পর্যটন বাংলাদেশ - বাংলাদেশ ভ্রমণ - বাংলাদেশের দর্শনীয় স্থান


লক্ষীবাওর সোয়াম্প ফরেস্ট
হবিগঞ্জ >>  বানিয়াচং

বাংলাদেশের সিলেট জেলার সোয়াম্প ফরেস্ট বা জলাবনের কথা জানা থাকলেও হবিগঞ্জ জেলার বানিয়াচং উপজেলার লক্ষীবাওর জলাবনের কথা জানেন না অনেক পর্যটকই। বর্ষা মৌসুমে এই বনের গাছ-গাছালি দেখলে মনে হবে এসকল কিছু যেন পানিতে ভাসছে। নৌকায় করে ঘুরে আসতে পারেন এই জলাভূমিটি। তাই, ঘুরতে চাইলে সবচেয়ে ভাল সময় হলো বর্ষার সময়। জলাবনটি স্থানীয়দের নিকট খড়তির জঙ্গল নামে পরিচিত। জলাবনটি হাওরের মধ্যে অবস্থিত বলে একই সাথে হাওর ভ্রমনও উপভোগ করতে পারবেন। এই জলাবনে বিষাক্ত সাপও রয়েছে। শীতে অতিথি পাখিদের কলরবে ভরে যায় এই বনটি। ...... সম্পূর্ণ অংশ পড়ুন

রেমা-কালেঙ্গা বন্যপ্রাণীর অভয়াশ্রম
হবিগঞ্জ >>  চুনারুঘাট

হবিগঞ্জ জেলার চুনারুঘাট উপজেলায় রেমা-কালেঙ্গা বন্যপ্রাণীর অভয়াশ্রমটি দেখতে পাবেন। দেশের একমাত্র ভার্জিন বন হিসেবে খ্যাত এই বনটি। শতবর্ষী এই বনাঞ্চলটির আয়তন প্রায় ১৭৯৬ হেক্টর। সুন্দরবনের পর দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তর বন এই রেমা-কালেঙ্গা বনটি। এই বনে বেশ কয়েকটি ছোট-বড় পাহাড় দেখতে পাবেন। বনের ভেতর পর্যটকদের জন্য নির্মাণ করা হয়েছে একটি সুউচ্চ পর্যটন টাওয়ার। এখান থেকে বনের বহুদূর পর্যন্ত এক নজরে দেখতে পাওয়া যাবে। এই বনে ত্রিপুরা, সাঁওতাল, তেলেগু এবং উড়ং নৃগোষ্ঠীর বসবাস রয়েছে। এ বনাঞ্চলে রয়েছে ৩৭ প্রজাতির স্তন্যপায়ী, ১৬৭ প্রজাতির পাখি, ৭ প্রজাতির উভচর, ১৮ প্রজাতির সরিসৃপ, বিলুপ্ত প্রায় উতবা, কাইম, বনমোরগ, বানর, হনুমান , হরিণ, সাপ, মৌমাছি, চশমা বানরসহ ৬০ প্রজাতির বন্যপ্রাণী এবং ৬৩৮ প্রজাতির উদ্ভিদ রয়েছে। ...... সম্পূর্ণ অংশ পড়ুন

সাতছড়ি জাতীয় উদ্যান
হবিগঞ্জ >>  চুনারুঘাট

হবিগঞ্জ জেলার চুনারুঘাট উপজেলার রঘুনন্দন পাহাড়স্থ সাতছড়িতে এই সাতছড়ি জাতীয় উদ্যানটি রয়েছে। রঘুনন্দন পাহাড়ে সাতটি ছড়া রয়েছে বলে এই উদ্যানটির নামকরণ করা হয়েছে সাতছড়ি উদ্যান। এটি একটি ইকো-ট্যুরিজম স্পট। পাহাড়-বন-চা বাগান সবকিছু মিলে এটি পর্যটকদের জন্য একটি আকর্ষণীয় এবং অপূর্ব একটি স্থান। প্রায় ২৪৩ হেক্টর এলাকা জুড়ে গড়ে তোলা হয়েছে এই জাতীয় উদ্যানটি। প্রায় ২০০ প্রজাতির গাছপালা, ১৯৭ প্রজাতির জীব-জন্তু, ১৫০-২০০প্রজাতির পাখি রয়েছে এই উদ্যানটিতে। জীববৈচিত্র্য সমৃদ্ধ এই বনাঞ্চলটি একটি ট্রপিক্যাল রেইন ফরেস্ট বা মিশ্র চিরসবুজ বা পাতাঝরা বন। সাতছড়ি জাতীয় উদ্যানের ভিতর সাতটি ছড়া বা ঝর্না আছে, একারনে এর নামকরণ করা হয়েছে সাতছড়ি। এখানে আরও দেখতে পাবেন স্থানীয়ভাবে বসবাসকারী টিপরা উপজাতির বৈচিত্র্যময় জীবনাচার। ...... সম্পূর্ণ অংশ পড়ুন

লাউয়াচাপড়া
জামালপুর >>  বকশীগঞ্জ

জামালপুর জেলার সীমানাবর্তী উপজেলা বকশিগঞ্জ উপজেলার ধানুয়া জামালপুর ইউনিয়নের প্রাকৃতিক সৌন্দর্যমণ্ডিত পাহাড় বনভুমি এই লাওয়াচাপড়া। এটি একটি পিকনিক স্পটও। প্রকৃতিপ্রেমীদের সময় কাটানোর জন্য এক অনন্য স্থান এই লাউয়াচাপড়া পিকনিক স্পটটি। পাহাড়ি এই বনভুমি এক নজরে দেখার জন্য এখানে রয়েছে একটি ওয়াচ টাওয়ার। এখানে রয়েছে একটি কৃত্রিম লেক। ...... সম্পূর্ণ অংশ পড়ুন

বাঁশখালী ইকোপার্ক ও চুনতি অভয়ারণ্য এবং সমুদ্র সৈকত
চট্রগ্রাম >>  বাঁশখালী

চট্টগ্রাম শহর থেকে প্রায় ৬০ কিলোমিটার দূরে বাঁশখালী উপজেলায় বাঁশখালী ইকোপার্কটি দেখতে পাবেন। উঁচু নিচু পাহাড়, ঝর্ণা, সমুদ্র, ঝুলন্ত ব্রিজ, পাহাড়ি বনের এক মনোরম প্রাকৃতিক পরিবেশ এই স্পটটি। ১৯৮৬ সালে বাংলাদেশ বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ আইন এর আলোকে ৭৭৬৪.০ হেঃ বনভূমি নিয়ে চুনতি অভয়ারণ্য ঘোষণা করা হয়। পরবর্তীতে ২০০৩-২০০৪ সালে চুনতি অভয়ারণ্যের ১০০০.০ হেক্টর এলাকা নিয়ে যাত্রা শুরু হয় বাঁশখালী ইকোপার্কের। এই চুনতি অভয়ারণ্যের অভ্যন্তরে রয়েছে বেশ কয়েকটি ছোট ছোট পাহাড়, ঝর্ণাধারা। শীত মৌসুমে এই বাঁশখালী ইকোপার্ক ও সৈকতটি শুধুমাত্র একটি পর্যটন স্পটই থাকে না। এটি পিকনিক স্পটের জন্য বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠে। পাহাড়, সমুদ্র আর সবুজের এক নয়নাভিরাম পরিবেশ আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। ইকোপার্কটি ও চুনতি অভয়ারণ্যে প্রায় ৩ শতাধিক প্রাজাতির উদ্ভিদ রয়েছে। রয়েছে ৪৫ প্রজাতির স্তন্যপায়ী প্রাণী, ৮৫ প্রজাতির পাখি, ২৫ প্রজাতির সরীসৃপ ও ৭ প্রজাতির উভচর প্রাণী রয়েছে। পার্কটিকে এক নজরে দেখতে চাইলে রয়েছে দুটি পর্যবেক্ষণ টাওয়ার। এ টাওয়ার থেকে দেখতে পাবেন পাহাড়, অভয়ারণ্য, বঙ্গোপসাগর, কুতুবদিয়া চ্যানেল। উঁচু-নিচু পাহাড়ে উঠানামার সুবিধার্থে নির্মাণ করা হয়েছে সিঁড়ি। ইকোপার্ক ও চুনতি অভয়ারণ্যে নির্মাণ করা হয়েছে কৃত্রিম হ্রদের। এই হ্রদে পর্যটকদের নৌ ভ্রমনের জন্য রয়েছে পর্যটন বোট, প্যাডেল বোট, সোয়ান বোট এবং স্পীড বোট। ...... সম্পূর্ণ অংশ পড়ুন

চুনতি অভয়ারণ্য
চট্রগ্রাম >>  বাঁশখালী

চট্টগ্রাম শহরের প্রায় ৭০ কিলোমিটার দূরে বাঁশখালী, লোহাগড়া ও সাতকানিয়া উপজেলা ও কক্সবাজার জেলার চকোরিয়া উপজেলার প্রায় ৭৭৬৪ হেক্টর এলাকা জুড়ে রয়েছে এই চুনতি অভয়ারণ্য। এই অভয়ারণ্যটি বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের মধ্যে বন্যহাতীর যাতায়াতের করিডোর হিসেবে পরিচিত। ...... সম্পূর্ণ অংশ পড়ুন

সীতাকুণ্ড ইকোপার্ক
চট্রগ্রাম >>  সীতাকুণ্ড

এশিয়ার প্রথম ইকোপার্ক এই সীতাকুণ্ড ইকোপার্কটি। চট্টগ্রাম শহর থেকে প্রায় ৩৮ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত সীতাকুণ্ড উপজেলায় এই ইকোপার্কটি রয়েছে। এখানে একটি বোটানিক্যাল গার্ডেনও গড়ে তোলা হয়েছে। ইকোপার্কটিতে বিরল জাতের গাছ-গাছালি দেখতে পারবেন। ...... সম্পূর্ণ অংশ পড়ুন

মধুপুর গড়/শালবন/ইকোপার্ক ও পিকনিক স্পট
টাঙ্গাইল >>  মধুপুর

বাংলাদেশের তৃতীয় বৃহত্তম প্রাকৃতিক বন মধুপুর শালবন। স্থানীয়দের নিকট এটি 'গজারি বন' নামে পরিচিত। এই বনে গারো, কোচ, বামনসহ বেশ কয়েকটি নৃগোষ্ঠীর বসবাস রয়েছে। এখানে শীতকালে প্রচুর দর্শনার্থীদের আগমন ঘটে। কেউ কেউ দল বেঁধে পিকনিক করতে আসে। জুঁই এবং চামেলি নামের দুটি পিকনিক স্পটও রয়েছে। রয়েছে বিশ্রামাগার। চাইলে এখানে বিশ্রামও নিতে পারেন। টাঙ্গাইল জেলা শহর থেকে প্রায় ৪৬ কিলোমিটার দূরে এই মধুপুর বনটি রয়েছে। শীত শেষে বনের গাছপালার ডালে যখন নতুন পাতা আসে তখন এই বনের সৌন্দর্যও যেন বেড়ে যায় কয়েকগুণ। বনের ভিতর দিয়ে পায়ে হেঁটে চললে মাটিতে পড়ে থাকা শুকনো পাতার মর্মর শব্দ আর মাথার উপর নতুন সবুজ পাতা, পাখির কলরব যেন প্রকৃতির অন্য ভুবনে নিয়ে যাবে আপনাকে। এই শালবনে প্রবেশের জন্য টাংগাইল-ময়মনসিংহ সড়কের রসুলপুর মাজার নামক একটি স্থানে নামতে হবে। এখানে মধুপুর জাতীয় উদ্যানের প্রধান গেটটি রয়েছে। ...... সম্পূর্ণ অংশ পড়ুন

ভাওয়াল জাতীয় উদ্যান
গাজীপুর >>  শ্রীপুর

গাজীপুর সদর উপজেলা এবং শ্রীপুর উপজেলার একাংশ জুড়ে গড়ে তোলা হয়েছে এই উদ্যানটি। ১৯৭৩ সালে প্রায় সাড়ে ৬ হাজার হেক্টর এলাকা নিয়ে গড়ে তোলা হয়েছিল এই উদ্যানটি। ঢাকা থেকে প্রায় ৪১ কিলোমিটার দূরে এই উদ্যানটির অবস্থান। উদ্যানটিতে রয়েছে বেশ কয়েকটি পিকনিক স্পট। শীত মৌসুমে এই উদ্যানে দূর-দূরান্ত থেকে পিকনিক করতে আসে অনেকেই। নির্মাণ করা হয়েছে বেশ কয়েকটি কটেজ এবং রেস্ট হাউস। উদ্যানটি বন্য প্রাণীদের অভয়ারণ্য। এই উদ্যানটিতে গড়ে তোলা হয়েছে কচ্ছপ ও কুমিরের প্রজনন কেন্দ্র। ...... সম্পূর্ণ অংশ পড়ুন

First  Previous  1  2  



পর্যটন বাংলাদেশ - বাংলাদেশ ভ্রমণ - বাংলাদেশের দর্শনীয় স্থান