত সীমানার আছে এই মাদ্রাসাটি রয়েছে। বর্তমানে এটি ধ্বংসপ্রাপ্ত। তবে এই ভিত এখনও প্রাচীন এই মাদ্রাসাটির সাক্ষ্য এখনও বহন করছে। মাদ্রাসাটির ভিত অনুযায়ী এটি বর্গাকারে নির্মিত একটি ইমারত ছিল। যার প্রতি দিকের দৈর্ঘ্য ছিল প্রায় ১৬৯ ফুট। মাদ্রাসাটির চারদিকে দেয়াল বেষ্টিত ছিল। এই চারপাশের দেয়ালের সাথে ৪০ টি কক্ষ ছিল। প্রতিটি কক্ষও বর্গাকারে নির্মিত ছিল। মাদ্রাসা কমপ্লেক্সটির অভ্যন্তরের মধ্যভাগে ১২৩ বর্গফুটের একটি খোলা চত্বর ছিল। মাদ্রাসার দেয়ালের ৪ কোণে ৪টি অষ্টকোনাকার টাওয়ার ছিল। দক্ষিন, পূর্ব ও উত্তর দেয়ালের মধ্যখানে ১টি করে প্রবেশ পথ ছিল। পশ্চিম দেয়ালের মধ্যভাগে ছিল একটি নামাজের কক্ষ। মাদ্রাসাটি বিভিন্ন নকশায় সজ্জিত ছিল। এর মধ্যে ফুল, লতা-পাতা, ফল, জ্যামিতিক নকশা ইত্যাদি উল্লেখ্যযোগ্য। ১৫০৪ খ্রিষ্টাব্দে আলাউদ্দীন হোসেন শাহ এই মাদ্রাসাটি নির্মাণ করেন। ...... সম্পূর্ণ অংশ পড়ুন

ধুনিচক মসজিদ
চাঁপাই নবাবগঞ্জ >>  শিবগঞ্জ

চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার শিবগঞ্জ উপজেলার ফিরোজপুর নামক স্থানে একটি দিঘির পাশে ধুনিচক নামের এই মসজিদটি দেখতে পাবেন। মসজিদটি তার অতীতের সৌন্দর্যকে আজও জানান দেয়। মসজিদটি আয়তাকারে নির্মিত। এতে ৩টি গম্বুজ আছে। মসজিদের পশ্চিম দেয়ালের ৩ টি মিহরাব আছে। মিহরাবগুলো পোড়ামাটির অলঙ্করণের অলংকৃত ছিল। মসজিদটিতে বিভিন্ন নকশা দেখতে পাওয়া যাবে। মসজিদটিতে প্রবেশের জন্য পূর্ব দেয়ালে ৩টি এবং উত্তর ও দক্ষিন দেয়ালে ২টি করে প্রবেশ পথ আছে। ধর্মীয় এই ইমারতটির ৪ কোণে ৪টি অষ্টকোণাকৃতির বুরুজ ছিল। মসজিদটি পঞ্চদশ শতাব্দীতে নির্মিত বলে অনুমান করা হয়। মসজিদের অভ্যন্তরের নির্মাণ কৌশল আপনাকে মুগ্ধ করবে। ...... সম্পূর্ণ অংশ পড়ুন

শাহ্‌ নিয়ামতউল্লাহ্‌ মসজিদ / তাহখানা মসজিদ
চাঁপাই নবাবগঞ্জ >>  শিবগঞ্জ

চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার শিবগঞ্জ উপজেলার ফিরোজপুরে শাহ্‌ নিয়ামতউল্লাহ্‌ এর সমাধির নিকট একটি মসজিদ দেখতে পাবেন। এই মসজিদটি শাহ্‌ নিয়ামতউল্লাহ্‌ মসজিদ নামে পরিচিত। অনেকেই আবার এটিকে তাহখানা মসজিদ নামেও অভিহিত করেন। মসজিদটি আয়তাকারে নির্মিত। এটি দৈর্ঘ্যে প্রায় ৬৪ ফুট এবং প্রস্থে প্রায় ২৫ ফুট লম্বা। ধর্মীয় এই ইমারতটিতে ৩টি গম্বুজ রয়েছে। পূর্ব দেয়ালে ৩টি এবং উত্তর ও দক্ষিন দেয়ালে ১টি করে প্রবেশ পথ আছে। পশ্চিম দেয়ালে ৩টি মিহরাব দেখতে পাবেন। ইমারতটির ৪ কোণে ৪টি অষ্টকোণাকৃতির বুরুজ আছে। বুরুজগুলোর উপর ছোট গম্বুজ আছে। ইমারতটি সপ্তদশ শতাব্দীতে নির্মিত। মসজিদটির স্থাপত্য শৈলী পর্যটকদের মুগ্ধ করে। মসজিদটিতে সামনে দেয়ালঘেরা একটি ফাঁকা চত্বর রয়েছে। ...... সম্পূর্ণ অংশ পড়ুন

শাহ্‌ নিয়ামতউল্লাহ্‌র তাহাখানা / শাহ্‌ সুজার কাচারিবাড়ি
চাঁপাই নবাবগঞ্জ >>  শিবগঞ্জ

চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার শিবগঞ্জ উপজেলার ফিরোজপুরে শাহ্‌ নিয়ামতউল্লাহ্‌ এর একটি তাহখানা রয়েছে। এর স্থাপত্য কৌশল আজও পর্যটকদের মুগ্ধ করে। শাহ্‌ নিয়ামতউল্লাহ্‌র সমাধি সৌধের কাছে এই তাহখানাটি দেখতে পাবেন। তাহখানাটি শাহ্‌ সুজার কাচারিবাড়ি নামেও পরিচিত। এটি একটি দ্বিতল বিশিষ্ট ইমারত ছিল। ইমারতটি আজও এর অতীত জৌলুস আর সৌন্দর্যের কথা জানান দিচ্ছে। ইমারতটির দোতলা এখন প্রায় ভেঙ্গে পরেছে। তবে এই একতলাটি এখনও টিকে আছে। ইমারতটিতে বেশ কয়েকটি কক্ষ দেখতে পাবেন। এর মধ্যে একটি হাম্মামখানা আজও মগ্ধ করবে আপনাকে। ইমারতটির পাশেই দেখতে পাবেন বিশালাকার একটি পুকুর। তাহখানার হাম্মামখানায় পানি সরবরাহ করা হতো এখান থেকে। তাহখানাটি সম্রাট শাহজাহানের পুত্র সুলতান শাহ সুজা ১৬৫৫ সালে নির্মাণ করেছিলেন। সুলতান শাহ সুজা ১৬৩৯ সাল থেকে ১৬৬০ সাল পর্যন্ত বাংলার সুবেদার ছিলেন। ...... সম্পূর্ণ অংশ পড়ুন

শাহ্‌ নিয়ামতউল্লাহ্‌র সমাধি
চাঁপাই নবাবগঞ্জ >>  শিবগঞ্জ

চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার শিবগঞ্জ উপজেলার ফিরোজপুরে শাহ্‌ নিয়ামতউল্লাহ্‌ এর সমাধি সৌধটি আছে। শাহ্‌ নিয়ামতউল্লাহ্‌ একজন ধর্ম প্রাচারক ও ধর্ম সাধক ছিলেন। ছোট সোনা মসজিদ থেকে প্রায় ৬০০ মিটার দূরে শাহ্‌ নিয়ামতউল্লাহ্‌ মসজিদের কাছে এই সৌধটি দেখতে পাবেন। ইট দ্বারা নির্মিত এই সমাধি সৌধে ১টি গম্বুজ রয়েছে। ভূমি পরিকল্পনায় সৌধটি বর্গাকার। মূল সমাধি কক্ষটি ইমারতটির মধ্যভাগে রয়েছে। এই কক্ষে প্রবেশের জন্য দক্ষিন দিকে একটি প্রবেশ পথ রয়েছে। তবে সমাধির উত্তর, দক্ষিন ও পূর্ব দিকে ৩টি করে মোট ১২টি প্রবেশ পথ আছে। মাজারের ৪ কোণায় ৪টি অষ্টকোনাকার বুরুজ আছে। বুরুজগুলোতে আবার ছোট ছোট গম্বুজ দেখতে পাবেন। শাহ নিয়ামতউল্লাহ্‌ উত্তর প্রদেশ থেকে গৌড়ে এসে এখানেই ধর্ম প্রচার ও বসবাস শুরু করেন। ১৬৬৪ সালে তিনি ইন্তেকাল করলে এখানেই সমাধিস্থ করা হয়। শাহ নিয়ামতউল্লাহ্‌ সম্রাট শাহজাহানের পুত্র শাহ সুজার ধর্মগুরু ছিলেন। প্রাচীন এই সৌধটি সপ্তদশ শতকে নির্মিত। ...... সম্পূর্ণ অংশ পড়ুন

খনিয়া দিঘি মসজিদ / রাজবিবি মসজিদ
চাঁপাই নবাবগঞ্জ >>  শিবগঞ্জ

চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার শিবগঞ্জ উপজেলার ফিরোজপুরে খনিয়া দিঘি নামক এক দিঘির নিকটে এই খনিয়া দিঘি মসজিদটি রয়েছে। মসজিদটি রাজবিবি মসজিদ নামেও পরিচিত। সুলতানী আমলের অন্যতম স্থাপত্য নিদর্শন এই খানিয়া দিঘি মসজিদ। এটি ইট দ্বারা নির্মিত একটি ছোট মসজিদ। এর পরিমাপ প্রায় ৪২ বর্গফুট। মসজিদটির ৪ কোণে ৪টি অষ্টকোনাকার বুরুজ আছে। ধর্মীয় এই ইমারতটির পূর্ব দিকে একটি বারান্দা দেখতে পাবেন। বারান্দায় দুটি অষ্টকোনাকার বুরুজ আছে। এটি মূলত একটি এক গম্বুজ বিশিষ্ট মসজিদ। মসজিদের বারান্দায় আরও ৩টি ছোট ছোট গম্বুজ আছে। মসজিদের পূর্ব দেয়ালে ৩টি এবং উত্তর ও দক্ষিন দিকে ১টি করে প্রবেশ পথ আছে। বারান্দায় প্রবেশের জন্য বারান্দায় আরও ৩টি প্রবেশপথ আছে। পশ্চিম দেয়ালে ১টি মিহরাব দেখা যাবে। ইট দ্বারা নির্মিত এই মসজিদটি একসময় টেরাকোটায় সমৃদ্ধ ছিল। মসজিদটিকে পুনঃনির্মাণ করে সংরক্ষণ করা হয়েছে। ধর্মীয় এই ইমারতটি পঞ্চদশ শতাব্দিতে (১৪৮০ সাল) দ্বিতীয় ইলিয়াস শাহী বংশের প্রতিষ্ঠাতা মাহমুদ শাহ অথবা তার পুত্র বরবক শাহের শাসনামলে নির্মিত বলে মনে করা হয়। ...... সম্পূর্ণ অংশ পড়ুন

কোতোয়ালী দরওয়াজা
চাঁপাই নবাবগঞ্জ >>  শিবগঞ্জ

এটি একটি ঐতিহাসিক নগরীর প্রবেশদ্বার। এটি গৌড়ের অংশের ভারত বাংলাদেশ সীমান্তে ভারতের মধ্যে পড়েছে। ঐতিহাসিক গৌড় নগরী উঁচু প্রাচীর দ্বারা বেষ্টিত ছিল। কোতোয়ালী দরওয়াজা ছিল এর প্রবেশ পথ। ভারতের সীমানার ভিতর হলেও বাংলাদেশ সীমান্তের দারসাবাড়ি মসজিদ থেকে এই সুউচ্চ প্রবেশপথটি দেখা যায়। এই দারসাবাড়ি মসজিদটি চাপাইনবাবগঞ্জ জেলার শিবগঞ্জ উপজেলায় বাংলাদেশের সীমান্তে রয়েছে। বাংলাদেশে গৌড়ের যে অংশ রয়েছে তা প্রাচীর বেষ্টিত নগরীর বাহিরের অংশ। এবং এই বাহিরের যে এলাকাটি বাংলাদেশের অভ্যন্তরে রয়েছে তার সবটুকুই রয়েছে বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী জেলা চাপাইনবাবগঞ্জে। ...... সম্পূর্ণ অংশ পড়ুন

First  Previous  1  2  3  4  5  6  7  8  9  10  11  12  13  14  15  16  17  18  19  20  Next  Last  



পর্যটন বাংলাদেশ - বাংলাদেশ ভ্রমণ - বাংলাদেশের দর্শনীয় স্থান