পর্যটন বাংলাদেশ - বাংলাদেশ ভ্রমণ - বাংলাদেশের দর্শনীয় স্থান


মুরইছড়া জলপ্রপাত
মৌলভীবাজার >>  কুলাউড়া

মৌলভীবাজার জেলার কুলাউড়া উপজেলার কর্মধা ইউনিয়নের একোয়ার্ড ফরেস্টের লুতি টিলায় এই পাহাড়ি জলপ্রপাতটি দেখতে পাবেন। মৌলভীবাজার থেকে এই জলপ্রপাতটির দূরত্ব প্রায় ৬৮ কিলোমিটার। এই স্পটটিতে যেতে হলে মৌলভীবাজার থেকে প্রথমে যেতে হবে বারিরবাজারে। সেখান থেকে মুরাইছাড়া বাজার হয়ে প্রায় ৫০০ মিটার দূরে গেলে একটি ছড়া দেখতে পাবেন। এই ছড়াটি মুড়াইছড়া নামে পরিচিত। এই মুড়াইছড়া থেকে প্রবাহমান পানির বয়ে যাওয়া গতির দিকে প্রায় ১ ঘণ্টা হাঁটলে পৌঁছে যাবেন আপনার কাঙ্ক্ষিত স্পটটিতে। এখানে দেখতে পাবেন একটি জলপ্রপাতের ঝর্ণাধারা। এটিই মুরাইছড়া জলপ্রপাতের ঝর্ণাধারা। এই ঝর্ণাধারাটি দেখতে যাওয়ার জন্য আপনাকে হাঁটার জন্য প্রস্তুতি নিতে হবে। জলধারার পথ দিয়ে হাটার সময় পাথরগুলো পিচ্ছিল থাকতে পারে, তাই সাবধানতা অবলম্বন করতে হবে। ...... সম্পূর্ণ অংশ পড়ুন

গারো পাহাড়
ময়মনসিংহ >>  হালুয়াঘাট

পর্যটকদের অন্যতম আকর্ষণ হালুয়াঘাটেও গারো অধ্যুষিত পাহাড় অঞ্চল। পিকনিক, অ্যাডভ্যাঞ্চার এর অন্যতম স্থান এই পাহাড়গুলো। গারো পাহাড়ের এই অঞ্চলের মধ্যে মিতালী টিলা, গাবড়াখালি পাহাড় অধিক জনপ্রিয় দুটি পাহাড়। সমতল অঞ্চলে সবুজের বেষ্টনীতে পাহাড়গুলোর অপরূপ দৃশ্য পর্যটকদের মুগ্ধ করে। পাহাড়ি বনের মধ্য দিয়ে ট্র্যাকিং এর সময় বনের পাখিদের কলকাকলী আপনার ভ্রমণকে আরও প্রাণবন্তর করে তুলবে। মিতালী পাহাড়টি পিকনিক করার জন্য অন্যতম আকর্ষণীয় একটি স্পট। গাবড়াখালি পাহাড়ও অন্যতম একটি আকর্ষণীয় স্পট। ছোট-বড় অনেক পাহাড় দেখতে পাবেন এই গাবড়াখালিতে। এখানে আদিবাসী হাজং এর বসবাস। পাহাড় আর আদিবাসীদের জীবন বৈচিত্র্য আপনাকে মুগ্ধ করবে। হালুয়াঘাট উপজেলা থেকে মোটরসাইকেল যোগে আসতে পারবেন এখানে। উপজেলা সদর থেকে স্থানটির দুরত্ব প্রায় ১৪ থেকে ১৫ কিলোমিটার। ময়মনসিংহ জেলা থেকেও মাইক্রবাস বা গাড়ী ভাড়া করেও এখানে আসতে পারবেন। ...... সম্পূর্ণ অংশ পড়ুন

ফালিতাঙ্গ্যাচুগ পাহাড়
রাঙ্গামাটি >>  বরকল

রাঙ্গামাটি জেলার বরকল উপজেলায় অবস্থিত একটি পাহাড়ের নাম ফালিতাঙ্গ্যাচুগ। প্রায় ১ হাজার ৮৬৮ ফুট উচু এই পাহাড়টি। এখান থেকে একনজরে উপভোগ করতে পারবেন বরকল উপজেলার প্রাকৃতিক দৃশ্য। প্রতিবেশি রাষ্ট্র ভারতের মিজোরাম রাজ্যের প্রাকৃতিক সৌন্দর্যও দেখতে পাবেন এখান থেকে। বরকল উপজেলায় এই পাহারটিই নয় এই উপজেলায় রয়েছে অসংখ্য ছোট-বড় ঝর্না। এই উপজেলাটির নামকরণ নিয়ে রয়েছে একটি জনশ্রুতি। স্থানীয়াদের মতে এই জেলায় একটি বড় প্রবাহমান একটি ঝর্না ছিল। ঝর্নাটির পানির শব্দ অনেক দূর থেকে শোনা যেত। এই ঝর্ণার গড়িয়ে পড়া পানির শব্দ শুনলে মনে হতো যেন কোন বড় আকৃতির কলের বা যন্ত্রের শব্দ হচ্ছে। একারনেই এই স্থানটির নাম হয়েছে বরকল। তবে এই ঝর্নাটি এখন আর নেই। এই বরকল উপজেলায় আসতে হলে অবশ্যই নৌকা ভাড়া করে আসতে হবে এবং রাত্রে থাকার প্রস্তুতি নিয়ে আসতে হবে। ...... সম্পূর্ণ অংশ পড়ুন

সুভলং ঝর্না, বীরশ্রেষ্ঠ মুন্সী আবদুর রউফের সমাধিস্তম্ভ, টুকটুক, পেদা টিংটিং, সাফাং রেস্টুরেন্ট, আদিবাসী গ্রাম
রাঙ্গামাটি >>  বরকল

সুভলং ঝর্ণা, ইকো টুকটুক ভিলেজ, পেদা টিংটিং দেখতে হলে আপনাকে নৌযান ভাড়া করে যেতে হবে সুভলং নামের একটি স্থানে। বীরশ্রেষ্ঠ ল্যান্স নায়েক মুন্সী আবদুর রউফের সমাধিস্তম্ভ দেখতে পাবেন নানিয়াচরের বুড়িঘাট এলাকায়। মুক্তিযুদ্ধের সময় মুন্সী আবদুর রউফ এখানে শহীদ হলে, তাকে স্থানীয় এক আদিবাসী এই স্থানটিতে কবর দেন। পরবর্তীতে এখানে বিডিআর (বর্তমানে বিজিবি) মুন্সী আবদুর রউফের কবরের উপর একটি সমাধিস্তম্ভ নির্মাণ করে। নৌকায় করে ভ্রমনের সময় আশেপাশের পাহাড় আর তার বুক চিঁড়ে বয়ে যাওয়া নদী আপনাকে বিমোহিত করবে। স্মৃতির দৃশ্যপটে গেঁথে যাবে এই মুহূর্তটি। এই দৃশ্য দেখতে দেখতে কখন যে আপনি সুভলং পৌঁছে যাবেন, তা বুঝতে পারবেন না। পাহাড় আর কাপ্তাই হ্রদের জলরাশির উপর বয়ে যাওয়ার পথে হঠাৎ দেখতে পাবেন একটি ছোট্ট সবুজ দ্বীপ। এই দ্বীপে দেখতে পাবেন পেদা টিংটিং রেস্টুরেন্ট। পেদা টিংটিং শব্দটি চাকমা ভাষা থেকে নেয়া হয়েছে, এর অর্থ 'পেট ভরে খাওয়া'। ১৯৯৭ সালে পার্বত্য শান্তি চুক্তির পরবর্তী সময়ে রাঙ্গামাটি শহর থেকে দূরে বালুখালীতে গড়ে তোলা হয়েছে বেসরকারি এই পর্যটন স্পট পেদা টিংটিং। এই পর্যটন স্পটটিতে রয়েছে সারি সারি সেগুন গাছ। চাইলে এখানে রাত্রি যাপন করতে পাবেন। দেখতে পাবেন এখানকার আদিবাসীদের জীবন বৈচিত্র্য। পেদা টিংটিং পর্যটন স্পটের কাছেই রয়েছে পিকনিক স্পট সাংফাং এবং ইকো টুকটুক ভিলেজ। এখানের খাবারের দোকানগুলোতে আপনি আদিবাসীদের ঐতিহ্যবাহী খাবারের স্বাদ পাবেন। শুধু পর্যটন স্পটই নয় ঘুরে দেখতে পাবেন এখানকার আদিবাসী গ্রাম। জুমচাষ এবং আদিবাসীদের সরল জীবনযাপন। এরপর এখান থেকে চলে যেতে পারেন সুভলং এর দিকে। বিশাল উঁচু পাহাড় থেকে নেমে আসা একটি ঝর্নাধারা। ছোট-বড় প্রায় ৬ থেকে ৮টি ঝর্নাধারা এখানে দেখতে পাবেন। এর মধ্যে বড় ঝর্নাটি পর্যটকদের নিকট খুবই জনপ্রিয়। চাইলে গা ভিজিয়ে নিতে পারবেন এখানে। তবে এই ঝর্ণার দৃশ্য খুব ভাল করে উপভোগ করতে চাইলে আপনাকে বর্ষার মৌসুমে এখানে বেড়াতে আসতে হবে। ...... সম্পূর্ণ অংশ পড়ুন

শুকনাছড়া
রাঙ্গামাটি >>  বাঘাইছড়ি

রাঙ্গামাটি জেলার বাগাইছড়ি নামক উপজেলার ১০ নং রাস্তার পাশে রয়েছে মনোরম এই স্পটটি এটি মূলত রাঙ্গামাটি জেলার অধীনে হলেও খাগড়াছড়ি জেলা হতে এই ছড়াটি দেখতে যাওয়া অনেক সুবিধাজনক। খাগড়াছড়ি জেলার দীঘিনালা উপজেলা হতে হাজাছড়া নামক স্থানে যাওয়ার পথে দেখতে পাবেন এই স্পটটি। স্থানীয়দের নিকট এই ছড়াটি হাজাছড়া নামেই বেশি পরিচিত। আবার অনেকেই এই ঝর্নাটিকে চিত জুরানি থাংঝাং ঝর্না নামে চিনেন। ঝর্ণাটি দেখতে চাইলে পাহাড়ের উঁচুনিচু আর পাহাড়ি অরণ্যের মধ্য দিয়ে যেতে হবে। ...... সম্পূর্ণ অংশ পড়ুন

ফুরামোন পাহাড়
রাঙ্গামাটি >>  রাঙ্গামাটি সদর

রাঙ্গামাটি জেলা সদর থেকে কিছু পথ দূরেই রয়েছে ফুরামোন পাহাড়টি। এডভ্যাঞ্চার প্রিয় পর্যটকদের অন্যতম একটি জনপ্রিয় স্থান এই পাহাড়টি। এখানে আসতে হলে পাহাড়ে ওঠার অভিজ্ঞতা থাকলে ভাল। যাদের পাহাড়ে ওঠার অভিজ্ঞতা নেই, তাদের জন্য নতুন এক অভিজ্ঞতা অর্জনের স্থান এই পাহাড়টি। এই পাহাড়টির উচ্চতা প্রায় ১৫১৮ ফুটের কাছাকাছি। এই স্থানটিতে ভ্রমনের জন্য স্থানীয় গাইডকে সঙ্গী করে নিলে বেশি উপভোগ করতে পাবেন। রাঙ্গামাটি সদরের কাছাকাছি এই পাহাড়টির অবস্থান বলে এই পাহাড়ের চূড়া থেকে উপভোগ করতে পারবেন রাঙ্গামাটি শহরটিকে। এই পাহাড়ে রাজবন বিহারের একটি শাখা মন্দির রয়েছে, যা ফুরামোন শাখা নামে পরিচিত। এই মন্দিরটি একটি বৌদ্ধ মন্দির। এই পাহাড়টি ভ্রমন করতে হলে আপনাকে রাঙ্গামাটি শহরের মানিকছড়ির সাপছড়িতে যেতে হবে, এই সাপছড়ি থেকে হেঁটে যেতে পারবেন এই পাহাড়ে। ...... সম্পূর্ণ অংশ পড়ুন

নয়াবাড়ি টিলা
শেরপুর >>  শ্রীবদী

বন্যপ্রাণীর অভয়ারণ্য এই নয়াবাড়ি টিলাটি রয়েছে শেরপুর জেলার শ্রীবর্দী উপজেলায়। উপজেলার গারো পাহাড়ের বালিজুরি রেঞ্জের অধীনে রয়েছে এই টিলাটি। প্রাকৃতিক সৌন্দর্যমণ্ডিত এই টিলাটি পর্যটকদের জন্য নতুন এক দিগন্ত। সমতল ভূমি আর পাহাড়ি এলাকার অপূর্ব এক সমন্বয় দেখতে পাবেন এখানে। এই টিলাসহ আশেপাশের বেশ কিছু ছোট ছোট টিলা আর দিগন্তজুড়ে প্রাকৃতিকভাবে গড়ে উঠা পাহাড়ি বন প্রকৃতির এক অনন্য সৃষ্টি। এলাকাটি মূলত বন্য হাতীর এক অভয়ারণ্য। ...... সম্পূর্ণ অংশ পড়ুন

রাজার পাহাড়
শেরপুর >>  শ্রীবদী

শেরপুর জেলার শ্রীবর্দী উপজেলার কর্ণঝোড়া বাজারের পাশেই রয়েছে রাজার পাহাড়। শ্রীবরদি উপজেলা শহর থেকে প্রায় ১৪ কিলোমিটার দূরে রয়েছে এই পাহাড়টি। এটি মূলত পাহাড়ের উপর একটি বিশাল সমতল ভূমি। এই পাহাড়ের পাশেই রয়েছে আদিবাসীদের দুটি গ্রাম বাবেলাকোনা এবং হারিয়াকোনা। গ্রাম দুটি উঁচু নিচু বেশ কয়েকটি পাহাড় বেষ্টিত। এখানে রয়েছে উপজাতীয়দের জন্য গির্জা, মন্দির, বাবেলাকোনা কালচারাল একাডেমী, লাইব্রেরী, স্কুল। বিভিন্ন নৃগোষ্ঠীর বৈচিত্রময় জীবন-যাপন, আচার-অনুষ্ঠান দেখতে পাবেন এখানে। পাহাড়টি জুড়ে রয়েছে রাবার গাছের বাগান। পাশেই রয়েছে ভারতের মেঘালয় রাজ্য। এই এলাকার সকল পাহাড়গুলোর মধ্যে এই পাহারটির উচ্চতা বেশি। প্রচলিত আছে, এখানে এক সময় কোন এক রাজার বসতি ছিল, তাই এই পাহারটির নাম হয়েছে রাজার পাহাড়। শেরপুর জেলা সদর থেকে প্রায় ৩৫ কিলোমিটার দূরে রয়েছে এই রাজার পাহারটি। ...... সম্পূর্ণ অংশ পড়ুন

লালাখাল
সিলেট >>  জৈন্তাপুর

পাহাড়ের কোল ঘেঁষে বয়ে যাওয়া পাহাড়ি নদী, নদীর বুকে ভেসে থাকা নৌকা সবকিছুই যেন প্রকৃতির নিজের হাতে আকা কোন ছবি। ছবির মত এই স্থানটি উপভোগ করতে চাইলে আপনাকে যেতে হবে সিলেট জেলার জৈন্তাপুর উপজেলার লালাখালে। দেশের অন্যতম বৃষ্টি প্রধান এলাকা এই লালাখাল। লালাখাল মূলত একটি গ্রামের নাম। এই গ্রামের পাশ দিয়ে বয়ে চলেছে সারী ও গোয়াইন নদী। নদীর পানির রঙ পর্যটকদের মুগ্ধ করে। চাইলে নৌকায় করে ঘুরে বেড়াতে পারবেন এই নদীতে। নদীর পাশে দাঁড়িয়ে থাকা পাহাড়গুলো দেখলে মনে হবে কেউ যেন সবুজের প্রলেপ দিয়ে রেখেছে এইসব পাহাড়ের উপর। পর্যটকদের থাকার জন্য এখানে রয়েছে রিসোর্ট। রয়েছে চা বাগানও।
সিলেট জেলা থেকে মাইক্রবাসে কিংবা অন্য কোন যানবাহনে সরাসরি যেতে পারবেন সারী নদীর সারীঘাটে। সেখান থেকে লালাখালে যেতে হবে নৌপথে। ...... সম্পূর্ণ অংশ পড়ুন

পানতুমাই ও লক্ষন ছড়া
সিলেট >>  গোয়াইনঘাট

পানতুমাই ও লক্ষন ছড়া এ দুটি হলো ঝর্ণা। সিলেট জেলার গোয়াইন ঘাট উপজেলার সীমান্তবর্তী এলাকায় দেখতে পাবেন এই দুটি ঝর্ণা। ঝর্ণা দুটি ভারতের ভূখণ্ডে হওয়ায় এর কাছাকাছি না যেতে পারলেও এর সৌন্দর্য আপনাকে মুগ্ধ করবে। পাহাড়ের কোল ঘেঁষে সবুজের মাঝে ঝর্ণাধারা দুটির জলপ্রপাত অতি দৃষ্টি নন্দন। পানতুমাই ঝর্ণাটি দেখতে হলে যেতে হবে গোয়াইলঘাটের হায়দারপাড় এর পানতুই নামের গ্রামটিতে। এবং লক্ষনছড়া ঝর্ণাটি দেখতে হলে রুস্তমপুর গ্রামে যেতে হবে। ...... সম্পূর্ণ অংশ পড়ুন

First  Previous  1  2  3  4  5  6  Next  Last  



পর্যটন বাংলাদেশ - বাংলাদেশ ভ্রমণ - বাংলাদেশের দর্শনীয় স্থান