পর্যটন বাংলাদেশ - বাংলাদেশ ভ্রমণ - বাংলাদেশের দর্শনীয় স্থান


মহাস্থানগড় মসজিদ
বগুড়া >>  শিবগঞ্জ

বগুড়া জেলার মহাস্থানগড়ের নিকট শাহ সুলতান বলখী (রঃ) এর মাজার সংলগ্ন এলাকায় প্রায় ৩৭ ফুট উঁচু একটি ঢিবির উপর এই মসজিদটির অবস্থান। মোঘল সম্রাট ফররুখ সিয়ার সময়কালে খোদাদীন নামক এক ব্যক্তি ১৭১৮ সালে এই ধর্মীয় ইমারতটি নির্মাণ করেছিলেন। নির্মাণকালীন সময়ে এটি এক গম্বুজ বিশিষ্ট একটি মসজিদ ছিল। পরবর্তীতে এটি বড় করা হয় এবং প্রায় নতুনভাবে নির্মাণ করা হয়। ...... সম্পূর্ণ অংশ পড়ুন

শাহ সুলতান বলখী (রঃ) এর মাজার
বগুড়া >>  শিবগঞ্জ

বগুড়া জেলার শিবগঞ্জ উপজেলায় মহাস্থানগড়ের নিকট শাহ সুলতান বলখী (রঃ) এর মাজারটি দেখতে পাবেন। একটি উঁচু ঢিবির উপর এই মাজারটি রয়েছে। ১৭১৮ খ্রিষ্টাব্দে মহাস্থানগড়ের নিকট মসজিদটির পাশেই এই মাজারটি নির্মাণ করা হয়েছিল। মাজারটি পরবর্তীতে সংস্কার করা হয়েছে। জনশ্রুতি আছে, খ্রিষ্টীয় এগারো শতকে শাহ সুলতান বলখী (রঃ) ধর্ম প্রচারের জন্য এখানে এসেছিলেন। অনেকের মতে, তিনি মাছের পিঠে করে এসেছিলেন। আবার কেউ কেউ বলেন তিনি মাছের আকৃতির একটি নৌকায় করে এখানে এসেছিলেন। একারনে তিনি মাহী সওয়ার শাহ সুলতান বলখী (রঃ) হিসেবেও পরিচিত। তিনি এখানেই মৃত্যুবরন করলে এখানেই তাকে সমাধিস্থ করা হয়। ...... সম্পূর্ণ অংশ পড়ুন

খন্দকার টোলা মসজিদ
বগুড়া >>  শেরপুর

বগুড়া জেলার শেরপুর উপজেলায় খন্দকার টোলা নামের একটি মসজিদ আছে। যদিও বর্তমানে এর ধ্বংসাবশেষ রয়েছে। এই মসজিদটি এক সময় একটি বড় আয়তাকারে নির্মিত একটি মসজিদ ছিল। এটি ছিল ৩ গম্বুজ বিশিষ্ট একটি মসজিদ। প্রবেশের জন্য পূর্ব দেয়ালে ৩ টি এবং উত্তর ও দক্ষিন দিকে ১টি করে প্রবেশ পথ ছিল। পশ্চিম দেয়ালে ৩ টি মিহরাব দেখতে পাওয়া যায়। মসজিদের ৪ কোণে ৪ টি অষ্টকোনাকার বুরুজ ছিল। সম্রাট শাহজাহানের আমলে বাঙলার সুবাদার মোয়াযযম খান ১৬৩২ খ্রিষ্টাব্দে এই মসজিদটি নির্মাণ করেন। মোয়াযযম খানের আসল নাম ছিল ...... সম্পূর্ণ অংশ পড়ুন

খেরুয়া মসজিদ
বগুড়া >>  শেরপুর

বগুড়া জেলার শেরপুর উপজেলায় প্রাচীন এই খেরুয়া মসজিদটি দেখতে পাবেন। যদিও এর অতীত রূপ তেমনটি এখন আর নেই, তবুও এর নির্মাণ বিশিষ্ট আজও অতীতের রেশ ধরে রেখেছে। মসজিদটি আয়াতাকারে নির্মিত। এর দৈর্ঘ্য প্রায় ৫৭ ফুট এবং প্রস্থ প্রায় ২৪ ফুট। এটি একটি ৩ গম্বুজ বিশিষ্ট মসজিদ। মসজিদের অভ্যন্তরে প্রবেশের জন্য পূর্ব দেয়ালে ৩টি এবং উত্তর ও দক্ষিন দিকে ১ টি করে প্রবেশপথ রয়েছে। পশ্চিম দিকে ৩টি মিহরাব আছে। মসজিদের কার্নিশ কিছুটা বাঁকানো। প্রাচীন এই মসজিদটি একসময় টেরাকোটায় সমৃদ্ধ ছিল। এক শিলালিপি অনুসারে, ১৫৮২ সালে নবাব মির্জা মুরাদ খান এটি নির্মাণ করেছিলেন। মসজিদটির ৪ কোণে ৪ টি অষ্টকোনাকার মিনার এর সৌন্দর্য আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। ...... সম্পূর্ণ অংশ পড়ুন

ভাদুঘর শাহী মসজিদ
ব্রাহ্মণবাড়িয়া >>  

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সদরের ভাদুঘর গ্রামের পূর্ব পাড়ায় এই মসজিদটি দেখা যাবে। এই গ্রামটি সদর উপজেলা থেকে প্রায় ৩ কিলোমিটার দক্ষিনে। আদি মসজিদটিকে বর্ধিত করা হয়েছে, এ কারনে মসজিদটির আদি বৈশিষ্ট্য বর্তমানে অনেকটাই মলিন হয়ে গেছে। আদি মসজিদটি বর্গাকারে নির্মিত ছিল। এটি একটি এক গম্বুজ মসজিদ। মসজিদের অভ্যন্তরে প্রবেশের জন্য পূর্ব দিকে ৩টি এবং উত্তর ও দক্ষিন দিকে ১ টি করে প্রবেশ পথ আছে। পশ্চিম দেয়ালে ৩ টি মিহরাব রয়েছে। মূল আদি মসজিদটি ১৬৭৩ সালে নূর মোহাম্মদ এলাহী নামের এক ব্যক্তি নির্মাণ করেছিলেন। ...... সম্পূর্ণ অংশ পড়ুন

আলীয়াবাদ মসজিদ
ব্রাহ্মণবাড়িয়া >>  নবীনগর

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নবীনগর উপজেলায় এই মসজিদটি দেখতে পাবেন। এটি এই উপজেলার প্রাচীন একটি মসজিদ। মসজিদটির নির্মাণ বৈশিষ্ট্যের কারনে এটি মোঘল আমলের বলে অনুমান করা হয়। এটি আয়তাকারে নির্মিত ৫ গম্বুজ বিশিষ্ট একটি মসজিদ। ধর্মীয় এই উপাসনালয়ে বিভিন্ন ফুল, লতাপাতার নকশা দেখতে পাবেন। ...... সম্পূর্ণ অংশ পড়ুন

উলচাপাড়া মসজিদ
ব্রাহ্মণবাড়িয়া >>  ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার সদর উপজেলার উলচাপাড়া গ্রামে প্রাচীন এই মসজিদটি রয়েছে। মসজিদটি একটি উঁচু ভিত্তি মঞ্চের উপর আয়তাকারে নির্মাণ করা হয়েছে। মসজিদের এক শিলালিপি অনুসারে, এই মসজিদটি ১৭৩০-১৭৩১ সালে নির্মিত। মোহাম্মদ মুরাদ নামের এক ধর্মপ্রাণ ব্যক্তি এটি নির্মাণ করেছিলেন। এটি ৩ গম্বুজ বিশিষ্ট আয়তাকারে নির্মিত একটি ইমারত। এটি দৈর্ঘ্যে প্রায় ৫২ ফুট এবং প্রস্থে প্রায় ২২ ফুট। দেয়ালের পুরুত্ব প্রায় ৪ ফুট। মসজিদের অভ্যন্তরে পশ্চিম দেয়ালে ৩টি মিহরাব আছে। প্রবেশের জন্য পূর্ব দিকে ৩টি প্রবেশ দ্বার রয়েছে। এছাড়াও উত্তর-দক্ষিন দিকেও প্রবেশ দ্বার রয়েছে। মসজিদের ৪ কোণে ৪টি বুরুজ দেখতে পাবেন। ...... সম্পূর্ণ অংশ পড়ুন

সরাইল মসজিদ
ব্রাহ্মণবাড়িয়া >>  সরাইল

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার সরাইল উপজেলায় সরাইল মসজিদটি দেখতে পাবেন। আয়তাকারে নির্মিত এই মসজিদটিতে ৩টি গম্বুজ আছে। নির্মাণকালীন সময়ে এটি দৈর্ঘ্যে প্রায় ৪৫ ফুট এবং প্রস্থে প্রায় ১৫.৬ ফুট ছিল। দেয়ালের প্রশস্থতা ছিল প্রায় ৪ ফুট ৫ ইঞ্চি। প্রবেশের জন্য পূর্ব দিক দিয়ে ৩ টি এবং উত্তর ও দক্ষিন দিক দিয়ে ১ টি করে প্রবেশ পথ রয়েছে। পশ্চিম দিকে ৩টি মিহরাব রয়েছে। মোঘল আমলে ১৬৭০ সালে নূর মোহাম্মদ নামের এক মোঘল কর্মচারী এই মসজিদটি নির্মাণ করেন বলে জানা যায়। মসজিদটি পরবর্তীতে নতুন করে সংস্কার করার ফলে এর আদি রূপ তেমনটি আর নেই। ...... সম্পূর্ণ অংশ পড়ুন

হাটখোলা জামে মসজিদ / আরফান নেছার মসজিদ
ব্রাহ্মণবাড়িয়া >>  সরাইল

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার সরাইল উপজেলার সরাইল বাজারের নতুন হাবিলি পাড়ায় এই হাটখোলা জামে মসজিদটি দেখতে পাবেন। এটি আয়তাকারে নির্মিত ৫ গম্বুজ বিশিষ্ট একটি মসজিদ। মসজিদটিতে প্রবেশের জন্য পূর্ব দিকে দিয়ে ৩টি এবং উত্তর ও দক্ষিন দিকে ১ টি করে প্রবেশ পথ আছে। অভ্যন্তরের পশ্চিম দেয়ালে ৩টি মিহরাব দেখতে পাবেন। মসজিদের ৪ কোণে ৪টি অষ্টকোনাকার মিনার কয়েছে। মসজিদের এক শিলালিপি আনুসারে, সম্রাট আওরঙ্গজেবের শাসনামলে মজলিস শাহবাজের পুত্র নূর মোহাম্মদ ১৬৬৩ খ্রিষ্টাব্দে এটি নির্মাণ করেছিলেন। মসজিদটিতে সুলতানী ও মোঘল আমলের স্থাপত্য রীতির সমন্বয় দখতে পাবেন। এটি আরফান নেছার মসজিদ নামেও পরিচিত। ...... সম্পূর্ণ অংশ পড়ুন

আরিফাইল দ্বিতল সমাধি
ব্রাহ্মণবাড়িয়া >>  সরাইল

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার সরাইল উপজেলার আরিফাইল নামক একটি স্থানে আরিফাইল মসজিদের নিকটে এই সমাধিটি রয়েছে। এটি দ্বিতল বিশিষ্ট সমাধি সৌধ। একটি উঁচু ঢিবির উপর বর্গাকারে নির্মিত হয়েছে এই সৌধটি। সৌধের প্রতি দিকের দৈর্ঘ্য প্রায় ৮ মিটার। এটি এক গম্বুজ বিশিষ্ট একটি ইমারত। সতের কিংবা আঠার শতকে এই সমাধি সৌধটি নির্মাণ করা হয় বলে অনুমান করা হয়। ...... সম্পূর্ণ অংশ পড়ুন

First  Previous  1  2  3  4  5  6  7  8  9  10  11  12  13  14  15  16  17  18  19  20  Next  Last  



পর্যটন বাংলাদেশ - বাংলাদেশ ভ্রমণ - বাংলাদেশের দর্শনীয় স্থান