পর্যটন বাংলাদেশ - বাংলাদেশ ভ্রমণ - বাংলাদেশের দর্শনীয় স্থান


কড়ইতলী জমিদার বাড়ি
চাঁদপুর >>  ফরিদগঞ্জ

চাঁদপুর জেলার ফরিদগঞ্জ উপজেলার কড়ইতলী গ্রামে একটি জমিদার বাড়ি দেখতে পাবেন। এটি কড়ইতলী জমিদার বাড়ি নামে পরিচিত। বাড়িটির মন্দিরঘর, বিশাল প্রসাদ এখনো তার অতীত গৌরবের কথা নীরবে জানিয়ে দেয়। বঙ্গাব্দ ১২০০ এর কাছাকাছি সময়ে এই জমিদার বাড়িটি নির্মাণ করা হয়েছিল বলে অনুমান করা হয়। ...... সম্পূর্ণ অংশ পড়ুন

চাকমা রাজবাড়ি
চট্রগ্রাম >>  রাঙ্গুনিয়া

চট্টগ্রাম জেলার রাঙ্গুনিয়া উপজেলার রাজানগর নামের একটি স্থানে দেখতে পাবেন সতের শতকে নির্মিত একটি চাকমা রাজবাড়ি। বাড়িটি বর্তমানে জীর্ণ অবস্থায় টিকে আছে। এই রাজবাড়ি কমপ্লেক্সে রাজপ্রসাদ ছাড়াও ছিল সৈন্যশালা, বন্দিশালা, হাতি ও ঘোড়াশালা ইত্যাদি। এখানে একটি প্রাচীন পুকুর আছে, এর নাম ছিল ছেলেমা পুকুর। রাজবাড়ির এক রাণীর নামানুসারে এই পুকুরটির নামকরণ করা হয়েছিল। ছেলেমা ছিলেন এই রাজবংশের রাজা শুকদেব রায়ের রাণী। ...... সম্পূর্ণ অংশ পড়ুন

হাজার দুয়ারী স্কুল
চুয়াডাঙ্গা >>  দামুড়হুদা

হাজার দুয়ারী স্কুলটি দেখতে চাইলে আপনাকে যেতে হবে চুয়াডাঙ্গা জেলার দামুড়হুদা উপজেলার নাটুদহ নামক স্থানে। স্থানটি স্থানীয়ভাবে আট কবর নামে পরিচিত। স্কুল ভবনটিতে হাজারটি দুয়ার (দরজা) না থাকলেও এটি স্থানীয়ভাবে হাজার দুয়ারী স্কুল নামেই পরিচিত। মূলত এটি নাটুদহ মাধ্যমিক বিদ্যালয়। একতলা বিশিষ্ট এই বিদ্যালয় ভবনটিতে কক্ষ রয়েছে ১৫টি এবং ভবনের মোট দুয়ারের সংখ্যা ৯৮টি। জানা যায়, নাটুদহের স্থানীয় জমিদার নফরচন্দ্র পাল চৌধুরী তার স্ত্রী রাধারানীর স্মৃতির স্মরণে বিদ্যালয়টি নির্মাণ করেছিলেন। ...... সম্পূর্ণ অংশ পড়ুন

কুমারী সাহা জমিদার বাড়ী
চুয়াডাঙ্গা >>  আলমডাঙ্গা

চুয়াডাঙ্গা জেলার আলমডাঙ্গা উপজেলার কুমারী গ্রামে দেখতে পাবেন প্রাচীন এই জমিদার বাড়ীটি। এটি দ্বিতল বিশিষ্ট বৃহৎ ভবন। নির্মাণ কৌশলে গ্রীক নির্মাণ কৌশলের ছাপ পাওয়া যায়। জমিদার বাড়িটি এক সময় ভেটেরিনারি কলেজের প্রশাসনিক ভবন হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছিল। বর্তমানে এটি একটি পরিত্যাক্ত ভবন হিসেবে পড়ে আছে। ...... সম্পূর্ণ অংশ পড়ুন

দেলদুয়ার রাজবাড়ি/ জমিদারবাড়ি
টাঙ্গাইল >>  দেলদুয়ার

টাংগাইল জেলার দেলদুয়ার উপজেলার অন্যতম প্রাচীন নিদর্শন এই দেলদুয়ার জমিদারবাড়িটি। কারুকার্য মণ্ডিত এই জমিদার ভবনটি দেখলে মনে হবে এখনও কোন জমিদার যেন ভবনটিতে আছে। জমিদার ভবনটি এখনও পূর্বের ন্যায় মাথা উঁচু করে দাড়িয়ে রয়েছে। একতলা ভবন বিশিষ্ট এই জমিদারবাড়িটি এখনও নতুন এর মত দেখায়। জমিদার বাড়ীর প্রধান দরজার উপর ছাদে মুকুটের ন্যায় বিশেষ নকশা করা রয়েছে। ...... সম্পূর্ণ অংশ পড়ুন

নাগরপুর জমিদার বাড়ী/ চৌধুরী বাড়ী
টাঙ্গাইল >>  নাগরপুর

টাংগাইলের নাগরপুর উপজেলার জমিদার বাড়িটি টাংগাইল জেলার অন্যতম একটি দর্শনীয় স্থান। জমিদার উপেন্দ্র চৌধুরীর পুত্র সতীশ চৌধুরীর বাড়ী ছিল এটি। রাজবাড়িটিতে প্রচুর শ্বেতপাথরের ব্যবহার লক্ষ্য করা যায়। আঠার শতকে এই রাজবাড়িটি নির্মিত বলে অনুমান করা হয়। বাড়িটির ঝুলন্ত বারান্দা পর্যটকদের মুগ্ধ করে। দৃষ্টিনন্দন এই জমিদার বাড়িটি বর্তমানে মহিলা কলেজের ভবন হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। এই রাজবাড়ী কমপ্লেক্সে পূজা-অর্চনার জন্য তৈরি করা হয়েছিল ঝুলন দালান। ছিল একটি ঘোড়ার দালান। টাংগাইলের নাগরপুর উপজেলা সদরে এই জমিদার বাড়িটি দেখতে পাবেন। ...... সম্পূর্ণ অংশ পড়ুন

পাকুটিয়া জমিদার বাড়ী
টাঙ্গাইল >>  নাগরপুর

১৯১৫ সালে নির্মিত এই জমিদার বাড়িটি আজও তৎকালীন জমিদারদের গৌরবোজ্জ্বল অতীতের সাক্ষ্য বহন করছে। রামকৃষ্ণ সাহা মন্ডল নামের এক ব্যক্তি এই জমিদারবাড়িটি নির্মাণ করেন। ইংরেজদের কাছ থেকে ক্রয় সূত্রে জমিদারীত্ব লাভ করেন তিনি। জমিদারের দুই পুত্রেরও এখানে অট্টালিকা ছিল। এই অট্টালিকার নির্মাণ কৌশলে প্রাচ্যের নির্মাণ কৌশলের মিল দেখতে পাওয়া যাবে। জমিদার বাড়ীর সামনে রয়েছে নাট মন্দির। বাড়িটির কারুকার্য আজও যেন জমিদারদের সৌন্দর্যপ্রিয়তা ও রুচির পরিচয় দেয়। পাকুটিয়া জমিদার বাড়িটি দেখতে হলে টাঙ্গাইল জেলার নাগরপুর উপজেলার পাকুটিয়া ইউনিয়নে যেতে হবে। ...... সম্পূর্ণ অংশ পড়ুন

ধনবাড়ি নবাব প্যালেস ও মসজিদ
টাঙ্গাইল >>  মধুপুর

টাংগাইল জেলার মধুপুর উপজেলার ধনবাড়ির নওয়াববাড়ি / জমিদারবাড়ির বিভিন্ন স্থাপনা রয়েছে। এটি টাঙ্গাইল জেলা থেকে প্রায় ১৫ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। স্থাপনাসমূহের মধ্যে নওয়াব মঞ্জিল, নওয়াব প্যালেস, নওয়াব শাহ মসজিদ, ফুলের বাগান, অন্দর মহল, দিঘি, মিউজিয়াম ইত্যাদি উল্লেখ্য। বাংলা ভাষার প্রথম প্রস্তাবক নবাব বাহাদুর সৈয়দ আলী চৌধুরীর জমিদারি ছিল এটি। নওয়াব মঞ্জিলটি নওয়াব সাহেবের একটি আবাস কক্ষ ছিল। এই নওয়াব প্যালেসকে পর্যটন কেন্দ্রে পরিণত করা হয়েছে। নওয়াব মঞ্জিলটি ৪ গম্বুজ বিশিষ্ট এক স্থাপত্য রীতির এক অনবদ্য সৃষ্টি। ভবনটিতে ৪টি বড় হল কক্ষ এবং বেশ কয়েকটি ছোট ছোট কক্ষ আছে। ভবনের পূর্ব দিকে একটি বড় তোরণ রয়েছে। তোরণটির নিকটেই চোখে পড়বে একটি তিনতলা ভবন। ভবনটি ইউরোপীয় ও দেশীয় স্থাপত্যের মিশ্রণ দেখতে পাওয়া যাবে। নবাব প্যালেসের পাশেই আছে নবাব শাহী মসজিদ নামের একটি মসজিদ। মসজিদের পাশেই চিরশায়িত আছেন নবাব বাহাদুর সৈয়দ আলী চৌধুরীসহ নবাব পরিবারের সদস্যরা। প্যালেসটির মিউজিয়ামটিতে দেখতে পাবেন নবাবদের ব্যবহৃত নানা তৈজসপত্র, অস্ত্র, পোশাক ইত্যাদি। ...... সম্পূর্ণ অংশ পড়ুন

মহেড়া জমিদার বাড়ী
টাঙ্গাইল >>  মির্জাপুর

বর্তমানে এই জমিদার বাড়িটি ১৯৭২ সাল হতে পুলিশ ট্রেনিং সেন্টার হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। সংস্কার করা হলেও অতীতের জৌলুস যেন একটুও কমে যায় নি। দ্বিতল বিশিষ্ট মূল জমিদার বাড়িটির মূল ভবনে প্রবেশ করতেই চোখে পড়বে রোমান নির্মাণ শৈলীর মত ভূমি হতে দ্বিতল ভবনটির ছাদ পর্যন্ত লম্বা লম্বা ৬টি বিশালাকার স্তম্ভ। মূল ভবনের দুপাশ দিয়ে নির্মিত হয়েছে আরও দুটি দ্বিতল ভবন, যা মূল ভবনটির সাথে যুক্ত। মধ্যখানের ভবনটির ছাদে ডিজাইন দেখে মনে হবে যেন ভবনটির চূড়ায় কেউ মুকুট পড়িয়ে দিয়েছে। জমিদার বাড়িটির সামনে বিশাল জায়গাজুড়ে রয়েছে ফুলের বাগান। ভবনের আশেপাশের নানা প্রজাতির গাছ-পালা ভবনের সৌন্দর্য যেন বাড়িয়ে দিয়েছে অনেকগুন। ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় পাক-হানাদার বাহিনী কর্তৃক এই ভবনটিতে হত্যাকাণ্ড ঘটে। নষ্ট করা হয় গুরুত্বপূর্ণ দ্রব্যাদি। জানা যায়, কালীচরণ সাহা ও আনন্দ সাহা নামে দুই ভাই ১৮৯০ সালের দিকে এই জমিদার বাড়িটি নির্মাণ করেন। তারা মূলত ব্যবসায়ী ছিলেন। পরবর্তীতে ব্রিটিশ সরকারের সময় তার বংশধারীরা জমিদারী লাভ করে। এই ভবনটির আশেপাশে রয়েছে জমিদারদের কর্তৃক নির্মিত কাছারি বাড়ী, মন্দির, খননকৃত পুকুর, নায়েব ভবন ইত্যাদি। এই জমিদারবাড়িটি শুধু দর্শনীয় একটি স্থানই নয়, অনেকেই পিকনিক করার জন্যও এখানে আসেন। নাটকের শুটিং করার জন্যও এটি একটি অনন্য স্পট। দৃষ্টিনন্দন এই জমিদার বাড়িটি দেখতে হলে মির্জাপুর উপজেলার মহেড়া ইউনিয়নে প্রতিষ্ঠিত পুলিশ ট্রেনিং সেন্টারে যেতে হবে। ঢাকা-টাংগাইল মহাসড়কের পাশে জামুর্কি বাসস্ট্যান্ডে নেমে সেখান থেকে সামনের দিকে এগুলেই মহেড়া জমিদার বাড়ীটি দেখতে পাবেন। ...... সম্পূর্ণ অংশ পড়ুন

ধলাপাড়া চৌধুরীবাড়ী ও জামে মসজিদ
টাঙ্গাইল >>  ঘাটাইল

টাংগাইল জেলার ঘাটাইল উপজেলার ধলাপাড়া ইউনিয়নে রয়েছে একটি দৃষ্টিনন্দন প্রাচীন বাড়ী। স্থানীয়দের নিকট এটি ধলাপাড়া চৌধুরী বাড়ী নামে পরিচিত। এই চৌধুরীবাড়িটি প্রায় ১০০ বছরের পুরনো। চৌধুরী বাড়ীর পাশেই রয়েছে একটি সৌখিন কাছারি বাড়ী। চৌধুরী বাড়ীর মূল ভবনটির দেয়াল এবং ছাদ কারুকার্য মণ্ডিত। মসজিদটিও কারুকার্য খচিত। চৌধুরী বংশের পরবর্তী প্রজন্ম চৌধুরী বংশের ছমির উদ্দিন চৌধুরী ও জমির উদ্দিন চৌধুরী এই মসজিদটি নির্মাণ করেন। মসজিদটি ধলাপাড়া বাজারের নিকট অবস্থিত। স্থানটি ঘাটাইল উপজেলা হতে প্রায় ১২ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। ঘাটাইল উপজেলা সদর হতে সিএনজিতে করে সহজেই এই রাজবাড়িতে পৌঁছে যেতে পারবেন। ...... সম্পূর্ণ অংশ পড়ুন

First  Previous  1  2  3  4  5  6  7  8  9  Next  Last  



পর্যটন বাংলাদেশ - বাংলাদেশ ভ্রমণ - বাংলাদেশের দর্শনীয় স্থান